ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

দোহাজারীতে নারী সবজি বিক্রেতা অঞ্জলির জীবন সংগ্রামের গল্প


আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ  photo আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ
প্রকাশিত: ৪-১২-২০২৪ দুপুর ১২:৪০

সুন্দর এই পৃথিবীটা সবার জন্য সবসময় সুন্দর সাবলীল অবস্থায় থাকে না। একে সুন্দর করে নিতে হয়। আর একে সুন্দর করার পিছনে থাকে অনেক দুঃখ-কষ্ট,পরিশ্রম আর ইচ্ছা শক্তি। এমনই এক দুঃখ কষ্টে ভরা জীবনকে নিজের মতো করে সুন্দর করে নিলেন সংগ্রামী নারী সবজি বিক্রেতা অঞ্জলি। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার কাঁচা বাজারে সবজি বিক্রি করেন।

অর্ধশতাধিক সবজি বিক্রেতাদের মধে একমাত্র নারী সবজি বিক্রেতা চল্লিশোর্ধ্ব অঞ্জলি মল্লিক। দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু পাড়া এলাকার স্বামী ও সন্তানহীন এই অসহায় নারী গত তিন বছর যাবত সবজি বিক্রি করছেন দোহাজারী শাহী জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে। প্রতিদিনে তিনি পিচঢালা রাস্তায় একটি প্লাস্টিকের বস্তার ওপর মূলা, বেগুন, বরবটি, লাউ, ঢেঁড়স, মিষ্টি কুমড়া, চিচিঙ্গা ও ধনিয়া নিয়ে বসে। এসময় তিনি জানান,স্বামী ও সন্তান ছাড়া একলা-নিঃসঙ্গ জীবনে রুটি-রুজির তাগিদে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। বিয়ের ১৫ বছর পর তাঁর স্বামী ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আট মাস বয়সী একমাত্র কন্যা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আর বিয়ে করেননি তিনি। রেলওয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করা স্বামীর বেসিক কম থাকায় তৎকালীন সময়ে রেলওয়ে থেকে তেমন একটা আর্থিক সহযোগিতাও পাননি।

এরপর পাহাড় থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করেছেন কয়েক মাস। কৃষি শ্রমিক হিসেবেও শঙ্খ চরে কাজ করেছেন। সর্বশেষ দোহাজারী পৌরসভার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাজ করেছেন কয়েক বছর। তিনি আরো বলেন,গত পাঁচ বছর আগে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন তিনি। মেয়ের বিয়ের জন্য বিভিন্ন জনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ ও নিজের একলা নিঃসঙ্গ জীবন চালিয়ে নিতে এনজিও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শুরু করেছেন সবজির ব্যবসা। ভাই-বোনেরা নিজ নিজ সংসার নিয়েই ব্যস্ত। বাঁচতে হলে তো কিছু একটা করতে হবে। তাই এনজিও সংস্থা থেকে পাঁচ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সবজি বিক্রি শুরু করেছি। ভোর হওয়ার আগেই বাড়ি থেকে বের হই।

বাড়ি থেকে হেঁটে আসি দোহাজারী রেলওয়ে মাঠের পাইকারি সবজি বাজারে। শঙ্খচরের চাষীদের কাছ থেকে পাইকারি দরে সবজি কিনে এনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের এক পাশে বসে খুচরা বিক্রি করি। আমি বেশি লাভ করি না, অল্প লাভে বিক্রি করি। এজন্য আমার গ্রাহকরা বিশ্বাস করে কেনেন। সারাদিন বিক্রির পর বাজার সমিতিকে ৫০ টাকা হাসিল ও নিজের খরচ বাদ দিয়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা ইনকাম হয়।

T.A.S / T.A.S

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

ফারুয়ায় ২৫০ ফুটের বেইলি ব্রিজ নির্মাণে উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিএনপি সভাপতি সালাম ফকির

তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ

বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২

পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস

কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন