ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

ফটিকছড়িতে হারাতে বসেছে ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্য শীতলপাটি


ফটিকছড়ি প্রতিনিধি photo ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩১-৮-২০২১ দুপুর ১:২১

ফটিকছড়িসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হারাতে বসেছে ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্য শীতলপাটি। গ্রীষ্মের দুপুরে বাড়ির পাশের সুপারি কিংবা গাছ বাগানে শীতলপাটিতে পিঠ এলিয়ে একটুখানি স্বস্তির কথা গত শতাব্দীর শেষাংশে জন্মগ্রহণ করাদের অবশ্যই জানা আছে। 

শীতলপাটি গ্রাম বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য। গ্রীষ্মের প্রখর গরমে একটুখানি শীতলতা লাভের জন্য এটি ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। গ্রাম কিংবা শহরের সৌখিন মানুষদের কাছে শীতলপাটির কদর অনেক। এখনো গ্রামাঞ্চলের বিয়েতে কনের সাথে শীতলপাটির উপহার ধরাবাঁধা নিয়ম হিসেবেই রয়েছে। এছাড়াও বেতের তৈরি নামাজের মুসল্লা বা মাদুরেরও রয়েছে সমান কদর। ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে শীতলপাটির স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)।

এর বুননের কাঁচামাল হচ্ছে মুরতা বেত, চট্টগ্রামের ভাষায় যাকে বলা হয় পাটিবেত বা পাটিবাতা, যা শুষ্ক মৌসুমে রোপণ করা হয়। বেত পরিপক্ব হলে বর্ষার পানিতে ভিজিয়ে পাটি তৈরির উপযোগী বেতে রূপ দেয়া হয়। এরপর চলে পাটি বুনন।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল, নানুপুর, ধুরং, নারায়ণহাট, দাঁতমারাসহ প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে মুরতা বা পাটিবেতের ঝোপ/বনের অস্থিত্ব থাকলেও নানা কারণে এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে গৃহায়ন বেড়ে যাওয়ায় উজাড় হচ্ছে বেতবন। একটি ৪ হাত বাই ৫ হাত পাটি তৈরিতে কমপক্ষে ১৬০টি মুরতা বেতের প্রয়োজন পড়ে, যার বাজার মূল্য এক সময় ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা ছিল, যা এখন কিনতে হচ্ছে ১০০০-১৫০০ টাকায়।

প্রযুক্তির উৎকর্ষতার ফলে উন্নতমানের মাদুর ও প্লাস্টিকের রেক্সিন আবিষ্কারের কারণে হ্রাস পেয়েছে শীতলপাটির মূল্য ও উ‍ৎপাদন। তাছাড়া শিল্প বিপ্লবের ফলে গত শতাব্দীর বহু ঐতিহ্যের মতো এ শিল্পের সাথেও অপরিচিত হয়ে যাচ্ছেন বর্তমান সময়ের নারীরা। এসব নানা কারণে ইউনেস্কো স্বীকৃতি থাকলেও এখন বিলুপ্তির পথে হাজার বছরের এ ঐতিহ্য ও হস্তশিল্প।

ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাটের ষাটোর্ধ্ব মরিয়ম খাতুন বলেন, আজ থেকে ২০-২৫ বছর আগে প্রত্যেকটি ঘরের গৃহিণীরা ভাত রান্নার মতো করে পাটি বুননের কাজ জানত। কিন্তু রেক্সিন ও প্লাস্টিকের মাদুর আবিষ্কার এবং ফেসবুক-অনলাইনের অসক্তির ফলে এখনকার মেয়েরা পাটি বানাতে জানে না।

ফটিকছড়ি সদরের বিবিরহাট বাজারে সরেজমিন গেলে বেতশিল্প ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বলেন, গ্রামাঞ্চলে বাড়িঘর বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে উজাড় হচ্ছে বেতবন, যার দরুন কাঁচামালের বিলুপ্তি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের সাথে জড়িতরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন।

অন্যান্য ব্যবসায়ী ও বুননশিল্পীরা এ শিল্প রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এমএসএম / জামান

সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার

শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

ধামইরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড মহড়া

ঘুষ ছাড়া মেলেনা খারিজ হাটিকুমরুলে" সেবাবঞ্চিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

রায়গঞ্জে অনুমোদনহীন ৬ ইটভাটায় ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা