সরকারি গাছ হরিলুটের মহোৎসব
অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান
সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) অপারেশন ডিভিশন পূর্বাঞ্চলের নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ বিপ্লব কুন্ডুর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, গাছ চোরচক্র নিয়ন্ত্রণ, ঘুষ-বাণিজ্য ও ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে সরকারি গাছ বিক্রির গুরুতর অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক), সচিব সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সেতু মন্ত্রণালয়ের ঢাকা বরাবর অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি।
সওজ এর অপারেশন ডিভিশন পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে থাকাকালীন বিপ্লব কুন্ডুর বিরুদ্ধে রাজশাহী দুর্নীতি দমন কমিশন অফিস স্মারক নং-০০,০১,৮১০০,৭২২.০১.০১১.১৫. ২৭০২ অনুসারে অভিযোগ দায়ের করেন । অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ), বিপ্লব কুন্ডু অপারেশন ডিভিশন (পশ্চিমাঞ্চল), রাজশাহীর আওতাধীন ২০২১-২০১২ এবং ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে উত্তরাঞ্চলের ০৮টি সড়ক ও মহাসড়কের ৮৩ কিলোমিটারে মোট ১,৬১,৬০০ টি বনজ, ফলজ, ঔষধি ও বাহারি জাতের গাছের চারা লাগান সংক্রান্ত প্রকল্প হতে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ আনা হয়। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নানা চমকপ্রদ তথ্য, বিপ্লব কুন্ডু পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই বাকশালী কায়দায়, দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়েও ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে পূর্বাঞ্চলের অধীন-ফেনী সদর হাসপাতাল হতে ছাগলনাইয়া হয়ে শুভপুর পর্যন্ত মোট গাছের সংখ্যা ১০৩৪টি। যা মোট ৩২টি লট করে এর মাধ্যমে ১২টি লট উভয় টেন্ডার করে, যার মূল্য করেন ২৩,৯২,৬২৯/-টাকা মাত্র। বাকী ২০টি লট যাহা দূর্নীতির মাধ্যমে মাত্র ৭,৩২,৮০৪/-টাকা। যার প্রকৃত বাজার মূল্য ৮০,০০,০০০/-টাকার বেশি ছিল।
শুধু তাই নয়, যখন তার বিরুদ্ধে একাধিক মিডিয়া সংবাদ প্রচার করল, চারিদিকে হইচই পড়ে গেল, তখন বিপ্লব কুন্ডু নিজেকে বাঁচাতে সহকারী বৃক্ষ পালনবিদ রফিকুল ইসলাম চকদারকে অভিযুক্ত করে অফিশিয়ালি চিঠি ইস্যু করেন যার স্মারক নম্বর ৭১৫ তারিখ ০৪/১২/২০২৫।
রফিকুল ইসলাম চকদার তার লিখিত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ঐ সময় তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি ঐ সময় অফিসিয়াল একটা ট্রেনিং এ ছিলেন।
অভিযোগকারী আব্দুল কাদের বলেন, বিপ্লব কুণ্ড ছাত্র রাজনীতি থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। বাগেরহাটের রামপাল বাড়ি হওয়ার সুবাদে তিনি, ছাত্র জীবন থেকে শেখ পরিবারের খুব আস্থাভাজন ছিলেন, শেখ তন্ময় এর প্রত্যক্ষ মদদে অফিসে হয়ে উঠেছিলেন অপ্রতিরোধ্য। তারই ধারাবাহিকতায় ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে পূর্বাঞ্চলের অধীন-ফেনী সদর হাসপাতাল হতে ছাগলনাইয়া হয়ে শুভপুর পর্যন্ত গাছগুলো নির্ধারিত ঠিকাদারকে না দিয়ে অন্য ঠিকাদারের নিকট থেকে নগদ ৪৮ লাখ টাকা গ্রহণ করে তাদেরকে দিয়ে দেন । তিনি বলেন, সড়ক ও জনপদের অফিস সহ কয়েকটি দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন ফলাফল পাননি।
এ বিষয়ে জানতে পূর্বাঞ্চলীয় নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব কুন্ডুর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনি এ সমস্ত বিষয় বুঝবেন না বলে লাইন কেটে দেন। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পাইকপাড়া অফিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই চিঠি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। এ বিষয়ে আরো জানতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সোয়াইব আহমেদের নিকট ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আমরা অবগত আছি। তদন্তে অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Aminur / Aminur
বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ
অঢেল সম্পদের মালিক এনবিআর কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম
অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান
গার্ল গাইডস্রে টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে
জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন
বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!
সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের চাঞ্চল্যকর নিয়োগ জালিয়াতি
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন
বেশি দামের গাছ কম দামে বিক্রি করায় তার নেশা
মামলা ও বিতর্কের মধ্যেই পদোন্নতি পেতে দৌড়ঝাপ, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বঞ্চিতরা