কলোনীর গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বাসা দখলকারী ৪৪ জন বহিরাগতদের উচ্ছেদ
বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!
অবশেষে বাংলঅদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিটিটেড (বিটিসিএল) এর মগবাজার কলোনীর অবৈধভাবে দখলকৃত কোয়ার্টারগুলো জবরদখল মুক্ত করা হলেও সরকারের কয়েক কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল ও পানির বিল রাজস্বখাতে জমার কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি কর্তৃপক্ষ।
ফলে বাংলাদেশ সরকার বিটিসিল এর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীকর্তৃক সরকারি বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাট অবৈধভাবে বহিরাগতদের ভাড়া দিয়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিলের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। সরকারের এই বিশাল অংকের টাকার সম্পত্তি ভোগকারী অবৈধ দখলদারদের উচ্ছদ করা হলেও তাদের আত্মসাতকৃত অর্থ সরকারের রাজস্বখাতে জমা দেবেন কে? বিটিসিএল এর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের মুখে মুখে এখন এমনই প্রশ্ন শোনা যাচ্ছে।
সরকারী বাড়ি ও ফ্ল্যাটভাড়া ছাড়া গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারকারীদের বিটিসিএল-এর সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেক, ফজলে রব্বানী ছাড়াও কতিপয় কর্মকর্তার সহযোগিতায় অবৈধভাবে সম্পত্তি ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। এই চক্রের সদস্যরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপিসহ নেতাদের দীর্ঘ ১৫ বছর অর্থের যোগান দিয়েছেন। “দৈনিক সকালের সময়”এ পর পর কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে দখলদারদের উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নেয়। কিন্তু সেই উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৪৪ টি বাসা থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছে করা হলেও এখনো বেশ কয়েজন বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বাসা বাড়ি দখলে রেখে অবস্থান করছেন। তারা নির্ধারিত সময় নিয়ে অবস্থান করছেন। কিন্তু সরকারের এই বিশাল অংকের অর্থ বা রাজস্ব আদায়ে তেমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকালের সময়কে জানান, উল্লেখিত বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তার জানা নেই, সেজন্য বিটিসিএল এর এমডি ও জিএম, সিজিএম ( এস্টেট এ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। এরপর জিএম (এস্টেট এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) এইচ এম বদরুদ্দোজা আল এর সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়টি আমি দেখিনা। এটা অন্যএকজন দেখেন। পরে নাম জানতে চাইলে তিনি পরে ফোন দেবেন বলে তার ফোন নাইনটি কেটে দেন।
সূত্র জানায়, বিটিসিএল-এর ওয়ার্কচার্জড কর্মচারী মো. হানিফ মগবাজার বিটিসিএল কলোনিস্থ এফ-৫ নম্বর কোয়ার্টারটি জবরদখল করে বসবাস করার সময় বকেয়া বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সেবার পাওনা রয়েছে। সংরক্ষিত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় সূত্র জানায়, গত ২০০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হতে ২০২১ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত তার মোট পাওনা ছিল ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ১৭৯ টাকা। এছাড়া গ্যাস বিল ৯১ হাজার ৬৫০ টাকা, ওয়াসার বিল ১৩ হাজার ৪০ টাকা, পৌরকর ৪ হাজার ৮৯০ টাকা এবং বিদ্যুৎ বিল ৬৮ হাজার ৮২০ টাকাসহ মোট ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৯ টাকা বকেয়া রয়েছে। এই বিশাল অংকের বকেয়া টাকা কি সরকারের রাজস্বখাতে জমা হবে ? এ বিষয়ে বিটিসিএল এর ইমরারত রক্ষণাবেক্ষণ-১ এর ব্যবস্থাপক জামরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, বিটিসিএল এর কনিষ্ট সহকারী ব্যবস্থাপক কার্যালয়ের পত্র নং- ক: সহ:ব্যা: (ইমা:) আবাসন/২০২৫-২৬ স্বারকের আলোকে মগবাজার বিটিসিএল কলোনির যে সকল কোয়ার্টার সমূহ অবৈধ ভাবে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ব্যবহার কারীদের মধ্যে কলোনীর ৪৪টি ফ্ল্যাট, বাড়ি ও বাসা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু আবার অবৈধ দখলদারদের মধ্যে কাউকে কাউকে পুনরায় সময় দেওয়া হয়েছে। আর যে সব বাসা খালি করা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে, রাজধানীর মগবাজার বিটিসিএল কলোনীর ই-৪৭ নম্বর কোয়ার্টার, যা চাঁদ সুলনা, জুনিয়র ডাটা এন্ট্রি সহকারী ‘রেভিনিউ এন্ড ফাইন্যান্স) বসবাস করছেন। অথচ তার নাম মগবাজার বিটিসিএল কলোনীর ই-২/৬ নম্বর বাসাটি বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু সেই বাসা এখনো খালি হয়নি বলে সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়া, মগবাজার একই কলোনীর এফ-১/১ নম্বর বাসাটি সাদেকুর রহমান, ওয়অর্কচার্জড (সাময়িক বরখাস্ত) জিএম (মানব সম্পদক-২) বিটিসিএল প্রধান কার্যালয়, ৩৭/ই, ইস্কাটন গার্ডেন্ট। আবার এফ-১/১০ নম্বর বাসাটি মো. আনোয়ার হোসেন, বার্তাবহন, টিএসটি, গাজীপুর গত ১/১১/২৫ ইং হতে উক্ত বাসাটি অবৈধভাবে দখলে করে বসবাস করেনেছন। তিনি মগবাজার, বিটিস্টিলে কলোনীল জি-৯/৩ নম্বর বাসার বাসিন্দা বলে উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আবার এফ/৩/৩ নম্বর বাসাটি অবৈধভাবে দখলে থাকাদের উচ্ছে করে দখল মুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া এফ-৪/৪ নম্বর বাসাটি বহিরাগত কর্তৃক জবর দখল আছেন। তিনি বাসাটি ছেড়ে দিবেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। সিজিএমর (সম্পত্তি ও ইমারত) কার্যালয়ের পত্র নম্বর-১৪.৩৩ -------০০১১/২৪.১০২ স্বারকে গত ২১/১১/২৫ ইং এর মাধ্যমে আশ্রাফুল হক, কনিষ্ঠ ডাকা এন্ট্রি সহকারী (বিয়োগযোগ্য) ডিজিএম, সুইচ, মগবাজার, ঢাকার নামে উক্ত বাসাটি বরাদ্ধ দেওয়া আছে।
সূত্র জানায়, বিটিসিএল এর জিএম-সিজিএম আব্দুল মালেক ও তার সহযোগি প্রধান কার্যালয়ের আহমদ ফজলে রাব্বি সহকারী (ব্যবস্থাপক সিএম সেলর্স এন্ড মার্কেটিং) যোগসাজসে বহিরাগত সন্ত্রাসীদেরসহ অবৈধ বসবাসকারীদের কাছ থেকে বছরের পর বছর দখলে থাকার সুযোগ দিয়েছেন। আর এর বিনিময়ের প্রতিমাসে সরকারি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিলসহ মোটা অংকের টাকা আয় করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এসব ব্যক্তিরে মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসীদের নিয়ে নানা রকম নাশকতা মূলক কর্মকান্ড পরিচালনারও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, মগবাজার বিটিসিএল কলোনীর এিফ-৪/৫ নম্বর বাসাটি বহিরাগত কর্তৃক জবর দখল রয়েছে। ওই বাসার দখলদার বাসাটি ছেড়ে দেবেন বলে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১০ দিনের সময় নিয়েছেন। এছাড়া, কলোনীর এফ-৪/৯ ও এফ-৪/১০ নম্বর বাসাটি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। আবার এফ-৪/১১ নম্বর বাসাটি বহিরাগত কর্তৃক এখন জবর দখল রয়েছে। দখলদার বাসাটি ছেড়ে দেবেন বলে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১০ দিনের সময় নিয়েছেন। তাছাড়া মগবাজার বিটিসিএল কলোনীর, জি-৭/১, ৭/২,৭/৩, ৭/৪, ৭/৫, ৭/৬, ৭/৮,৭/৯,৭/১১ নম্বর বাসাগুলো অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তাছাড়া, জি-৮/১ নম্বর বাসাটি বহিরাগত কর্তৃক এখনো দখলে রয়েছে। উক্ত বাসার দখলবাজ কর্তৃপক্ষের কাছে ছেড়ে দিবেন বলে ওয়াদা করে ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। আর জি-৮/১৬ নম্বর বাসাটি বহিরাগত অবস্থান করছেন। তিনি বাসাটি ছেড়ে দিতে ৭ দিনের সময় চেয়েছেন। আর জি-১০/৫ নম্বর বাসাটি দখল মুক্ত করে সেখানে বিটিসিএল এর কর্তপক্ষ দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন। তাছাড়া, এইচ-১/১৩-১৪ নম্বর বাসাটি বাসাটির অবৈধ দখলদার ৭ দিনের সময়ে নিয়ে বাসাটি খালি করে দেবেন বলে কর্তৃপক্ষ এর কাছ থেকে সময় নিয়েছেন। বিটিসিএল এর ইমারত রক্ষনাবেক্ষণ-১ এর ব্যবস্থাপক জামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড-এর (বিটিসিএল) এর প্রধান কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বিটিসিএল এর মুখ্য মহাব্যবস্থাপক, সম্পত্তি ও ইমারত অঞ্চল কার্যালয়ের ডিজিএম