বনমন্ত্রীর দখলে ১৩১ একর বনভূমি
বন রক্ষকই যখন দখলের গডফাদার
ময়মনসিংহের ভালুকা রেঞ্জের সংরক্ষিত বনভূমিতে ঢুকলেই চোখ কপালে উঠার মত এক চরম বাস্তবতা চোখে পড়ে। যেখানে একসময় ছিল ঘন সবুজ বন, বন্যপ্রাণীর বিচরণ আর জীববৈচিত্র্যের স্বাভাবিক পরিবেশ, সেখানে এখন একের পর এক শিল্পকারখানা, বিশাল বাউন্ডারি ওয়াল এবং কংক্রিটের বিশাল বিশাল স্থাপনা। বনভূমির প্রাকৃতিক চরিত্র অনেক জায়গায় বদলে গিয়ে তৈরি হয়েছে এক ধরনের শিল্পাঞ্চল।
এর নেপথ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বর্তমান সরকারে খোদ প্রভাবশালী বনমন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টুর নাম। বন অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ভালুকার হবিরবাড়ী মৌজায় সংরক্ষিত বনভূমির প্রায় ১৩১ একর জায়গা লাল তীর কোম্পানি লিমিটেডের গবেষণা কেন্দ্রের নামে ব্যবহার করে দখলে করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বন বিভাগের একাধিক বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি কাগজে থাকা হিসাবের চেয়েও অনেক বিস্তৃত। তাদের তথ্যমতে,বর্তমানে বনমন্ত্রীর একক দখলে রয়েছে একশো একরের বেশি বনভূমি। এসব বিস্তীর্ণ বনভূমির চারপাশে বাউন্ডারি দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে, যার ভেতরে গড়ে উঠেছে কলা বাগানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দখলকৃত এই বনভূমির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক নীরবতা এবং বন বিভাগের ভেতরের একটি প্রভাবশালী ও দুর্নীতিগ্রস্ত চক্রের সহযোগিতায় ধাপে ধাপে এই বনভূমি দখল করে নেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মন্ত্রীর বনভূমি দখলের পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিল একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দখলচক্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই মুখ ছিলেন বাউন্ডারি শহীদ নামে পরিচিত শহীদুল ইসলাম এবং যুবলীগের সাবেক নেতা মনিরুজ্জামান, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘জঙ্গল মনির’ নামে পরিচিত।
বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে থাকা জরিপভিত্তিক তালিকায় দেখা যায়, ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ী মৌজার ৬৫৫, ৬৫২ ও ৬২০ নম্বর সিএস দাগে ১৩১ দশমিক ৯৫ একর বনভূমি লাল তীর কোম্পানির দখলে রয়েছে। অর্থাৎ সরকারি হিসাবেই প্রায় ১৩১ একর সংরক্ষিত বনভূমি ব্যবহারের তথ্য রয়েছে। এবং ময়মনসিংহ দেওয়ানী আদালত ও সুপ্রীম কোর্টে দুইটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তবে বন বিভাগের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, এই তালিকা বাস্তবতার তুলনায় অনেক পুরোনো এবং অসম্পূর্ণ। তাদের দাবি, তালিকা তৈরি হওয়ার পরও আরও বিস্তীর্ণ এলাকা দখল হয়েছে, যা বর্তমান নথিতে পুরোপুরি উঠে আসেনি।
একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন, যা দেখানো হয়, বাস্তবতা তার চেয়ে অনেক বড়। অনেক জায়গা নথিভুক্তই হয়নি বা ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করা হয়েছে।
আরেকজন সাবেক কর্মকর্তা আরও কঠোর ভাষায় জানান, ভালুকা রেঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব, শিল্পপতি মহল এবং বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করেছে। তাদের কারণেই সংরক্ষিত বনভূমি একের পর এক বেহাত হয়েছে।
বনভূমি জবরদখলমুক্ত করার জন্য বিদ্যমান আইনে সুস্পষ্ট বিধান থাকলেও বাস্তবে তার কার্যকর প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জবরদখলকৃত বনভূমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসকের কাছে উচ্ছেদ প্রস্তাব পাঠানো এবং পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদ মোকদ্দমা দায়েরের সুযোগ থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে অনুসরণ করা হয় না।
বন আইনের ২৬ ও ৬৩ ধারায় সংরক্ষিত বনভূমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বনভূমি দখলের ঘটনায় এসব আইনি ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পরিবেশবিদরা।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় তিন দশক ধরে চলমান বনভূমি দখলের পেছনে শুধু প্রভাবশালী দখলদারদের ভূমিকা নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দুর্বল তদারকি এবং ধারাবাহিক আইনগত পদক্ষেপের অভাবও দায়ী। তাদের দাবি, বন বিভাগ নিয়মিত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সংরক্ষিত বনভূমির বড় অংশ দখলের শিকার হতো না।
তারা আরও বলেন, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অনেক বন কর্মকর্তা-কর্মচারীও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা, চাপ ও অনিশ্চয়তার কারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছেন না। ফলে দখলদারদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না থাকায় বনভূমি বেদখলের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ী বিটের আওতাধীন ৯টি মৌজায় মোট বনভূমির পরিমাণ ৭ হাজার ১৭ একর। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৪৪ জন ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪ হাজার ৭৯৮ একর বনভূমি জবরদখল করে রেখেছেন বলে বন বিভাগের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, বন বিভাগের নথিতে যদি বর্তমান বনমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের নামে সংরক্ষিত বনভূমি দখলের তথ্য থেকে থাকে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং জনমনে আস্থাহীনতা সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়; এটি জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও স্থানীয় জনগণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ।
