ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু


মনিরুজ্জামান মনি photo মনিরুজ্জামান মনি
প্রকাশিত: ২৬-২-২০২৬ দুপুর ১১:২৬

সড়ক ও জনপথের নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ পূর্বাঞ্চল ডিভিশন বিপ্লব কুন্ডুর(পরিচিতি নম্বর-৬০২৩২৯) বিরুদ্ধে, অনিয়ম ও দুর্নীতি ঘুষ-বানিজ্য একাধিক গাছ চোর চক্রের নিয়ন্ত্রণ, স্পট টেন্ডারের নামে, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি সহ ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে বিভিন্ন জেলায় গাছ কর্তন করে বিক্রি ও লুটপাটের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ ও রাজশাহীতে দুদকের মামলা চলমান থাকলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় আজও পর্যন্ত অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে আছে ।
নিজেকে বাঁচাতে ও সত্যকে আড়াল করতে বিপ্লব কুন্ডু ও তার সিন্ডিকেট  একের পর পর এক প্রতারণার আশ্রয় নিয়েই যাচ্ছেন । 
প্রাপ্ত তথ্য ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লা, ঠিকানাঃ দ্য এক্সাম্পল, ২৭৯, মাজার রোড, হাদী প্লাজা, নীচতলা, দারুস সালাম, মিরপুর ঢাকা গত ১২/০১/২৬ ইং তারিখে  তথ্য প্রাপ্তির জন্য, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কে এম নুর-ই-আলম পরিচিতি নং -০০৬০০৪ বরাবর লিখিত আবেদন করেন।
লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে গত ০১/০২/২০২৬ ইং তারিখে স্মারক নম্বর-৬৬/১(৩)নি,বৃ(ঢাকা) পূর্বাঞ্চলীয়  বৃক্ষ পালনবিদ বিপ্লব কুন্ডু ডাক যোগে তথ্য প্রদান করেন । এবং একই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯/০২/২০২৬ ইং তারিখে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কে এম নুর-ই-আলম এর মাধ্যমে আরেকটি লিখিত জবাব দেন । যার একটির সাথে আরেকটির মিল নাই ।
দুইটি কি লিখিত জবাব পর্যালোচনা  করে  বোঝা যায় কোটি টাকার সরকারি গাছ ভাগ বাটোয়ারা করে খাওয়ার জন্য, প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেট খুবই বেপরোয়া । অফিসের দায়িত্বরত সবাই মিলেমিশে ভাগ করে খাচ্ছেন ।
বিপ্লব কুন্ডু ০১/০২/২০২৬ ইং তারিখে, ডাক যোগে প্রেরিত লিখিত বক্তব্যে বলেন, ফেনী-ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কে জরুরী ভিত্তিতে সড়ক সম্প্রসারণ ও কাজের প্রয়োজনে বিধিমোতাবেক সহকারী বৃক্ষপালনবিদের কার্যালয়, সওজ, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম হতে কোটেশন প্রক্রিয়ায় চল্লিশ গ্রুপ গাছ অপসারণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যেহেতু নিলাম কাজটি অতীব জরুরী বিধায় কোটেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। কোটেশন এর মাধ্যমে সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিটি তার নিজ দপ্তর সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানে প্রচার সহ মাইকিং এর মাধ্যমেও প্রচার করা হয়েছে, বলে সহকারী বৃক্ষপালনবিদ, সওজ, চট্টগ্রাম মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। জরুরী ভিত্তিতে কোটেশনের মাধ্যমে নিলাম সম্পন্ন করায় তা পত্রিকায় প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে সহকারী বৃক্ষপালনবিদ, সওজ, চট্টগ্রাম মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। 
বিপ্লব কুন্ডু গত ১৯/০২/২০২৬ ইং তারিখে স্মারক ১০১/১(২) নি,বৃ (ঢাকা)
তিনি উল্লেখ করেন, ফেনী-ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কে জরুরী ভিত্তিতে সড়ক সম্প্রসারণ কাজের প্রয়োজনে বিধিমোতাবেক সহকারী বৃক্ষপালনবিদের কার্যালয়, সওজ, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম হতে কোটেশন প্রক্রিয়ায় চল্লিশ গ্রুপ গাছ অপসারণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২০ গ্রুপ কাজের সি.এস গত ১১/০৯/২০২৫ইং তারিখে এবং পরবর্তী ২০ গ্রুপ কাজের সি.এস ০৫/১০/২০২৫ইং তারিখে অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে ৩৯ টি গ্রুপের কার্যাদেশ সহকারী বৃক্ষপালনবিদ এর কার্যালয় থেকে প্রদান সাপেক্ষে গাছ অপসারণ পূর্বেই সম্পন্ন হয়েছে। রাস্তার সংস্কার কাজ চলমান থাকায় ১টি গ্রুপের গাছ উপড়ে পড়ায় তা সংরক্ষণ করা সম্ভবপর না হওয়ায় ০১টি গ্রুপের কার্যাদেশ প্রদান স্থগিত রাখা হয়। প্রতিটি কার্যাদেশ এ অনুমোদিত সর্বোচ্চ দর সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের মানি রশিদ/চালান নম্বর এবং সি.এস অনুমোদনের তারিখ উল্লেখ রয়েছে।
বিপ্লব কুণ্ড দুইটা চিঠিতে দুই রকম উল্লেখ করেছেন, প্রথম চিঠিটি ছিল সম্পূর্ণ দায়সারা, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, নির্বাহী বৃক্ষ পালনবিদ তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন ? যেখানে অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডু নিজেই । সেখানে তিনি অদৃশ্য কার উপর দায় চাপিয়ে গেলেন ?
সেখানে মাইকিং এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে ? মাইকিং করা হয়েছে ফেনীতে, আর সেই মাইকিং  শুনে টাঙ্গাইল থেকে এসে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মির্জা ফয়সাল ও মোঃ শামীম আল মামুন । বিষয়টি হাস্যকর নয় কি ?
প্রথম চিঠিতে ৪০ টি গ্রুপের কথা লেখা থাকলেও দ্বিতীয় চিঠিতে ৩৯ গ্রুপের কথা উল্লেখ করেছেন ।সবকিছুই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার নামান্তর নয়তো ?
এর আগে একাধিক নিউজে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ফোনে বারবার ফোন দিলেও কখনো তাকে পাওয়া যায়নি । দায়সারা চিঠি সম্পর্কে জানতে বিপ্লব কুণ্ডুর ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি । 
বিষয়ে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও তথ্যবধায়ক  প্রকৌশলী কে এম নুর-ই-আলম নিকট দুইটা চিঠির ভাষা দুই রকম কেন ? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনার যদি আরো তথ্য লাগে বলেন আমি সেটা সংশোধন করে তার কাছ থেকে নিয়ে দেব ।
তার কাছে প্রশ্ন করা হয়, দুইটা চিঠিতে দুই রকম উত্তর,এটা প্রতারণার শামিল কিনা ? উদ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন কিনা ?
উত্তরে তিনি বলেন, বলেন অবশ্যই প্রতারণার শামিল ।  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান নাই কিন্তু জানাবেন । এক প্রশ্নের জবাবে বলেন আমার স্বাক্ষরে তো তার চাকরি হয় নাই যে আমি কোন ব্যবস্থা নিব । কে এম নুর-ই-আলম এর সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলে বুঝা যায়, সবাই মিলে কিছু লুকাতে চাচ্ছেন তারা, হয়তো বিপ্লব কুন্ডুকে বাঁচাতে চাচ্ছেন ।

এমএসএম / এমএসএম

তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু

‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদে যাচ্ছেন যারা

এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়

চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি

বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ

অঢেল সম্পদের মালিক এনবিআর কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম

অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান

গার্ল গাইডস্রে টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে

জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন

বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!

সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!

নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের চাঞ্চল্যকর নিয়োগ জালিয়াতি