নতুন বাংলাদেশ গড়ার বীর সন্তানদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানালেন শেখ সাদী
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি পেয়েছিল একটি স্বাধীন বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে বাঙালি জাতি দীর্ঘদিন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত ছিলো। বাংলাদেশকে গ্রাস করে নিয়েছিল দুর্নীতি আর পরিবরতন্ত্র কায়েম করতে চেয়েছিল এক স্বৈরাচার। কিন্তু বাংলার মানুষ তা মানতে নারাজ তারা ১৯৭১ সালের মত আবারো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে। অবশেষে ছাত্র জনতার দীর্ঘ এক মাস সংগ্রামের পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।
গত বছরের জুলাই মাস ধরেই উত্তাল ছিল ঢাকার রাজপথ সহ সারা বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৬ বছর তৎকালীন সরকারের কাছে নির্যাতনের শিকার হওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীর সহ ছাত্র জনতা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দিনের পর দিন আন্দোলন চলে সারা বাংলাদেশের। এরই ধারাবাহিকতায় সে সময় সরকারের কাছে মাথা নত না করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান এশিউর গ্রুপে চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শেখ সাদী। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজের কথা চিন্তা না করে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার পাশে দাঁড়ান এবং নিজেও সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে ভূমিকা রাখে। উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার পানি, খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং দলীয় নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। সে সময় এ আন্দোলনে ভূমিকা রাখায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ও আওয়ামী লীগ থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হয় আন্দোলন থেমে গেলে তার শিল্প প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া হবে এবং তাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি এগুলোর পরোয়া না করেই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
এ বিষয়ে শেখ সাদী বলেন, আমি আন্দোলনের প্রথম থেকেই উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকাতে আমার নেতাকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। দিনের পর দিন স্বৈরাচারের দোসর'দের হামলার শিকার হয় কিন্তু তবুও পিছু টান দিইনি এবং প্রতিনিয়তই আমার নিজ অর্থায়নে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের মাঝে পানি, খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। এর ফলে আমি ও আমার প্রতিষ্ঠানের উপর অনেক হুমকি হামকি এসেছে কিন্তু আমি থেমে যায়নি বরং আমি আমার আদর্শ ও নৈতিকতা নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছি। অবশেষে আমরা ৫ ই আগস্টে নতুন করে আবার স্বাধীনতা পায়। কিন্তু নতুন এ স্বাধীনতা আনতে আমাদের সেই ১৯৭১ এর মত ২০২৪ এ এসেও আমাদের অনেক বীর সন্তানদের জীবন দিতে হয়েছে। আমি সেই সমস্ত বীর সন্তানদের আত্মার শান্তি কামনা করি এবং মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন তাদেরকে বেহেস্ত নসিব করেন। এবং সেই সঙ্গে এই সরকারকে বলতে চাই এই সমস্ত সূর্য সন্তানদের হত্যাকারীদের বিচার অতি দ্রুত করা হোক এবং যে গণতন্ত্রের জন্য তারা জীবন দিয়েছে সে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হোক। এদেশে যেন মানুষ আবার নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারে, স্বাধীনভাবে চলতে পারে, নিজের ভোট যেন নিজে দিতে পারে। আর এগুলো প্রতিষ্ঠা হলেই আমাদের বীর সন্তানদের আত্ম শান্তি পাবে।
এমএসএম / এমএসএম
ধামইরহাটে প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশক্রমে অসুস্থ যুবদল নেতাকে চিকিৎসা সহায়তা দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আখরাজুল ইসলাম
ধামইরহাটে উৎসবমূখর পরিবেশে কারাম উৎসব উদযাপন
প্রশাসনিক অযুহাতে লালমনিরহাটে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের পরিচিতি সভা পণ্ড
কুতুবদিয়ায় আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা
মুরাদনগরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্যসহ আহত ৫
কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
কালিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
পেকুয়ায় স্বর্ণের দোকানে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আটক কর্মচারী
ভোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও
দাউদকান্দিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সচেতনতায় গুরুত্ব
পত্নীতলায় বিষ প্রয়োগে ২ একর জমির ধান নষ্টের অভিযোগ
বকশীগঞ্জে ভিডিও ধারণে নিষেধ করায় পরিবারের ওপর হামলা, শিক্ষার্থীসহ আহত ৭