অনিন্দ্য সুন্দর পর্যটন এলাকা চন্দনাইশের ধোপাছড়ি
পাহাড় নদীতে ঘেরা চন্দনাইশের পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ি হয়ে উঠতে পারে পর্যটন এলাকা তথা ইকোপার্ক। চন্দনাইশ উপজেলার পূর্ব দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত ধোপাছড়িতে ৯টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ এলাকা পাহাড়। ইউনিয়নের পূর্ব প্রান্তে পার্বত্য জেলা বান্দরবান, দক্ষিণে সাতকানিয়া, উত্তরে রাঙ্গুনিয়া। ইউনিয়নটির দক্ষিণ পার্শ্বে শঙ্খ নদী বয়ে যাওয়ায় পাহাড় নদীর মধ্যখানে হাতছানি দেয় মেঘ পাহাড়ের দেশের মত। ইউনিয়নের পুরো এলাকা জুড়ে পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও মৌসুমী শাকসবজি। বনজ গাছগুলো সারিসারি দেখতে অপূর্ব লাগে। ১৪ হাজার ২ শত ৭৭ বর্গ একর এলাকার এই ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজার লোকের বসতি রয়েছে। তৎমধ্যে পাহাড়ি, বাঙ্গালি, রোহিঙ্গা, মগ সহ বিভিন্ন ধর্মের লোক বসবাস করে থাকে। সবাই মিলে যেন একটি পরিবার। এ এলাকার মানুষের নিরাপত্তার জন্য একটি পুলিশের তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবার জন্য একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ও রয়েছে। চন্দনাইশ উপজেলার বিচ্ছিন্ন এ ইউনিয়নটির সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে শঙ্খ নদীতে ইঞ্জিন বাহী বোট। তাছাড়া সাতকানিয়া,কেরানীহাট-বান্দরবান সড়ক হয়ে শঙ্খের পাড়ে গিয়ে নদী পারাপারের মাধ্যমেও এ ইউনিয়নে যাওয়া যায়।ধনে ধান্যে পুষ্প ভরা আমাদের এ বসুন্ধরা। দেশাত্ববোধক এ গানটির সাথে কতটাই যথার্থ তা বোঝা যায় বাংলাদেশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ দৃশ্যপটগুলো পরিদর্শন করলে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো পড়ে আছে অজস্র প্রাকৃতিক দৃশ্যপট। সেগুলোতে পরিদর্শনে গেলে মন একবার হলেও নেচে উঠবে অপার আনন্দে। সেরকম একটি প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের স্থান হচ্ছে চন্দনাইশ উপজেলার এ ধোপাছড়ি ইউনিয়ন। নামের সাথে ধোপাছড়ির মিল খুঁজে পাওয়া যায় যাওয়ার জন্য পা বাড়ালে। নদী পাহাড় বেষ্টিত এ ধোপাছড়িকে দেখতে অন্যরকম লাগে। আগামীতে ধোপাছড়িতে গড়ে উঠতে পারে আর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র ও বোটানিকেল গার্ডেন। এক নাগারে ২ ঘন্টার নদীপথে ধোপাছড়িতে আসা-যাওয়া একটি রোমাঞ্চকর মুহুর্তও অনেকে অনুভব করেছেন। নদীপথে যেতে হলেও এ ধোপাছড়ির সৌন্দর্য্য এখনো ভ্রমন পিপাসু মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। যারাই একবার নৌপথে ধোপাছড়িতে গেছেন তারাই বারবার যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
সুন্দরবনের আদলে গড়ে উঠা ধোপাছড়িতে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট কোন দর্শনীয় স্থান না থাকলেও এখানকার সেগুন,গর্জন,গামারি, চাপালিশ,একাশি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের বাগান যে কারো মন কেড়ে নেবে প্রথম দর্শনে। এক কথায় বলা যায় পুরো ধোপাছড়িটাই যেন একটি বোটানিকেল গার্ডেন এবং পাহাড়ের নিম্মাংশে যেন সবজির ভান্ডার। বাংলাদেশের এ ধোপাছড়ি একমাত্র ইউনিয়ন যেখানে ২টি বনবিট স্থাপন করা হয়েছে। ২টি বনবিট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বোঝা যায় ধোপাছড়িতে কি পরিমাণ বৃক্ষ রাজিতে সজ্জিত। বিট কর্মকর্তাদের মতে সুন্দরবন ছাড়া আর কোথাও ধোপাছড়ির মতো সৌন্দর্য্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাছাড়া পাহাড় নদী বেষ্টিত ধোপাছড়িকে ঘিরে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নেয়া হলে এ ইউনিয়নটি হয়ে উঠতে পারে আর্ন্তজাতিক মানের অনিন্দ্য সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র। যা থেকে আয় হতে পারে বিপুল পরিমাণ অর্থ। একই সাথে সৃষ্টি হবে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একটু মনোযোগী হলে ধোপাছড়ি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি অবদান রাখতে পারবে নি:সন্দেহে। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে লীলা ভূমি ছেয়ে আছে ধোপাছড়ি ইউনিয়ন। এ অবিরাম নৈশগিক পরিবেশের ধোপাছড়ি স্বপ্নীল যেখানে মেঘ হাতছানি দিয়ে ডাকছে আয়,আয়,আয়,তোরা আয়।
এমএসএম / এমএসএম
বাঁশখালীতে অবৈধ ভাবে কাটছে মাটি,গভীর রাতে প্রশাসনের অভিযান ৩জনকে কারাদন্ড
ঠাকুরগাঁও ২৫০ থেকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে জেনারেল হাসপাতাল
শিক্ষা ও প্রশাসনিক দক্ষতায় অনন্য অবদানে সংবর্ধিত হলেন অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী
হাতিয়ায় নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেঃ মাহবুবুর রহমান শামীম
যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাস্টবিনে দেখাগেল নবজাতক শিশুর মৃতদেহ
নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি টেন্ডার ছাড়া রাতের আধাঁরে যাচ্ছে ইটভাটায়
ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
গাজীপুরে ১৭ লক্ষ টাকা মূল্যের হেরোইনসহ গ্রেফতার-১
আত্রাইয়ে উপজেলা বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
তুরাগে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় চাঁন মিয়া বেপারীর উপহার সামগ্রী বিতরণ
অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন