ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

মনিরামপুরে প্রায় ৮শ’ বছরের শাহমান্দারতলা ধর্মের পবিত্রস্থান


অশোক কুমার বিশ্বাস,  মনিরামপুর photo অশোক কুমার বিশ্বাস, মনিরামপুর
প্রকাশিত: ১৫-৬-২০২৫ দুপুর ১২:১৬

যশোরের মণিরামপুর প্রায় ৮শ বছরের শাহমান্দারতলা হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের অনুসারিরা একত্রে একই স্থানে যে যার ধর্ম পালন করে। এটি দুই ধর্মের মিলন স্থান হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ভাসিত মুসলিম ধর্মের মানুষের কাছে স্থানটি পীর-আউলিয়ার স্থান, আর সনাতনধর্মাবলীদের কাছে এটি পুজাস্থান। এক কথায় সব ধর্মের মানুষের কাছে এটি পবিত্রস্থান। এতে কোন ধর্মের মানুষের আপত্তি বা বিধি নিষেধ নেই। 
শাহমন্দারতলা উপজেলার কাটাখালি, ভোমরদাহ, নলডাঙ্গা,হাজিরহাটসহ কয়েকটি গ্রাম বেষ্টিত ডুমুরবিলের গা ঘেষে অবস্থিত। ঠিক তার বিপরীত পাশে মুক্তেশ্বরী নদী। বিশ্বাস ও আবেগের জায়গা হতে প্রতিদিন এক বুক আশা নিয়ে হিন্দু-মুসলিমসহ সকল শ্রেণির মানুষ যার সন্তান হয়নি, তিনি সন্তান লাভের আশায়, বিপদ-আপদ, মামলা-হামলা থেকে মুক্তির আশায় আসেন। বটগাছের নিচে নারী-পুরুষ শাড়ির আঁচল কিংবা গামছা বিছিয়ে বসেন। গাছ থেকে ফুল-পাতা পড়লে সেটি আশা পূরণে ইট ঝুলিয়ে মানের বাসনা কামনা করেন। সুফল পেলে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী, টাকা-পয়সা দান করেন।
স্থানীয় হরিদাসকাটি গ্রামের অশীতিপর বৃদ্ধ সুভাষ মন্ডল জানান, তার বাবা রসময় মন্ডলের কাছে শুনেছেন বহু বছর আগে এই জায়গায় একজন সাধক পুরুষ এইখানে বটগাছের নিচে ধ্যান করতেন। তিনি খুবই খোদাভক্ত ছিলেন। তার বাবা রসময় মন্ডল শুনেছেন তার বাবা সীতারাম মন্ডলের কাছে শুনেছেন। সীতারাম মন্ডল শুনেছেন তার বাবা বিহারী মন্ডলের কাছে।
কাটাখালি গ্রামের নূর ইসলাম সরদার নামের আরেক অশীতিপন বৃদ্ধ একইভাবে শুনেছেন তার বাবা আকাম আলী সরদারের কাছে। তিনি শুনেছেন তার বাবা ইদু সরদারের কাছে। তিনি শুনেছেন তার বাবা তমিজ সরদারের কাছে।
বার শতাব্দির প্রথম থেকে ইরান, ইয়ামেন, ইরাকসহ অধুনা মধ্য প্রাচ্যের দেশ থেকে এই বাংলায় ইসলাম ধর্ম প্রচারে পীর, দরবেশ, আউলিয়ার আগম ঘটে। স্থানীয়দের ধারনা সেই ৮শ’ বছর আগে শাহমান্দার নামে এক সাধক পুরুষ এখানে আস্থানা গাড়েন। তখন এই ঘন-জঙ্গলে পূর্ণ জায়গাটিতে বাঘ, ভাল্লুক, শিয়াল, খিঞ্জিরসহ বণ্য প্রাণির বসবাস ছিল। ভয়ে কেউ এদিকে মাড়াতেন না। দুই একজন ওই সাধক পুরুষের কাছে এসে নানা অলৌকিক ঘটনা দেখেছেন। পরে জানতে পারেন শাহমান্দার ছিলেন পীর। হঠাৎ একদিন এই সাধক পুরুষ উধাও হন। এরপর থেকে এই জায়গাটি আজও মানুষের মুখে-মুখে কিংবদন্তি কাহিনীর মত ভেসে বেড়াচ্ছে।
গত ৩০ বছর ধরে জায়গাটি দেখা-শুনা করেন গণেশ গোসাই। তিনি জানান, তার আগে কার্ত্তিক গোসাই দেখাশুনা করতেন।

এমএসএম / এমএসএম

রেলওয়ে সমবায় ঋণদান সমিতির নির্বাচন বাতিল

বিএসসিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ইউসুফ-জিয়াসহ ৪ জনকে মন্ত্রণালয়ের শুনানিতে তলব

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

জনগনের উপরে যারা ক্ষমতা দেখান তারা জনগনের শত্রু, দেশের শত্রু, সরকারের শত্রু : জহির উদ্দিন স্বপন

বারহাট্টায় মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় প্রায় ৫২ কোটি টাকার উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭বছরের শিশুর মৃত্যু

লামায় জেলা পরিষদ কর্তৃক কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ উদ্যোগ

কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: কৃষি মন্ত্রী

চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মিটিং অনুষ্ঠিত

আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত