মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অফিস সহায়ক কে ফাঁসাতে সিন্ডিকেট বেপরোয়া
জাগৃক এর প্রধান অফিস থেকে নথি গায়েব চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত বাঁচার চেষ্টা
দেশের আবাসন খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) এখন গভীর সংকটে। প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার পাশাপাশি আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত ৯ মাস ধরে চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগম দায়িত্বে আছেন ।
অভিযোগে জানা গেছে, নথি গায়েব সংক্রান্ত বিষয়ে, সুষ্ঠু তদন্ত না করে ৭১ সালের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মিরপুর অফিসের অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেনের উপর দায় চাপিয়ে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন ও তার সিন্ডিকেট কে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন চেয়ারম্যান নিজেই। এ সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক অডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) এর প্রধান কার্যালয় থেকে কোটি টাকা ঘুষ খেয়ে মূল নথি গায়েব করা হয়েছে। মিরপুর অফিসের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন ও তার অধীনস্থ অত্র দপ্তরের ৩ জন কর্মচারী মো. তাজুল ইসলাম, অফিস সহকারী, (কার্যভিত্তিক), মো. শহীদ উল্লাহ, অফিস সহকারী, (কার্যভিত্তিক) এবং সুফিয়া (পিয়ন) দৈনিক হাজিরা/ভাউচার ভিত্তিক (সম্পূর্ণ অস্থায়ী) তাদের অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ এবং জালিয়াতির বিষয়ে জানতে পারায়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগে,অতি গোপনীয়তায়,ডি নথি প্রেরণের মাধ্যমে চক্রান্ত করেন অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেনের বিরুদ্ধে। তাকে সন্ত্রাসী হামলা, বিচার বিভাগীয় মামলা, বদলি, সর্বশেষ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
তাছাড়া, রুহুল আমিন গং নানা নাটকীয়তার মাধ্যমে, অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেনের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল ও ভূয়া ইস্যু নম্বর দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন মর্মে সচিব, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেন।
জানা গেছে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের, মিরপুর ৬ নং সেকশনের সি ব্লকের ১১ নং রোডের ১ নং আবাসিক বাড়ী, যার আয়তন (৭.৫) কাঠা। প্লটটির মূল নথি নং- এম.পি- ৩৮৫/৯০/৮৮৭৮, তাং-২৬/১১/১৯৯৮ ইং তারিখে ডা: সিদ্দিকুর রহমান এর নামে বরাদ্দ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে এম.পি-৩৮৫/৯০/৩৮৭, কসে তাং-১৩/০১/১৯৯৯ ইং তারিখে ডা: সিদ্দিকুর রহমান এর নামে বাস্তব দখল দেওয়া হয়। স্বারক নং-এম.পি-৩৮৫/৯০/৯০১১, মাধ্যমে দায়মুক্তি ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে ডা: সিদ্দিকুর রহমান এর নামে ইজারা চুক্তি দলিল সম্পাদন করা হয়। স্বারক নং- এম.পি-৩৮৫/৯০/৮৩৮১, কসে তাং- ০৫/১০/২০০০ সালে বিক্রয় অনুমতি প্রদান করা হয়। বিক্রয় অনুমতি ফি বাবদ ড: সিদ্দিকুর রহমান চালানের মাধ্যমে ৬০,০০০/= টাকা জমা দেন। পরবর্তীতে ক্রেতা মালিক ২৩/১১/২০০০ সালে (ক) হোসনে আরা বেগম, স্বামী- আসলাম শেখ (খ) মোঃ কামরুল হাসান, পিতা- আলহাজ্ব আবদুল কাদের শেখ, দের নামে নামজারি অনুমতি প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ডা: সিদ্দিকুর রহমান, হোসনে আরা বেগম ও কামরুল হাসানের নামে সাব-কবলা দলিল সম্পাদন করে দেন। এবং রাজউক কর্তৃক প্লান অনুমোদন করা হয়।
অভিযোগে জানা গেছে, গত ২০১৬ ইং সালে মো. বেলাল হোসেন, পিতা-মো. জেন্দাল হক ক্রয়সূত্রে নামজারী অনুমতির আবেদনের প্রেক্ষিতে জাগৃক/ভূসব্য এম.পি-২২৭/৬৩/১২৭১৯, তারিখ-২১/১২/২০১৬ইং মূলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এষ্টেট), মিরপুর, ঢাকা, এর নিকট বর্ণিত প্লট/বাড়ীটিতে কে বা কাহারা কিসের ভিত্তিতে বসবাস করছেন, যাবতীয় কর ও খাজনাদি পরিশোধিত কিনা, তাহা সরেজমিনে তদন্ত করে, ক্রমানুসারে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বলেন ।
এরপর সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. এ, কে, এম সামছুদ্দোহা পাটোয়ারী সরোজমিনে তদন্ত করে ক্রেতা মালিক দাবীদার মো. বেলাল হোসেনের পক্ষে উক্ত প্লট/বাড়ীটির বিস্তারিত প্রতিবেদন স্মারক নং-জাগ্ক/মিহাএ/১৮/২০১৭/৭১/প্রঃকঃ, তারিখ-০৯/০১/২০১৭ইং মূলে প্রতিবেদন পরিচালক, ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, সেগুনবাগিচা, ঢাকা, বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
তাছাড়া, অনুমতি প্রদান করার এক দিন পরে উক্ত বাড়ীটির বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু লোক অত্র দপ্তরে উপস্থিত হয়ে কিছু কাগজপত্র দাখিল করেন এবং পুনরায় তদন্ত করে দেখা যায়, বসবাসরত কেহই মো. বেলাল হোসেন এর ভাড়াটিয়া নয়। আর প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এ, কে, এম সামছুদ্দোহা পাটোয়ারী পুনরায়, স্মারক নং- জাগৃক/মিহাএ/১৮/১৭/২৯৯, তারিখ-০২/০২/২০১৭ ইং তারিখে, পরিচালক, ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, সেগুনবাগিচা, ঢাকা, বরাবর আরেকটি প্রতিবেদন প্রেরণ করে । সেখানে উল্লেখ করা হয়,প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যদি কোন কার্যক্রম গ্রহন (অথাৎ নামজারী সহ অন্য কোন কার্যক্রম) করা হয়ে থাকে, তাহলে বর্নিত প্লটের সকল কার্যক্রম বাতিল করার জন্য অনুরোধ করা হয়।
অপরদিকে দুর্নীতিবাজ প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন, মো. বেলাল হোসেনের কাছ থেকে বিপুল পরিমান অর্থের বিনিময়ে ২০২৫ সালে সেই একই ব্যক্তি যার নামজারী ইতিপূর্বেই বাতিল করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তি মো. বেলাল হোসেন, পিতা- মো. জেন্দাল হক পুনরায় উক্ত প্লট/বাড়ীটি বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রধান কার্যালয়ে সম্পূর্ণ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হস্তান্তর ও নামজারীর অনুমতির আবেদন করে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন কার্যালয় মিরপুর-২ এর স্মারক নং-২৫.৩৮.২৬৪৮.৬০৬.৫৭.২০৬.২০২৩-৮৪৮, তারিখ- ২৯/০৬/২০২৫ ইং মূলে প্রধান কার্যালয়ে হস্তান্তর ও নামজারীর অনাপত্তি পত্রের প্রতিবেদন প্রেরণ করে। উক্ত প্রতিবেদনটিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন ও অফিস সহকারী তাজুল ইসলামের স্বাক্ষর রয়েছে।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের দুর্নীতি এখানেই শেষ নয়, ভবিষ্যতে যাহাতে ধরা না পড়তে হয় সেই জন্য চালাকি করে, অফিস সহকারী মো. তাজুল ইসলামকে দিয়ে ইস্যু রেজিষ্টারে সবকিছু ঠিক রেখে ঠিকানার স্থানে ১২/সি, ১০/৪, ভুল ঠিকানা লিখে রাখতে বলেন, যার আসল ঠিকানা হবে ৬/সি, ১১/১। সরকারের নিয়মকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে নামজারি বাতিল হয়ে যাওয়া ব্যক্তির নামে খাজনা আদায় করেন অফিস সহকারী মো. তাজুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিনের নির্দেশে।
উল্লেখ্য, যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উক্ত নথিতে স্বাক্ষর করেছেন, তারা সবাই জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা হওয়ায়, প্রশাসনের কর্মকর্তা রুহুল আমিন যেভাবে বলেছেন,সেই ভাবেই অফিস সহায়ক হাফিজ আল হোসেনের উপরে জুলুম করা হয়েছে। তাছাড়া, একজন কর্মকর্তা হয়ে আরেক জন কর্মকর্তার পক্ষ নিবে এটাই তো স্বাভাবিক বিষয়, যার কারণে তাদেরকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনকে খুলনা হাউজিং এষ্টেটে গত-০৮/১২/২০২৫ইং তারিখে বদলী করা হয়েছে। মো. শহীদ উল্লাহ, (কার্যভিত্তিক) অফিস সহকারীকে যশোর হাউজিং এষ্টেটে গত-০৯/১২/২০২৫ইং তারিখে বদলী করা হয়েছে। মো. তাজুল ইসলাম, (কার্যভিত্তিক) অফিস সহকারীকে দিনাজপুর হাউজিং এষ্টেটে গত- ২৪/১২/২০২৫ইং তারিখে বদলী করা হয়েছে।
অডিও রেকর্ডে নথি গায়েব সংক্রান্ত বিষয় রুহুল আমিন ও তার সিন্ডিকেট কে বাঁচানোর জন্য চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম কে বলতে শোনা যায়, আমি বেঁচে থাকলে ওকে চাকরিচ্যুত করতেই হবে, ওকে ভাগাইয়া দাও, শুনানির করার কি দরকার ? আর ভুলে ভরা অফিস আদেশ সম্পর্কে বলতে শোনা যায়, লতিফা নামে একজনকে দায়ী করা হয়। আর নিজের মুখে বলছেন এরা সবাই খারাপ হয়ে গেছে । অফিসের সবাইকে খারাপ বললেও মিরপুরে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ভালো বলতে শোনা যায় ।
আরেক সূত্র জানায়, নানা আলোচনা সমালোচনা, একাধিক মিডিয়ায় ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রচারিত ও প্রকাশিত হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত স্মারক নম্বর: ০৫.০০.০০০০.১৩২.১৯.০০৫.২৬-৪০৪ তারিখ ২৬/০৪/২০২৬ ইং মোসা. ফেরদৌসী বেগম (৬৮০৫) কে সরিয়ে মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান (৬৭৬৩) কে প্রেষনে চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার প্রদান করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতাবলে, মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে গত ২৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখে একই উপসচিব স্বাক্ষরিত, স্মারক নম্বর-০৫.০০.০০০০.১৩২.১৯.০০৫.২৬-৪৩০ পুনরায় মোসা. ফেরদৌসী বেগম (৬৮০৫) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ভার প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ও অফিস সহায়ক হাফিজ আল হোসান বলেছেন, তিনি সবকিছু জেনে যাওয়ার পরে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন গং আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন এবং চাকরিচ্যুত করারও হুমকি দেয়। আমার অফিসে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা করায় এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বদলি ও বিভাগীয় মামলা দায়ের করানো হয়। গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখে আমাকে স্ব-শরীরে শুনানির জন্য ডাকা হয়। উক্ত চিঠিতে নির্দিষ্ট কোন সময় এবং শুনানি কে গ্রহণ করবে তাও চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়নি। কারণ ছিল আমাকে হেনস্তা করার জন্যই চিঠিতে নির্দিষ্ট কোন কিছুই উল্লেখ করে নাই। আমাকে চেয়ারম্যান এর রুমে শুনানির জন্য ডাকা হয়, অফিস সময়ের অনেক পরে মাগরিব নামাজের পর, যখন আমি চেয়ারম্যানের রুমে প্রবেশ করি, তখন থেকেই আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার শুরু করতে থাকেন। আর তারা আমাকে কথা বলার সুযোগ না দিয়েই ক্রিমিনাল বলে সম্বোধন করেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম। শুধু তাই নয়, আমার মোবাইল ফোন জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। শুনানি গ্রহণ না করেই আমাকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুলিশে ধরিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। সেখানে চেয়ারম্যান ও আলমগির হুসাইন সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) উপস্থিত ছিলেন। তারা উভয়ই মিলে দুর্নীতিবাজ প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন এর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা খেয়ে, বিনা তদন্তে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে চাকরিচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করেন। আমাকে আইসিটি আইনে মামলা দিয়ে ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেন।
উক্ত বিষয়ে খুলনা অফিসে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে, তারই অধঃস্থন অফিস সহকারী মো. তাজুল ইসলামের উপর সকল দায় চাপান। উপরোক্ত বিষয়ে জানতে অফিসের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আলমগীর হোসেন এর সঙ্গে ফোনে এবং হোয়াটসঅ্যাপে বারবার যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এতকিছু জানি না। আমি শুধু একটা বিভাগীয় মামলা এবং শুনানীর বিষয়ে জানি।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে তার সেলফোনে একাধিকবার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়ের যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
Aminur / Aminur
জাগৃক এর প্রধান অফিস থেকে নথি গায়েব চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত বাঁচার চেষ্টা
মোবাইল অ্যাপে ঋণের ফাঁদ এক সপ্তাহেই অস্বাভাবিক সুদ, দেরি হলেই হুমকি-হয়রানি
ড্রেজার ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের কাছে কয়েক হাজার কৃষক জিম্মি
রায়ের কপি’ বেঁচে প্রতারকচক্র একেকজন কোটিপতি, প্রাইভেট সিএনজি অটোরিকসা কল্যাণ সমিতির
কাস্টমস’র বন্ড এর যুগ্ম কমিশনার কামরুলের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নির্যাতনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ
চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকার প্রতারণা
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে নিয়োগ বাণিজ্যের কেলেঙ্কারি: খাতা রাখা হলো থানা হেফাজতে
ঢাকা দক্ষিণ ও পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটে বহিরাগতদের নেতা সুকান্ত হালদার দৌরাত্ম্য
রায়ের কপি’ বেঁচে ‘প্রাইভেট সিএনজি মালিক কল্যাণ সমিতি’র নেতারা কোটিপতি
কেরানীগঞ্জে বিআরটিএ’র কর্মকর্তারা দালালদের মোবাইল ফোনেই সেবা প্রত্যাশীদের সমস্যা সমাধান করছেন
সরকারি স্টাফ ও দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ
শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ : আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধ দুদকে আবেদন