কালো সোনা'য় সাফল্য দেখছেন সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম
মাঠজুড়ে থোকায় থোকায় সাদা ফুল। যেন সাদা ফুলের বিছানা। সেই ফুলে মধু নিতে ছুটছে মৌমাছিরা। পরম আদরে সেই ফুলের যত্ন নিচ্ছেন চাষিরা। কারণ দেখতে সাদা ফুল হলেও, এতে রয়েছে কালো সোনা। ফুল থেকে হয় কালো বীজ। বাজারে যার দাম অনেক। তাইতো পেঁয়াজের বীজকে বলা হয় 'কালো সোনা'।
এ চিত্র মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বিলনাথুর গ্রামে। এই গ্রামের ছেলে মোঃ রাশিদুল ইসলাম প্রথমবারের মতো পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করেছেন। বর্তমানে তার জমিতে পেঁয়াজের ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। কিছুদিন পর জমি থেকে সংগ্রহ করবেন বীজ। তাই পেঁয়াজ ফুলের জমি যত্ন নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
জানা গেছে, ভালো ফলন পেতে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এসেও উপজেলার পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকারী কৃষকেরা পেঁয়াজ ক্ষেতের বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন। বীজ উৎপাদনের জন্য কন্দ লাগানো পেঁয়াজ ক্ষেতগুলো এখন সাদা ফুলে ভরা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চাষিরা পেঁয়াজ ফুল থেকে বীজ সংগ্রহের কাজ শুরু করবেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজ বীজের ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে শ্রীপুর উপজেলায় ১৮ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ চাষ হয়েছে।
এছাড়া বীজ উৎপাদনের জন্য কিছু কৃষক কন্দ পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই জমি থেকে কন্দ পেঁয়াজ তুলছেন কৃষকেরা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চারা পেঁয়াজ তোলা শুরু হবে। বীজ উৎপাদনের জন্য লাগানো কন্দ থেকে বীজ সংগ্রহের কাজও শুরু হবে কয়েকদিন পরেই।
পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকারী কৃষক হিসেবে ইতোমধ্যে সফলতা দেখিয়েছেন উপজেলার বিলনাথুর গ্রামের তরুন কৃষক শ্রীপুর রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশিদুল ইসলাম । চলতি মৌসুমে তিনি একবিঘা জমিতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করছেন।
আলাপকালে মোঃ রাশিদুল ইসলাম জানান, জমিতে কন্দ পেঁয়াজ লাগানোর পূর্বে তিন থেকে চারবার চাষ দিয়ে মাটি প্রস্তুত করতে হয়। জমি প্রস্তুতের সময় টিএসপি ও পটাস সারসহ বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। কন্দ লাগানো,দুইটা সেচ, আগাছা পরিষ্কার, পরিচর্যা, নিয়মিত বিভিন্ন রকমের বালাইনাশক স্প্রে বাবদ এক বিঘা জমিতে সবমিলিয়ে তার প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে একবিঘায় একশ কেজি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাশিদুল ইসলাম আরও জানান, পেঁয়াজ বীজের স্বাভাবিক দাম দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা কেজি । কোনো কোনো বছর বেশি দাম পেলে অধিক লাভবান হন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকারী কৃষকেরা। কোনো কোনো বছর প্রতি কেজি পেঁয়াজ বীজের দাম পাঁচ হাজার টাকাও হয়। এ বছর তিনি এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছেন।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিসার সালমা জাহান নিপা বলেন, এ বছর উপজেলায় ১৮ হেক্টর জমিতে পিয়াজ বীজ চাষ করা হয়েছে। এবার যে বীজ উৎপাদন হবে, তা দিয়ে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য উপজেলায়ও সরবরাহ করা যাবে।’
তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের বীজ চাষে মৌমাছি নিয়ে সমস্যা হয়। বীজের পরাগায়নে সমস্যা হয়। তবে আমরা কৃষকদের হস্ত পরাগায়নের পরামর্শ দিয়েছি। এছাড়াও সাদা কাপড়ের মাধ্যমে পরাগান ঘটানোর কথা বলেছি। এতে বীজ ভালো মানের ও বেশি ফসল উৎপাদন হবে।’
এমএসএম / এমএসএম
ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক চৌগাছার জাফর ইকবাল
রৌমারীতে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
রাণীনগরে পাইকারি দোকানের টিন কেটে দেড় লাখ টাকার সিগারেট চুরি, থানায় অভিযোগ
নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যশোর থেকে গ্রেফতার
মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ: “তিন মাসে চার খুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছেনঃ হাসনাত আবদুল্লাহ
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া
শিবপুর থেকে চুরি করা শিশু ৪ হাজার টাকায় বিক্রি
মান্দায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ
পিরোজপুরে ২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধারকরে মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ
অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে একাধিক সিদ্ধান্ত