তিনি অভিযোগ করেন, এ ধরনের ঘটনা প্রশাসনিক ব্যর্থতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইন প্রয়োগে বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়। বনভূমি দখলে জড়িত ব্যক্তি, শিল্পগোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। আলমগীর কবির এ ঘটনাকে পরিবেশগত অপরাধ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট এবং পরিকল্পিত পরিবেশ ধ্বংসযজ্ঞ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন দখলে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। তারাই অনেক ক্ষেত্রে বন দখলের সুযোগ তৈরি করে দেন। ফলে দখলদাররা আইনের আওতার বাইরে থেকে যায়। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। ব্যক্তি পরিচয় বা প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে যদি সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায়, তাহলে বন রক্ষা করা অনেক সহজ হবে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচিতে বন সংরক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার যদি দল-মত নির্বিশেষে নিজেদের অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে বন রক্ষা সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল হোসেন বলেন, একসময় গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের দুই পাশে এত ঘন শালবন ছিল যে বনভূমির গভীরতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সহজেই চোখে পড়ত। কিন্তু গত দুই দশকে সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। বনভূমির বড় অংশ দখল, উজাড় ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে হারিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বনভূমি ধ্বংসের ঘটনা একদিনে ঘটেনি। বছরের পর বছর ধরে প্রভাবশালী মহলের দখল ও অব্যবস্থাপনার কারণে সংরক্ষিত বনাঞ্চল সংকুচিত হয়েছে। সরকার চাইলে দখল হওয়া বনভূমি উদ্ধার করে পুনরায় বনায়নের মাধ্যমে আগের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বনভূমি রক্ষায় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত নয়। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে অবশিষ্ট বনভূমিও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মো. নুরুল করিম বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি দখলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। অনেক ক্ষেত্রে বনভূমির ভেতরে থাকা পাবলিক ল্যান্ড ক্রয়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রভাবশালীরা আশপাশের সংরক্ষিত বনভূমিও দখল করে নেয়। বন বিভাগ আইনি ব্যবস্থা নিতে গেলে দখলদাররা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে স্থগিতাদেশ বা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে।
তিনি আরও বলেন, বনভূমি দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বন বিভাগের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো উচ্ছেদ প্রস্তাবনা আমাদের কাছে আসেনি। তবে ভবিষ্যতে প্রস্তাবনা পাওয়া গেলে এবং সেখানে সরকারি স্বার্থ জড়িত বলে প্রতীয়মান হলে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, দখলদাররা যত বড় শিল্পগোষ্ঠী বা প্রভাবশালী মহলেরই হোক না কেন, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। সরকারি সম্পদ ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমির হোসাইন চৌধুরী বলেছেন, সারাদেশের জবরদখলকৃত বনভূমির একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ হাজার একর বনভূমি উদ্ধার করে বনায়ন করা হয়েছে এবং আরও ২ লাখ ৩৭ হাজার একর বনভূমি উদ্ধারের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে উচ্ছেদ প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
ভালুকায় মন্ত্রী ও বিভিন্ন শিল্পগ্রুপের বনভূমি দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কোনোটি শুনানি, কোনোটি আপিল এবং কোনোটি স্থিতাবস্থা আদেশের পর্যায়ে থাকায় সরকার সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে কাউকে চূড়ান্তভাবে অবৈধ দখলদার বলা যাচ্ছে না।
দীর্ঘদিনেও কেন জবরদখল উচ্ছেদ হচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভালুকার বড় সমস্যা হলো বন বিভাগের অনেক জমি ব্যক্তির নামে রেকর্ড হয়ে গেছে। একই জমির ওপর বন বিভাগের পাশাপাশি ব্যক্তির নামেও রেকর্ড থাকায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব জমিতে রেকর্ড সংশোধন ও জবরদখল সংক্রান্ত একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টুর দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তারা জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন। জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মন্ত্রী ফোনে কোনো বক্তব্য দেবেন না। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে আবেদনের মাধ্যমে বক্তব্য নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পরবর্তীতে পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বক্তব্যের জন্য লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হলেও নানান ব্যস্ততা দেখিয়ে মন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
এমএসএম / এমএসএম
মন্ত্রীর সঙ্গে দখলের তালিকায় দেশের শীর্ষ শিল্পগ্রুপ
বনবিভাগের মালি থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বাউন্ডারি শহিদ
বন রক্ষকই যখন দখলের গডফাদার
বাস কোম্পানির চাঁদায় চলে এসপি অফিসের চা খরচ
ডিপফেক ও এআই প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জে এমএস-১৩ গ্যাং এর আদলে অপরাধীরা সক্রিয়
বিসিকের অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম!
কুরিয়ারে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে জাল টাকা
শুল্কফাঁকি দিয়ে অ’বৈধ বাজাজ সিএনজি আমদানির নামে শত কোটি টাকার মালিক এখন হাজী আব্দুর রশিদ বুলু
যৌন সহিংসতা - সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার তীব্র সংকটে বাংলাদেশ
প্রাণীসম্পদ খাতকে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপ দিতে কাজ করছে সরকার : শাহজামান খান
দলিল বাণিজ্যের অন্দরমহল
ঢাকার সড়কে "এআই নজরদারি": ডিজিটাল মামলার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ট্রাফিক চিত্র