ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তৃতীয় দফায় বন্যা, ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি


জামাল বাদশা, লালমনিরহাট photo জামাল বাদশা, লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ১৩-৮-২০২৫ দুপুর ৪:৫০

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফুলেফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৩ টায় হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানি সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২.১৯ মিটার, যা বিপদসীমার উপরে। এরআগে মঙ্গলবার দুপুরে পানি ছিল বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর, রাতের ভারী বৃষ্টিতে কয়েক ঘণ্টায় বেড়ে যায় নদীর পানি।

তিস্তায় পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ১০ হাজার পরিবার। বন্যায় ডুবে গেছে গ্রাম-ফসল-সড়ক। নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও পাটগ্রাম উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈলমারী, নোহালী; আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, বাহাদুরপাড়া, পলাশী এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে মানুষজনের দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটি গ্রামের মর্জিনা বেগমের বাড়িতে ঢুকে পড়েছে পানি, ডুবে গেছে চুলা ও সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। বাধ্য হয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন কালমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায়। ষাটোর্ধ্ব বুলবুলি বেগমও একই দুর্দশায়। চুলায় রান্না করা যাচ্ছে না, সব জিনিস ভিজে গেছে। স্কুলের বারান্দায় দিন কাটাচ্ছি,” বলেন মর্জিনা বেগম।

জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী পাড়ের বাসিন্দা অটোচালক সেলিম ইসলাম জানান, পশুপাখি, শিশু, বৃদ্ধ আর প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। আমাদের বাড়িতেও পানি ঢুকছে, কিন্তু কেউ খোঁজ নিচ্ছে না।

তৃতীয় দফায় এই বন্যায় আমন ধান, পাটসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের জমির ফসল ভেসে গেছে পানির স্রোতে। পানির চাপের কারণে বহু বাঁধ ও রাস্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে কালীগঞ্জের দক্ষিণ ভোটমারীতে ইস্ট্রাকো সোলার প্যানেল এলাকার কাছে তিস্তার মূল স্রোত লোকালয়ের দিকে ঢুকে পড়ছে, যা ভাঙনের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোলার প্যানেল স্থাপন করায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে পানি, যা বাঁধ ও বসতভিটার জন্য হুমকি।

স্থানীয় বাসিন্দা সামসুল আলম বলেন, সোলার প্যানেলের কারণে পানির চাপ পড়ছে লোকালয়ের রাস্তা ও বাঁধে। এগুলো রক্ষা না করা হলে হাজার হাজার বসতভিটা আর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী দু’দিন পানি বিপদসীমার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হতে পারে। পরিস্থিতি ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

সরকারি চাকরির শুরুর বেতন ৫০০ টাকা, এখন ছয়তলা ভবন- প্রাইভেট গাড়ি-সম্পত্তি

ফেনীতে লায়ন্স ক্লাবের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

দাউদকান্দিতে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট অটোমেশন পানি সরবরাহ প্ল্যান্ট চালু

স্মার্ট টিকেটিংয়ের মাধ্যমে আধুনিকায়ন হবে গণপরিবহন ব্যবস্থা

শান্তিগঞ্জে গীতিকবি প্রতাপ রঞ্জন তালুকদারের প্রয়াণ দিবসে ধামাইল উৎসব

রায়গঞ্জে পুকুরে ভাসছিল বৃদ্ধের মরদেহ

নরসিংদীতে অস্ত্র-মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৩

উল্লাপাড়ায় আগাম সবজির স্বপ্ন"সারের অদৃশ্য দেয়াল

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ

শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদে পোকার উপস্থিতি নির্ণয়

ফাইতংয়ে অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, কর বা টোল না নেওয়ার নির্দেশ

দায়িত্ব নিল ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত কমিটি

বরিশালে মা ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতা মুলক সভা অনুষ্ঠিত