ঢাকা সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বদলির ফাঁদে পার্বত্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা


শাহেদ ফেরদৌস হিরু photo শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: ৫-৭-২০২৬ রাত ১১:৫৬

দেশের ৬১ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বদলি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির শিক্ষকরা প্রায় পাঁচ বছর ধরে কার্যত সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। প্রশাসনের এক দপ্তর অন্য দপ্তরের দিকে দায় ঠেলে দেওয়ায় তিন পার্বত্য জেলার হাজারো শিক্ষক আজ এক ধরনের প্রশাসনিক অচলাবস্থার মধ্যে আটকে আছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে বিষয়টি তাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। আবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, এটি বিশেষ আইনের বিষয়। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ও স্বীকার করছে সমস্যাটি রয়েছে, তবে সমাধানের দায়িত্ব আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ের। ফলে বছরের পর বছর কেটে গেলেও বাস্তবে কোনো সমাধান হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলিতে অনলাইন পদ্ধতি চালুর আগে তিন পার্বত্য জেলা থেকে দেশের অন্যান্য জেলায় আন্তঃজেলা বদলি স্বাভাবিক নিয়মেই হতো। তবে অনলাইন বদলি ব্যবস্থা চালুর সময় দেশের ৬১ জেলাকে ওই ব্যবস্থার আওতায় আনা হলেও বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িকে এর বাইরে রাখা হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তখন থেকেই কার্যত বন্ধ হয়ে যায় তিন পার্বত্য জেলা থেকে সমতল জেলায় আন্তঃজেলা শিক্ষক বদলি। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এ জটিলতা নিরসনে কোনো কার্যকর নীতিমালা বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো শিক্ষক।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, ২০২৫ সালের জুন-জুলাই মাসে দেশের ৬১ জেলার প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষক অফলাইন বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বদলির সুযোগ পেলেও একই সময়ে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষকরা সেই সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন।

তবে সাম্প্রতিক এক প্রজ্ঞাপন নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের মধ্যে। গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা ৩৮.০০.০০০০.০০০.০০৮.০৪.০০০১.১৭-৩৫০ নম্বর প্রজ্ঞাপনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রমে অফলাইন বা ম্যানুয়াল পদ্ধতি অনুসরণের ইঙ্গিত মিলেছে। 

প্রশ্ন উঠেছে, দেশের ৬১ জেলার মতো যদি এখন অফলাইন পদ্ধতিতে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাহলে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষকরা কেন সেই সুযোগ পাবেন না? ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, পৃথক অনলাইন নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত অন্তত পূর্বের মতো পার্বত্য জেলা থেকে সমতল জেলায় অফলাইন আন্তঃজেলা বদলি পুনরায় চালু করা হোক।

এদিকে দীর্ঘদিন বদলি না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নারী শিক্ষক, স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন জেলায় কর্মরত শিক্ষক এবং অসুস্থ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তানরা এমনটায় অভিযোগ শিক্ষকদের।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার রাইতুমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিয়াজুল জান্নাত বলেন, আমরা রাষ্ট্রের একই নিয়োগ বিধিমালার আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক। একই কারিকুলামে পাঠদান করছি, একই বেতন-ভাতা পাচ্ছি। কিন্তু বদলির ক্ষেত্রে শুধু পার্বত্য জেলার শিক্ষক হওয়ার কারণে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। পাঁচ বছর ধরে একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অভাবে হাজারো শিক্ষক মানবিক সংকটে আছেন। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, শুধু দেশের অন্য শিক্ষকদের মতো সমান সুযোগ চাই।

রাঙ্গামাটির কেরেটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাবলা ছিদ্দিকা বলেন, বদলির আশায় কয়েক বছর ধরে রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ঘুরছি। প্রতিবারই একই উত্তর পাই তিন পার্বত্য জেলার অনলাইন বদলি কার্যক্রম বন্ধ, তাই আন্তঃজেলা বদলি সম্ভব নয়। কিন্তু এই জটিলতার সমাধান কী, কবে হবে বা কার কাছে যেতে হবে সেই প্রশ্নের কোনো জবাব আজও মেলেনি।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার করলিয়ামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লতিফা সুলতানা বলেন, একজন নারী শিক্ষক হিসেবে পরিবার থেকে দূরে চাকরি করা কতটা কঠিন, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। স্বামীর কর্মস্থলে বদলির সুযোগ না থাকায় সংসার ও চাকরি দুটোর মধ্যে প্রতিনিয়ত ভারসাম্য রাখতে হচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, অন্তত মানবিক বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে পার্বত্য জেলার শিক্ষকদের জন্য আগের মতো অফলাইন আন্তঃজেলা বদলি চালু করা হোক।

লামা উপজেলার হাছনানভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নিসা রুজি বলেন, প্রতিবারই শুনি নতুন নীতিমালা হবে, সমাধান হবে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয় না। এক দপ্তর আরেক দপ্তরের দিকে দায় ঠেলে দেয়। এই অনিশ্চয়তার শেষ কোথায়, সেটিই আমরা জানতে চাই। আমাদের চাকরিজীবন যেন একটি অদৃশ্য প্রশাসনিক দেয়ালের মধ্যে আটকে গেছে।

