উখিয়া কাস্টমস অফিসের নিরব চাদাঁবাজি
উখিয়া-টেকনাফ হাইওয়ে সড়কে নিরব চাদাঁবাজি চালাচ্ছে বালুখালী কাস্টমস অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা । মালবাহী কোন গাড়ি যাতায়াত করলেই দিতে হয় চাঁদার টাকা। চাহিদা মাফিক চাঁদার টাকা না পেলে ড্রাইভারের সাথে তর্কবিতর্ক করে দাঁড় করিয়ে রাখে পন্যবাহী গাড়ি। অনুসন্ধান দেখা যায়, সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশের বড় বড় নামী দামী কোম্পানি প্রাণ,গ্লোব,রিদিশা, আকিজ, আরএফএল, বুম্বাই,ড্যানিশ, স্টারশিপসহ বিভিন্ন কোম্পানির পণ্যসামগ্রী বাজারজাত করতে উপজেলা কেন্দ্রীক বিভিন্ন ছোট বড় এজেন্ট বা ডিলার দিয়ে পন্যগুলো বেচা বিক্রি করতে প্রতিনিধি নিয়োগ দেন কোম্পানির মার্কেটিং অফিসাররা।
সেই নিয়োগকৃত এজেন্ট বা ডিলাররা পন্যগুলো গাড়ি করে দোকানে দোকানে সাপ্লাই দিতে গিয়ে চাদাঁবাজির শিকার হন কাস্টমস অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে। প্রতিটি পন্যবাহী গাড়ি থেকে ২০০/২৫০ টাকা করে প্রতিদিন মিনিমাম ১০০/১৫০ গাড়ি থেকে এসব চাঁদা তুলে পকেট ভারী করতেছে উখিয়া বালুখালী কাস্টমস অফিসের কর্মকর্তারা। পরিচয় গোপন রেখে বালুখালী কাস্টমস অফিসের সামনে অবস্থান করে দেখা যায়, একটা পানিভর্তি ভ্যানগাড়ি উখিয়া হতে বালুখালী যাওয়ার পথে দাঁড় করিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করেন কাস্টমস অফিসের কর্মচারী এলাহী । ভ্যান চালক টাকা কম দিতে চাওয়াই তাকে বালুখালীর দিকে যেতে না দিয়ে সড়কে দাঁড় করিয়ে তার সাথে তর্কবিতর্ক জড়ান এই কর্মচারীসহ আরো দুজন ব্যক্তি। অফিসের ভিতরে বসে থাকা ডিউটি অফিসার তাপস নামে আরেক কর্মকর্তা বড় করে বলে উঠে টাকা দিলে গাড়ি যেতে পারবে না দিলে যেতে পারবে না এত কথা কিসের। এমন মন্তব্যের পরে সকালের কক্সবাজার পত্রিকার টিম উপস্থিত হলে তারা হতবম্ব হয়ে ভ্যান চালক থেকে টাকা না নিয়ে ছেড়ে দেন।
কাস্টমস অফিসের কর্মচারী এলাহীর সাথে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা গাড়ির চালান চেক করি। টাকা দিতে চাইলেও নি না। বসেন চা খান এসব বাদ দেন। টেকনাফ বন্দর থেকে আসা গাড়ির চালান চেক না করে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে ঢাকা থেকে আসা বৈধ পন্যের গাড়ির চালান চেক করেন কেন...? এমন প্রশ্নে তিনি সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে পুনরায় বলেন আসেন বসে চা খাই।
উখিয়ার এক প্রাণ কোম্পানির ডিলার জানিয়েছেন, বালুখালী কাস্টমস অফিসাররা যুগ যুগ ধরে আমাদের শোষণ করে যাচ্ছে। ১০০/১৫০ করে প্রতিদিন প্রায় ১০০/১৫০ গাড়ি থেকে টাকা নেয় কাস্টমস অফিসে। কোন মেমো রিসিট ছাড়াই। এগুলা কিসের টাকা জানতে চাইলে উলটা ধমক দিয়ে গাড়ি আটকে রাখার হুমকি দেন।
উখিয়া ডিস্ট্রিবিউশন (ডিলার) সমিতির এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানিয়েছেন, আমাদের সংগঠনে প্রায় ৮০-৯০ জন মতো সদস্য রয়েছে। প্রতিটি সদস্যের ১/২ টা করে এজেন্ট/ ডিলার রয়েছে। দোকানে পন্য সরবরাহ করতে প্রত্যেক সদস্যের গাড়ি প্রতিদিন মার্কেটে মার্কেটে যায়। ১ টাকা গাড়ি থেকে যদি ১০০ টাকা করে নেয় প্রতিদিন ১৫০ গাড়ি থেকে কত উঠে হিসাব করেন। ভাবছিলাম আওয়ামীলীগ সরকার চলে গেলে এসব বন্ধ হবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নিয়মবহির্ভূত ভাবে তারা মাসে ৪/৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির কারো চোখে পড়ে না।উখিয়া কাস্টমস অফিসের প্রধান কর্মকর্তা আব্দুস সামাদকে এসব বিষয় অবগত করলে তিনি সাফ জবাব দেন এসব কথা আমাকে বলবেন না। যারা নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছা করেন। এইখানে আমাকে জড়াবেন না।
আপনি অফিস প্রধান আপনার কর্মচারীর অনিয়ম দুর্নীতির কথা আপনাকে না বলে কাকে বলব..? এমন প্রশ্নে তিনি হুমকিস্বরূপ বলেন, যারা নিচ্ছে তাদেরকে বলেন ফারদার এসব বিষয় আমাকে জানাবেন না।
এমএসএম / এমএসএম
নান্দনিক রূপে নজর কাড়ছে ভিক্টোরিয়া কলেজের ‘স্বাধীনতা সৌধ’
জাতীয় হকি তারকা মিন্টু ও শামীম স্মরণে শোক র্যালি
রামপালে ইতু হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহোদরসহ গ্রেপ্তার ৩, রিমান্ড আবেদন
দেবীগঞ্জে হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনকে ২২শ তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার
টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিএনপি-যুবদলের পৃথক বিক্ষোভ মিছিল
নেছারাবাদে নতুন ইউএনও আশিক আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রথম মতবিনিময়
রাজশাহী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন আব্দুস সবুর
কুড়িগ্রামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রতন পোদ্দার গ্রেপ্তার
"রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)" পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের এএসআই ইকলাচুর রহমান
অভয়নগরে বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণ
শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর নিয়োগে অনিয়ম, পণ্য খালাসে জটিলতার আশঙ্কা
পাবনায় মানবকল্যাণ ট্রাষ্টের মতবিনিময় সভায় প্রধান মন্ত্রীর একনজর দেখতে আশার প্রত্যাশা ট্রাস্ট প্রধানের