রংপুর জেলা রেজিস্ট্রারের নির্দেশে জালিয়াত চক্র আবারো তৎপর
রংপুর জেলা রেজিস্ট্রারের নির্দেশে জালিয়াত চক্র আবারো নকলনবীশগণের অবৈধ গ্রেডেশন বৈধতা প্রমাণের পায়তারার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। নকলনবীশগণদের ভয় দেখানো হচ্ছে, যদি তারা সত্য কথা বলেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রংপুর জেলার পীরগঞ্জের সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখক শামীম হোসেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টার দপ্তরে লিখিত অভিখযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, গত চার বছর আগে অবসরে গেছেন, মো. শাহজাহান, মোহাম্মদ আলী বাবলূ এবং এখনো কর্মরত মশিউরর রহমানকে নিয়ে অীফসে অবৈধ টাকা লেনদেন না করে কেরানীপাড়ার পাশে ডিসি মোড়ে টাকা ভর্তি খাম আদান প্রদান করা হচ্ছে। সম্প্রতি রংপুর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় হতে গংগাচড়া অফিসের সহকারী বদলী করা হয়েছে। কিন্তু কুচক্রি মহলের মাধ্যমে জেলা রেজিস্ট্রারকে বলে গংগাচড়া অফিসে সদর কেরানীকে বলদী করা যাবে না। প্রতিমাসে সে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলের বিভিন্ন ওয়ালটার দলিল, কমিশন অনৈতিক কাজকে গোপন রেখে মশিউর এর কাছ থেকে যে মাসোহারা দেওয়া হয় কালেকশনের টকা জেলা রেজিস্ট্রারটকে কম দেওয়া হবে। জেলা রেজিস্ট্রার তার বদলীর আদেশ না দিয়ে গংগচড়া অফিসের সহকারী পদটি শূন্য রেখে দিলরুবার কাছ থেকে ১২লাখ টাকা পুনরায় তাকে সদরে বদলী করার পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে।
তাছাড়া সম্প্রতি মশিউর ও জালিয়াত চক্রের সুবিধার্থে আর্শিক লালসায় পুনরায় অবৈধভাবে সদরের সহকারীকে পীরগঞ্জ বদলী করার পায়তারা করা হচ্ছে। যা মশিউর বিভিন্ন লোকজনের মুখে মুখে আলোচনা হচ্ছে। জেলা রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম বালামের ১০ লাখ টাকা সরকার বালাম বাঁধাইয়ের জন্য বরাদ্দ দেয় টেন্ডারের কথা বললে জেলা রেজিস্ট্রার তার কাছে বরাদ্ধকৃত টাকার অর্ধেক দাবি করে ; না পেয়ে কাজটি দেবেন না বলে জানানো হয়েছে।
আর তার মনোনীত ব্যক্তি ছাড়া কাউকে কাজ দিবেননা এতে করে জেলা রেজিস্ট্রার যে, একজন দুর্নীতিবাজ তা প্রমানিত করা হয়েছে। রংপুর অফিসের অনেক পুরাতন বালাম ছিড়া রয়েছে, যদি বালাম বাঁধাইয়ের কাজ হতো তাহলে সাধারণ লোকজন উপকৃত হতেন।
আবার জেলা রেজিস্ট্রারের কারণে সুবিধা ভোগীরা উপকৃত আর সুবিধা বঞ্চিতরা তাদের প্রাপ্য অধিকার পাইতেন। জেলা রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কয়েক দফায় বিভিন্ন লেখা হলেও তিনি অবৈধ নিয়োগ, বদলী বাণিজ্য তার মনমতো লোকজনকে নিয়ে ভাল পোষ্টিং দেওয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আর নিয়োগ পদোন্নতির ক্ষেত্রে নকলনবীশদের সার্টিফিকেট বা নিয়োগপত্র, ও বালামের কাজের মান তদন্ত করে পুনরায় নতুন গ্রেডেশন তালিকা নিয়ন্ত্রণ করে রংপুর অীফসের পদোন্নতি প্রদান করলে স্বচ্ছতার প্রকাশ পাবে। আর অবৈধ কাজগুলো বিলম্বে হবে। এই চক্রের মাধ্যমে পদোন্নতি প্রাপ্ত নাজমুল নকলনবীশ, পদোন্নতিপ্রাপ্ত মেহরার রফিক মুন্সি, আঙ্গুরা , শ্রওীকান্তদের কাছ থেকে টকা নেয়, যা মশিউর গংগাচড়া অফিসে আলোচনা করা হয়েছে।
এসব বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক রংপুর সা রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারীরা যে স্বচ্ছ পরিবেশে ন্যায় অধিকার পান। সেজন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এমএসএম / এমএসএম
পাউবো’র নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদী দখলের চাঞ্চল্যকর তথ্য
উপ-পরিচালক ডা. তউহিদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়ালে বছরে তেল বাবদ বেশি খরচ হবে ৬১০০০ কোটি টাকা
রক্তের আল্পনায় ঈদযাত্রা ২০২৬: সড়ক, রেল ও নৌপথে অব্যবস্থাপনার পৈশাচিক উৎসব
রাষ্ট্রীয় অর্থে ‘রাক্ষুসে থাবা’
বিআরটিএর ভাতিজা রফিক এর তোঘলতি বদলি বাণিজ্য
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু
‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদে যাচ্ছেন যারা
এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়
চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি
বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