বান্দরবান জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অশোক তরু দাশ বলেন, তিন পার্বত্য জেলার অসংখ্য শিক্ষক-শিক্ষিকার বিয়ে দেশের বিভিন্ন সমতল জেলার বাসিন্দাদের সঙ্গে হয়েছে। অনেক নারী শিক্ষকের স্বামী কর্মসূত্রে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত। আবার অনেক পুরুষ শিক্ষকের পরিবারও সমতল জেলায় বসবাস করছে। দীর্ঘদিন আন্তঃজেলা বদলি বন্ধ থাকায় তারা বছরের পর বছর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারের উচিত মানবিক দিকটি বিবেচনায় নিয়ে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করা। একই রাষ্ট্রের, একই নিয়োগ বিধিমালার আওতায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বদলি ব্যবস্থা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

এ বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২৯ অনুচ্ছেদে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগের কথা বলা হয়েছে। একই নিয়োগ বিধিমালা, একই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও একই বেতন কাঠামোর আওতায় কর্মরত হওয়া সত্ত্বেও শুধু কর্মস্থলের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষকরা যদি বছরের পর বছর আন্তঃজেলা বদলির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন, তবে তা সংবিধানে ঘোষিত সমতা ও সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগের নীতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকটের সমাধান কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে একসঙ্গে বসে দ্রুত একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি পৃথক অনলাইন বদলি ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত মানবিক বিবেচনায় বিশেষ করে নারী শিক্ষক ও স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন জেলায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য অফলাইন আন্তঃজেলা বদলি চালুরও সুপারিশ করছেন তারা।

দেশের অন্য ৬১ জেলার শিক্ষকরা যখন বদলির সুযোগ পাচ্ছেন, তখন একই জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হয়েও তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষকরা আর কতদিন প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার বলি হয়ে থাকবেন এমনটাই প্রশ্ন শিক্ষকদের।

তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষক বদলির বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অবস্থান জানতে মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তার ভাষ্য, মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মিডিয়াতে বক্তব্য না দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তাই আমি কোনো বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারব না। প্রয়োজন হলে সচিব বা মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফলে বদলি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিয়ে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নিজেদের দায়িত্ব সীমিত বলে দাবি করেছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, তিন পার্বত্য জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির বিষয়গুলো সম্পূর্ণ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীন। এ বিষয়ে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই। তারাই এসব বিষয় দেখেন। সচিবের এই বক্তব্যের ফলে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষক বদলির দায়িত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাইয়ের বক্তব্যেও দায়-দায়িত্বের ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। তিনি বলেন, বদলির জন্য কোনো শিক্ষক আমাদের কাছে আবেদন করলে আমরা সেটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিই। এরপর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করি।" চেয়ারম্যানের এ বক্তব্যে শিক্ষক বদলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব জেলা পরিষদের নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের ওপরই বর্তায় বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

একইভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যখন বদলির দায়িত্ব জেলা পরিষদের ওপর দিচ্ছে, তখন জেলা পরিষদও বলছে, আন্তঃজেলা বদলির সিদ্ধান্ত তাদের একক এখতিয়ারে নয়। রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেন, জেলার ভেতরে শিক্ষক বদলি জেলা পরিষদ করতে পারে। কিন্তু অন্য জেলায় বদলির বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।"

অন্যদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর যেখানে তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষক বদলির বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা পরিষদের ভূমিকার কথা বলছে, সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও দায় এড়িয়ে জেলা পরিষদের দিকেই ইঙ্গিত করেছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, তিন পার্বত্য জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলির বিষয়টি সম্পূর্ণ সংশ্লিষ্ট তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের হাতে। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কোনো ভূমিকা নেই।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি। পরে তাদের জনসংযোগ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রশ্নগুলো হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। সে অনুযায়ী প্রশ্ন পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনসংযোগ কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন সরকারি ব্যস্ততার কারণে তারা এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেননি।

এমএসএম / এমএসএম

ত্রাণের টিন সরবরাহে অনিয়ম!

বদলির ফাঁদে পার্বত্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা

নতুন সম্ভাবনার নাম মাশরুম

বন কেটে বাউন্ডারি শহীদের সাম্রাজ্য

GAP-এর মাধ্যমে নিরাপদ কৃষি ও রপ্তানির নতুন দিগন্ত: বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি

৩৩.৩৫ কোটিতে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কন্ট্রোলার

মন্ত্রীর সঙ্গে দখলের তালিকায় দেশের শীর্ষ শিল্পগ্রুপ

বনবিভাগের মালি থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বাউন্ডারি শহিদ

বন রক্ষকই যখন দখলের গডফাদার

বাস কোম্পানির চাঁদায় চলে এসপি অফিসের চা খরচ

ডিপফেক ও এআই প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জে এমএস-১৩ গ্যাং এর আদলে অপরাধীরা সক্রিয়

বিসিকের অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম!

কুরিয়ারে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে জাল টাকা