ও সিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবদুল মালেক এককভাগে আধিপত্য বিস্তার করে কলোনী এলাকায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ছাড়াও সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রস্থল বানিয়ে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিটিসিএল কলোনির দখলকৃত জমি, স্থাপনা ও কোয়ার্টারসমূহ দখলদারদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দৈনিক সকালের সময়-এ একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর বিটিসিএল-এর সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারী এই কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণ গায়েব করতে বিটিসিএল কোয়ার্টার দখলকৃত কোয়ার্টার ও সম্পত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিটিসিএল-এর ট্রেনিং সেন্টারে একটি বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ওই ট্রেনিং সেন্টারের চারপাশে ঘর তুলে তাতে অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ট্রেনিং সেন্টারটি জিএম মো. মালেকের ড্রাইভার ২০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছেন। আর যিনি ভাড়া নিয়েছেন, তিনি আবার ছোট ছোট রুম বানিয়ে ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করছেন। ড্রাইভার ফারুক ও মালি তৌহিদ প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করে মো. মালেককে ভাগ পৌঁছিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আবার খালি জায়গায় রিকশার গ্যারেজ বানিয়েও ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করা হয়েছে।
সূত্রটি আরো জানায়, বিটিসিএল-এর ওয়ার্কচার্জড কর্মচারী মো. হানিফ মগবাজার বিটিসিএল কলোনিস্থ এফ-৫ নম্বর কোয়ার্টারটি জবরদখল করে বসবাস করার সময় বকেয়া বাড়িভাড়া ও অন্যান্য সেবার পাওনা আদায়ের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছিল। সংরক্ষিত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হতে ২০২১ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত তার মোট পাওনা ছিল ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ১৭৯ টাকা। তার গ্যাস বিল ৯১ হাজার ৬৫০ টাকা, ওয়াসার বিল ১৩ হাজার ৪০ টাকা, পৌরকর ৪ হাজার ৮৯০ টাকা এবং বিদ্যুৎ বিল ৬৮ হাজার ৮২০ টাকাসহ মোট ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৯ টাকা বকেয়া রয়েছে। উক্ত বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য সোনালী ব্যাংক মগবাজার শাখার চলতি হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি এবং বর্তমানেও তিনি দখলে আছেন। অথচ সরকারের ১৮ লাখ ৪১ হাজার টাকার অধিক পাওনা পরিশোধ না করার পরও তার নামে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক রাজধানীর গুলশানস্থ কড়াইলের বিটিসিএল কলোনির ডি-৩/সি নম্বর বাসাটি খালি হওয়া সাপেক্ষে বরাদ্দ প্রদান করেছেন। এসব অর্থ আদায়ের কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এ সব বিষয়ে বিটিসিএল এর টেলিযোগাযোগ ভবনের জিএম (জনসংযোগ ও প্রকাশনা ) রওনক তাহমিনার এর সেল ফোনে যোগাযোগ করা তিনি সকালের সময়কে জানান, উক্ত বিষয়গুলো তথ্য আমার জানা নেই। তাই বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ জেনে প্রতিবেদককে জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
এমএসএম / এমএসএম
জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন
বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!
সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের চাঞ্চল্যকর নিয়োগ জালিয়াতি
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন
বেশি দামের গাছ কম দামে বিক্রি করায় তার নেশা
মামলা ও বিতর্কের মধ্যেই পদোন্নতি পেতে দৌড়ঝাপ, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বঞ্চিতরা
বিটিসিএল’র ডিজিএম মালেক ও ম্যানেজার রাব্বির দুর্নীতি চরমে
গণপূর্তের পিপিআর আইন সংশোধনের পরও এটিএম-এলটিএম টেন্ডারে দুর্নীতি
বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
ডিবি’র হারুনকে দিয়ে ২ নারী ব্যবসায়ীদের প্রতারণার জালে ফেলতো