শিমুলের লাল রঙে সেজেছে বারহাট্টার প্রকৃতি
শীতের জীর্ণতাকে বিদায় দিয়ে প্রকৃতি জুড়ে বইতে শরু করেছে ফাল্গুনের হাওয়া। বছর ঘুরে ঋতু বৈচিত্রের ভিন্ন ভিন্ন রূপ পরিবর্তনের গন্ডি পেরিয়ে বারহাট্টার প্রকৃতি আবার সেজেছে নতুন রূপে। ফাগুনের আগুন মানেই শিমুল ফুল। শিমুলের ডালে ডালে লাল আগুন ছড়িয়ে প্রকৃতির বুকে যেন জানান দিচ্ছে, বসন্ত এসেছে প্রকৃতির কোলে।
সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রাম ঘুরে দেখাগেছে, বেশিরভাগ এলাকায় রাস্তার ধারে, পুকুর পাড়ে, বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ভিটায় অথবা বন জঙ্গলে বেড়ে ওঠা শিমুল গাছগুলোতে ফুল ফুটে রঙিন হয়ে আছে। ফুটন্ত লাল ফুলে প্রকৃতি যেন অনাবিল আনন্দ ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমিতে পরিণত করেছে।
বারহাট্টা সরকারি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মজিবুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, শিমুল ফুল, যার বৈজ্ঞানিক নাম (Bombax ceiba)। এটি গ্রাম বাংলাদেশের অত্যন্ত পরিচিত ফুল। বসন্তের শুরুতেই শিমুল গাছে ফুল ফোটে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ষড়ঋতুর বাংলাদেশে ঋতুর চারিত্রিক পরিবর্তন হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও প্রকৃতিতে। বসন্ত ঋতু আসার আগে শিমুল ফুল ফোঁটার পেছনেও আবহাওয়ার পরিবর্তণের প্রভাব পড়েছে। দৃষ্টিনন্দন ফুলের মধ্যে শিমুলের আবেদন প্রকৃতির সৌন্দর্যপ্রেমীদের কাছে খুবই বেশি।
তিনি আরও বলেন, দুঃখের বিষয় এখন আর তেমন বেশি পরিমাণে শিমুল গাছ চোখে পড়ে না। তাই চোখ ফেরালেই বসন্তের রূপ আর ততটা দেখা যায় না। দূষণসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে এলাকার অধিকাংশ গাছ নিজেদের টিকিয়ে ব্যর্থ হয়ে নষ্ট হয়ে গেলেও প্রতি বছর বসন্ত এলে যতটুকু সম্ভব জানান দেয় প্রকৃতি তার রূপ বৈচিত্র্য হারায়নি এখনও। কিন্তু যে ভাবে গাছ নিধন চলছে সেই সঙ্গে বায়ু দূষণ ও পরিবেশ দূষণের ফলে বৈরি আবহাওয়ার সৃষ্টি হচ্ছে এসবের কারণে আগামী দিনে বসন্তের রূপের মাধুর্য ছিটে-ফোঁটাও থাকবে কি না? তা নিয়ে সন্দিহান।
উপজেলা সদরের বারঘর গ্রামের বাসিন্দা তপন চক্রবর্তী বলেন, আগের তুলনায় এখন শিমুল গাছের সংখ্যা প্রায় দুই তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে কারণে গ্রামবাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে অতি পরিচিত শিমুলগাছ। সকালে ঘুম থেকে উঠে শিমুলের চিরচেনা রূপ আর চোখে পড়ে না। আমাদের সবার উচিত শিমুলগাছের যত্ন নিয়ে এ গাছকে বাঁচিয়ে রাখা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, বৈশ্বিক দূষণ আর জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের ফলে ধীরে ধীরে প্রতিটি ঋতুই হারাচ্ছে তার নিজস্ব বৈচিত্র্য আর সৌন্দর্য। প্রকৃতিকে তার স্বরূপ ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজন পরিবেশদূষণ রোধ ও ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপণ করা।
তিনি আরও বলেন, এখন আর শিমুল গাছ কেউ রোপণ করে না। শিমুল গাছ এমনিতেই জন্মায় তা দিনে দিনে বড় হয়ে একদিন বিশাল আকৃতি ধারণ করে। বসন্তে শিমুল গাছে রক্ত করবী লাল রঙে ফুটে উঠে দৃষ্টি কেড়ে নেয়।
এমএসএম / এমএসএম
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন
তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ চলছে কুড়িগ্রামে- ত্রাণমন্ত্রী
শেরপুরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ময়মনসিংহে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের জাকাত প্রকল্পে সেলাই মেশিন বিতরণ
দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াইয়ে কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষের ইফতার
শ্রীপুরে আমলসার ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল বিতরণ
বরগুনায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায়, অপসারণের দাবি স্থানীয়দের
ঈদ সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সচেতনতামূলক প্রচারণা
চট্টগ্রাম বন্দরে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ
পাকশী থেকে ২ টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার
আদমদীঘিতে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার -২