ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ব্লাডব্যাংকের নামে মরন ফাঁদ, মিছে বাঁচার আশা


জাহাঙ্গীর আলম শাহীন photo জাহাঙ্গীর আলম শাহীন
প্রকাশিত: ১৪-৫-২০২৬ দুপুর ২:৩০

রাজধানীর মগবাজারে লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংক এর অন্তরালে রক্তে স্যালাইন মেশানো,হাত দিয়ে রক্ত প্রস্তত করা ও প্লাজমাতে রঙ মেশানোসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। 

 রাজধানীর মগবাজার এলাকায় ইনসাফ বারাকা হাসপাতালের পাশেই গড়ে উঠেছে মরণফাঁদ—‘লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংক’। সেবার নামে এখানে চলছে রক্তের এক বীভৎস ব্যবসা। রক্তে স্যালাইন মেশানো থেকে শুরু করে প্লাজমাতে রঙ মিশিয়ে বিক্রির মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। ল্যাবরেটরিতে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা টেকনিশিয়ান ছাড়াই হাতুড়ে পদ্ধতিতে চলছে রক্ত পরীক্ষা,দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের রিপোর্ট। যে কারনে খবরের পাতা উল্টালেই প্রতিদিন চোখের সামনে ভেসে ওঠে দেশের কোন না কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু। বলির পাঠা হতে হয় যেকোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকের পরিচালক ও ডাক্তারদের। কারন রক্তের রঙে রঙিন ভুয়া রক্ত রোগীর শরীরে উপকারের পরিবর্তে জীবন নাসে বেশি কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংকে এক ব্যাগ রক্তকে দুই ব্যাগ বানাতে মেশানো হয় স্যালাইন। এমনকি প্লাজমার ঘনত্ব বা রঙ ঠিক দেখাতে ক্ষতিকর রঙ মেশানোর অভিযোগও রয়েছে। ল্যাবের ভেতরে আধুনিক কোনো যন্ত্র নেই এমনকি আদিম পদ্ধতিতে হাতেই চলছে স্পর্শকাতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীদের কাছে ‘লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংক’ এর ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন হয়তো এই প্রতিষ্ঠানের বৈধ কোনো কাগজপত্রও নেই এমনকি অল্প বয়স্ক ৫/৬ জন লোক প্রতিদিন এখানে কাজ করেন।  একাধিক ভুক্ত ভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্লাড ব্যাংকের ভেতরে নোংরা পরিবেশ। যেখানে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ থাকার কথা, সেখানে ল্যাবের ভেতরেই রান্না করে খাওয়া হয়। দক্ষ কোনো লোকবল ছাড়াই চলছে ল্যাবের কার্যক্রম। মূলত বেশি মুনাফার আশায় মাদকাসক্ত বা অপেশাদার দাতাদের কাছ থেকে সস্তায় রক্ত সংগ্রহ করে তার সাথেসালাইনের পানি মিশিয়ে চড়া দামে সাধারণ মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয়।
তারা আরো জানায়, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ‘ম্যানেজ’ করে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । অনুসন্ধানে আরও জানা যায় , সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করা ব্লাড ব্যাংকের মালিক আল আমিন গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড় গ্রামের বাড়িতে তৈরি করেছেন দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়ি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন বলেও সেখানকার লোকজন জানান।

বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম, দুইটা ফ্রিজ ব্যবহার, ব্লাড ব্যাংকের ভিতরেই রান্না করে খাওয়া, সংকীর্ণ লোকবল, রক্ত পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি,  হাসপাতাল পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজ ও নিয়মিত ডাক্তার থাকে কি-না? সে বিষয়ে জানতে তার অফিসে গেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজনের অজুহাতে কোন কিছুই দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। উক্ত ব্লাড ব্যাংকে ডাক্তারদের উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেলের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: সুস্মিতা রায় প্রতিদিন একবেলা এবং সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রফেসর ডা: ইমানুর রহমান সপ্তাহে ৬ দিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তার লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংকে ডিউটি করেন। এখন সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন একজন সরকারি ডাক্তার কিভাবে সপ্তাহে ৬ দিন ১২ ঘন্টা করে ডিউটি করেন। 

এমনকি ব্লাড ব্যাংকের অনিমের তথ্যের সত্যতা তার অফিসে উপস্থিত থাকাবস্থায় লাইফ কেয়ার ব্র্যাক ব্যাংকের মালিক আল - আমিন হিউম্যানরিসার্স ও সাংবাদিক মাহবুব আলম নামে তার ব্লাড ব্যাংকের কথিত চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম কে মুঠোফোনে জানিয়ে দেন দৈনিক সকালের সময় থেকে জাহাঙ্গীর আলম শাহীন নামে একজন সাংবাদিক এসেছেন আপনার নাম্বার তাদেরকে দিয়ে দিব কি-না?

এমএসএম / এমএসএম

বন কেটে বাউন্ডারি শহীদের সাম্রাজ্য

GAP-এর মাধ্যমে নিরাপদ কৃষি ও রপ্তানির নতুন দিগন্ত: বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি

৩৩.৩৫ কোটিতে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কন্ট্রোলার

মন্ত্রীর সঙ্গে দখলের তালিকায় দেশের শীর্ষ শিল্পগ্রুপ

বনবিভাগের মালি থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বাউন্ডারি শহিদ

বন রক্ষকই যখন দখলের গডফাদার

বাস কোম্পানির চাঁদায় চলে এসপি অফিসের চা খরচ

ডিপফেক ও এআই প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জে এমএস-১৩ গ্যাং এর আদলে অপরাধীরা সক্রিয়

বিসিকের অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম!

কুরিয়ারে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে জাল টাকা

শুল্কফাঁকি দিয়ে অ’বৈধ বাজাজ সিএনজি আমদানির নামে শত কোটি টাকার মালিক এখন হাজী আব্দুর রশিদ বুলু

যৌন সহিংসতা - সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার তীব্র সংকটে বাংলাদেশ

প্রাণীসম্পদ খাতকে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপ দিতে কাজ করছে সরকার : শাহজামান খান