বালাগঞ্জে স্কুলের কাজ না করে, ঠিকাদার উধাও
দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও চার বছরেও শেষ হয়নি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর হুরুন্নেছা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাঁটল। প্রায় বছর-খানেক ধরে কাজ ফেলে রেখে উধাও হয়ে গেছে ঠিকাদার। বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে ওই নির্মাণাধীন ভবনের নানা ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। এতে ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।
তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-প্রকৌশলী যাকারিয়া আহমেদের সময়ে ভবনের ফাইলিং কাজ হলে ভবনের বিভিন্ন সাইটে ফাঁটল প্রত্যক্ষ হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, চার তলা ভবনের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও; রং করা, দরজা-জানালা কাজ, সেনেটারি কাজ, ইলেকট্রিক কাজ, রূপটালি কাজ, সিঁরির রেলিংয়ের কাজ সমাপ্ত না করেই উধাও ঠিকাদার।
জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চার তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এতে ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ৯ লাখ। দরপত্রে কাজটি পায় বরিশালের ‘মেসার্স এলাহি এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালের ১৬ মার্চ ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২১ সালের ১২ জুলাই কাজ শেষ করার কথা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, বেশীরভাগ কাজ শেষ হয়েছে, বাকি ২০-৩০% কাজ ফেলে রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে যায়। আসছি আসবো বলে প্রায় ১০ মাস হয়ে গেছে। শ্রেণিকক্ষ স্বল্পতা থাকায় নির্মাণাধীন ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের এসএসসি'র বিদায়ী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ পর্যাপ্ত নেই, ঠিকমত ক্লাস হচ্ছে না। নতুন ভবনের সাইটে ফাটল দেখা দিচ্ছে। আমাদের কথার কর্ণপাত করেন না কর্তৃপক্ষ। এভাবে পড়াশোনা হয় না। সমস্যা সমাধানে দ্রুত ভবনের কাজটি সম্পন্ন করার জোর দাবি তাদের।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রোকন উদ্দিন বলেন, প্রায় বছর ধরে কাজ বন্ধ। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে আসছি আসবো বলে কোনো খোঁজ নাই। বিষয়টি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা বার বার আশ্বস্ত করছেন কাজ হবে। তবে কবে হবে জানি না। অতি দ্রুত কাজটি সম্পূর্ণ করার জোর দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে ‘মেসার্স এলাহি এন্টারপ্রাইজ’ স্বত্ত্বাধীকারী জামাল উদ্দিন বলেন, আগামী সপ্তাহে কাজ ধরবো। যে যে জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে, সেগুলো ভেঙে মেরামত করে দিব।
সিলেট জেলার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজুল ইসলাম (অতিরিক্ত দায়িত্ব বালাগঞ্জ) বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন এসেছি,কাজটি আমি আসার আগে থেকেই বন্ধ ছিল।আমি কাজটি শুরু করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছি এবং দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য চিঠি প্রদানও করেছি।" ভবনের ফাটলের বলেন, "কাজটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ তাই বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচর হয় নি তবে আমি সরজমিনে সাইট পরিদর্শন করে দ্রুত এর পদক্ষেপ নিব।"
এমএসএম / এমএসএম
পিরোজপুরের কাউখালীতে টহল শেষে ফেরার পথে নৌ পুলিশের ওপর হামলা
ধামইরহাটে গৃহবধুকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার-২
বিলাইছড়িতে তীব্র পুষ্টিহীন শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছে আশিকার
কাউনিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
গোদাগাড়ীতে গোয়ালঘরে মিলল ১৪০ বস্তা সার, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
মনপুরার মেঘনায় জেলের জালে দুই কেজির ‘রাজা ইলিশ’, বিক্রি ৯ হাজার টাকায়
বাগমারায় প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
ত্রিশালে দোয়া মাহফিল
শান্তিগঞ্জে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা
তিন বন্ধুর হাত ধরে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’
মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিদায় উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
মনোহরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা