ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

শিমুলের লাল রঙে সেজেছে বারহাট্টার প্রকৃতি


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬-৩-২০২৫ দুপুর ২:৫৭

শীতের জীর্ণতাকে বিদায় দিয়ে প্রকৃতি জুড়ে বইতে শরু করেছে ফাল্গুনের হাওয়া। বছর ঘুরে ঋতু বৈচিত্রের ভিন্ন ভিন্ন রূপ পরিবর্তনের গন্ডি পেরিয়ে বারহাট্টার প্রকৃতি আবার সেজেছে নতুন রূপে। ফাগুনের আগুন মানেই শিমুল ফুল। শিমুলের ডালে ডালে লাল আগুন ছড়িয়ে প্রকৃতির বুকে যেন জানান দিচ্ছে, বসন্ত এসেছে প্রকৃতির কোলে।

সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রাম ঘুরে দেখাগেছে, বেশিরভাগ এলাকায় রাস্তার ধারে, পুকুর পাড়ে, বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ভিটায় অথবা বন জঙ্গলে বেড়ে ওঠা শিমুল গাছগুলোতে ফুল ফুটে রঙিন হয়ে আছে। ফুটন্ত লাল ফুলে প্রকৃতি যেন অনাবিল আনন্দ ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমিতে পরিণত করেছে।

বারহাট্টা সরকারি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মজিবুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, শিমুল ফুল, যার বৈজ্ঞানিক নাম (Bombax ceiba)। এটি গ্রাম বাংলাদেশের অত্যন্ত পরিচিত ফুল। বসন্তের শুরুতেই শিমুল গাছে ফুল ফোটে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ষড়ঋতুর বাংলাদেশে ঋতুর চারিত্রিক পরিবর্তন হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও প্রকৃতিতে। বসন্ত ঋতু আসার আগে শিমুল ফুল ফোঁটার পেছনেও আবহাওয়ার পরিবর্তণের প্রভাব পড়েছে। দৃষ্টিনন্দন ফুলের মধ্যে শিমুলের আবেদন প্রকৃতির সৌন্দর্যপ্রেমীদের কাছে খুবই বেশি।

তিনি আরও বলেন, দুঃখের বিষয় এখন আর তেমন বেশি পরিমাণে শিমুল গাছ চোখে পড়ে না। তাই চোখ ফেরালেই বসন্তের রূপ আর ততটা দেখা যায় না। দূষণসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে এলাকার অধিকাংশ গাছ নিজেদের টিকিয়ে ব্যর্থ হয়ে নষ্ট হয়ে গেলেও প্রতি বছর বসন্ত এলে যতটুকু সম্ভব জানান দেয় প্রকৃতি তার রূপ বৈচিত্র্য হারায়নি এখনও। কিন্তু যে ভাবে গাছ নিধন চলছে সেই সঙ্গে বায়ু দূষণ ও পরিবেশ দূষণের ফলে বৈরি আবহাওয়ার সৃষ্টি হচ্ছে এসবের কারণে আগামী দিনে বসন্তের রূপের মাধুর্য ছিটে-ফোঁটাও থাকবে কি না? তা নিয়ে সন্দিহান।

উপজেলা সদরের বারঘর গ্রামের বাসিন্দা তপন চক্রবর্তী বলেন, আগের তুলনায় এখন শিমুল গাছের সংখ্যা প্রায় দুই তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে কারণে গ্রামবাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে অতি পরিচিত শিমুলগাছ। সকালে ঘুম থেকে উঠে শিমুলের চিরচেনা রূপ আর চোখে পড়ে না। আমাদের সবার উচিত শিমুলগাছের যত্ন নিয়ে এ গাছকে বাঁচিয়ে রাখা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, বৈশ্বিক দূষণ আর জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের ফলে ধীরে ধীরে প্রতিটি ঋতুই হারাচ্ছে তার নিজস্ব বৈচিত্র্য আর সৌন্দর্য। প্রকৃতিকে তার স্বরূপ ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজন পরিবেশদূষণ রোধ ও ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপণ করা।

তিনি আরও বলেন, এখন আর শিমুল গাছ কেউ রোপণ করে না। শিমুল গাছ এমনিতেই জন্মায় তা দিনে দিনে বড় হয়ে একদিন বিশাল আকৃতি ধারণ করে। বসন্তে শিমুল গাছে রক্ত করবী লাল রঙে ফুটে উঠে দৃষ্টি কেড়ে নেয়।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?

বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা

লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র‍্যালি-মানববন্ধন

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার

ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক

কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন

ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে

গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত

‎লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী