ঘুষ কেলেংকারীতে ১৫ দিন খালি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের চেয়ার
ঘুষ কেলেংকারীর অভিযোগে ১৫ দিন ধরে খালি আছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের চেয়ার ! পদায়ন হলেও চেয়ারে বসতে পারেনি চট্টগ্রামে পদায়নকৃত নওগাঁর জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল। জেলা প্রশাসক পদায়নে কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে হতবাক সাধারণ নাগরিকগন। স্থবিরতা বিরাজ করছে প্রশাসনিক কার্যক্রমে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সূত্রে জানাযায় চট্টগ্রাম সাবেক জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের বদলী আদেশ হওয়ার পর ২১:সেপ্টেম্বর ২৫ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ- সচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশ নওগাঁর জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল কে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলী করা হয়। বদলী আদেশ হওয়ার পর এই বদলী নিয়ে গন মাধ্যমে ঘুষ কেলেংকারী অভিযোগ উঠে, এবং ২২ কোটি টাকা আর্থিক লেনদেনের খবর পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে সরকারের ভিতরে বাইরে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে হয়, চট্টগ্রাম সাধারণ ছাত্র জনতা ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে পদায়নকৃত জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল কে চট্টগ্রাম বদলী বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন করে।
এই বদলী বিতর্ক জড়িয়ে সাবেক জনপ্রশাসন সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান ও নিজ পদ হারিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে স্থান পায়। অভিযোগের তীর যায় আইন উপদেষ্টা দিকেও, যদিও তিনি এর সাথে সংশিষ্টতা নেই বলে দাবী করেন।
অন্য একটি সূত্র জানায় চট্টগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম যোগদানের পরপর তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম,সরকারি সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এসব বিষয় মাথায় নিয়ে বছরের মধ্যে ২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের পদ হারিয়ে বন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব হিসেবে বদলী হয়। সেখানে যোগদান না করে তিনি করে ৫ দিনের মাথায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ৭ দিনের মাথায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের স্হান করে নেন।
এ ব্যাপার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন ব্যানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক চেয়ারটি বিভিন্ন দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও লোভনীয় চেয়ার। এ চেয়ারে বসার জন্য প্রশাসন ক্যাডারের লোকজন উপর মহলে নিয়মিত ধরনা দিতে থাকে, ও বিভিন্ন ভাবে যে যার যার মতো তদবির করে থাকে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট ফাউন্ডেশনের মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব বলেন - জেলা প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠায় আমরা উদ্বীগ্ন, জনগণের সম্পদ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং পাহারাদারের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের, এ দায়িত্বে পদায়নের জন্য যদি ঘুষ লেনদেন, তদবিরের মাধ্যমে আসতে হয় তাহলে তাঁর কাছ থেকে জনগণ কি সেবা পাবে? তিনি কি সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করবেন? তিনি গুরুত্বপূর্ণ এই পদে পদায়নের অনৈতিক তদবির কিংবা অবৈধ লেনদেন বন্ধ করার আহবান জানান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ফিট লিষ্ট তৈরি করে তার মধ্য থেকে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করার আহবান জানান। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে জনসাধারণ তাঁর কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে, সরকারি সম্পত্তিও রক্ষা হবে।
এদিকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বদলী হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে গেলেও সদ্য পদায়নকৃত জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল এখনো নঁওগা তে দায়িত্ব পালন করছেন বলে নিশ্চিত করেছে নওগাঁ জেলা প্রশাসন। যার প্রেক্ষিতে বিগত ১৫ দিন ধরে খালি পরে আছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারটি
Aminur / Aminur
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু
‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদে যাচ্ছেন যারা
এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়
চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি
বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ
অঢেল সম্পদের মালিক এনবিআর কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম
অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান
গার্ল গাইডস্রে টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে
জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন
বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!
সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!