সীতাকুণ্ডে খেজুরগাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত গাছিরা
শীত মৌসুম আসতে এখনও বেশ কিছুদিন বাকি। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন গ্রাম-অঞ্চলে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। রাতে ঠান্ডা-হিমেল বায়ু আর সকালের শিশির ভেজা ঘাস-পাতাই জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
প্রতিবছর শীত মৌসুম এলেই গাছিদের রস সংগ্রহে খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ততা বাড়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
এদেরই একজন উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাসিন্দা গাছি আবুল কাশেম। শীতের শুরুতেই সারা বছর অযত্নে পড়ে থাকা নিজের ও চুক্তিতে নেওয়া অর্ধশতাধিক খেজুর গাছ পরিষ্কার শুরু করেন তিনি। এরপর গাছ থেকে রস সংগ্রহ এবং বিক্রির পালা। আগামী দুই মাস তাঁর কোনো ছুটি নেই। কাশেম এর মতো বর্তমানে গাছ কাটা ও রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন সীতাকুণ্ডের শতাধিক গাছি। এতে বাড়তি আয় হওয়ায় গাছিদের পরিবারে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে।
গাছিরা গাছ পরিষ্কারের পর বিশেষ কায়দায় বাঁশের কঞ্চির নল বসিয়ে দেন। পরবর্তীতে নলের মুখে প্লাস্টিকের বোতল বসিয়ে দেওয়া হয়। নল বেয়ে বোতলে এসে জমা হয় মিষ্টি রস। পড়ন্ত বিকেলে রসের হাঁড়ি বসানোর দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কাক ডাকা ভোরে এসব গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। এরপর রস নিয়ে বিক্রির জন্য ছুটেন গ্রামে গ্রামে।
গাছি আবুল কাশেম জানান, বছরের অন্যান্য সময় কৃষিকাজ এবং দৈনিক মজুরীর ভিত্তিতে কাজ করে পরিবারের খরচ নির্বাহ করেন তিনি। তবে শীত মৌসুম এলেই সব কাজ বন্ধ রেখে রস সংগ্রহর লক্ষ্যে খেজুর গাছ ছোলার কাজ শুরু করেন তিনি। নিজের ও অন্যের কাছ থেকে চুক্তিতে গাছ ভাড়া নেন। গ্রামাঞ্চলে রসের চাহিদা খুব। সে তুলনায় গাছ কম বলে জানান তিনি।
কাশেম আফসোস করে বলেন, এক সময় গ্রামাঞ্চলে প্রচুর খেজুর গাছ ছিল। সে সময় বাজারে হাঁড়ি হিসাবে রস বিক্রি করা হতো। কিন্তু এখন গাছ কমে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ করতে পারছেন না। তাই রসের দামও বেশী। প্রতিকেজি খেজুরের রস ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বছরের এ সময়ে খেজুর রস বিক্রির মাধ্যমে বাড়তি টাকা উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি লক্ষাধিক টাকা আয় হয় বলেও জানান তিনি।
পশ্চিম বাকখালী এলাকার গাছি মোঃ শহিদুল্লাহ, দেলোয়ার হোসেন, আখের ইসলাম ও মোঃ বশির আহমেদ জানান, পেশায় তাঁরা চারজনেই কৃষক। অন্যের জমিতে দিন মজুরীর কাজ করে পরিবার চালান। তাঁরা অপেক্ষায় থাকেন শীতকালীন এ মৌসুমি খেজুর রসের জন্য। এ সময়টা তাঁদের খুশির সময়।সৈয়দপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাকখালী এলাকার বাসিন্দা কামরুল হাসান বলেন, ‘চমৎকার ও সুমিষ্ট এ খেজুরের রস এখন গ্রামীণ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর শীতকাল এলেই গ্রামাঞ্চলে পিঠা, পুলি তৈরীর ধুম পড়ে যায়। গ্রামের বিভিন্ন স্থানে উদ্যাপিত হয় পিঠে উৎসব।’
এমএসএম / এমএসএম
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত
রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার
নেত্রকোণায় সাবরেজিস্টার্ড অফিসে দলিলের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলা-থানায় অভিযোগ