ঢাকা রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়ার হাটে চাঁই কেনা-বেচার ধুম


পাবনা প্রতিনিধি  photo পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪-৬-২০২১ দুপুর ২:১২

মৎস্য অঞ্চল হিসেবে খ্যাত পাবনার বেড়াঘেঁষা পদ্মা-যমুনা ও হুরাসাগরে বর্ষার প্রারম্ভে গত কয়েক দিন যাবৎ নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। বেড়া অঞ্চলে রয়েছে নদী-নালা, খাল-বিল এবং ছাট-বড় ৮টি নদী। মাছের জন্য বিখ্যাত এ অঞ্চলে বর্ষার আগমনে মাছ শিকারিরা মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। তাই মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে ধুম পড়ে যায় এ অঞ্চলে। বিশেষ করে বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এসব চাঁই (দুয়ারি) তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঐতিহ্যগতভাবে আষাঢ় মাস শুরুর দিকে উপজেলার বেড়া উপজেলার পুরান বাজার ও চতুর হাটে চাঁই (দুয়ারি) চাড়ো, পলো, বৃত্তি, বুছনা ইত্যাদি বিক্রির ধুম পড়ে যায়। 

মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির প্রধান হাট উপজেলার বেড়া বাজার সংলগ্ন পাটপট্টি। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার এসব উপকরণ বিশেষ করে চাঁই(দুয়ারি) বিক্রি হয়ে থাকে। বিগত ৫-৬ যুগ ধরে মাছ ধরার চাঁই (দুয়ারি) কেনাবেচার জন্য বিখ্যাত এই পাটপট্টি হাট। দেশের দূর-দূরান্ত  থেকে মৎস্য শিকারিরা ভিড় করেন ‍এই হাটে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে অবিরামভাবে বেচাকেনা। 

চাঁই তৈরির কারিগররা জানান, একেকটা চাঁই তৈরিতে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তবে জিনিসের মান বুঝে সেগুলো সাড়ে ৩০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। বড় আকারের চাঁই তৈরিতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। বিক্রি হয় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত।

পাটপট্টি চাঁইয়ের হাটে গিয়ে জানা যায়, বেড়ায় মূলত নাগডেমড়া, ফরিদপুর, আটিয়াপাড়া, ক্ষিদিরপুর থেকে চাঁই ( দুয়ারি) বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। চাঁই তৈরির সাথে জড়িয়ে রয়েছে বিপ‍ুলসংখ্যক পরিবারের জীবন-জীবিকা। চাঁই তৈরির কারিগররা বিভিন্ন এনজিও বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বাঁশ কিনে চাঁই তৈরি করেন বলে জানান তারা। 

চাঁইয়ের হাটে বিক্রি করতে আসা বেড়া উপজেলার চরাঞ্চলের চরসারাশি গ্রামের আক্তার আলী জানান, ‘প্রতিটি চাঁই বানাতি ( তৈরিতে) যা খরচ হয়, তা থেকে বিক্রিতে ভালোই লাভ হয়। একজন কারিগর সারাদিনে ছোট আকারের দুইহান দোয়ারি বানাবের পারে। গেল বছরের থেইক্কা এ বছর আগেই বেচা-কেনা হচ্ছে, দামও একটু বেশি পাচ্ছি।’

চাঁইয়ের হাটে ক্রয় করতে আসা সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর বান্তিয়ার চরের মোতালেব মিয়া জানান, চাঁই পাতলে চিংড়ি, বোয়াল, বাইনসহ নানান ধরনের দেশি মাছ ধরা পড়ে। তাছাড়া বাজারে চাঁইয়ে ধরা মাছের চাহিদাও থাকে বেশি। কারণ চাঁইয়ে পড়া মাছগুলো তাজা থাকে। আষাঢ় মাসের শুরু থেকে মাছ ধরা ও বিক্রি চলে পুরো তিন মাসের অধিক। 

বিক্রেতারা জানান, সরকারি সহযোগিতা পেলে মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ বেশি বেশি তৈরি করতে উৎসাহ পাবেন। সেই সাথে এ শিল্পের সাথে জড়িত বাঁশশিল্পও টিকে থাকবে, স্বাবলম্বী হবে কারিগর পরিবারগুলো। 

এমএসএম / জামান

নবনিযুক্ত গাসিক প্রশাসক  শওকত হোসেনকে সাংস্কৃতিক জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা 

বারহাট্টায় নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডাঃ আনোয়ারুল হকের মত বিনিময়

মনপুরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই ভাইয়ের পাশে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জিয়াউর রহমান

গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন

নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আগামীকাল থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ তম আবির্ভাব-বর্ষ-স্মরণ মহোৎসব শুরু

অনলাইন জুয়ার কালো জালে নবীগঞ্জ: শূন্য থেকে কোটিপতি ‘ক্যাসিনো মামুন’ ও ‘আকাশ’-এর উত্থানে বিপর্যস্ত যুবসমাজ

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

গাঁজাসেবনের দায়ে অভয়নগরে চারজনের জেল-জরিমানা

নওগাঁয় পলিনেট হাউজে সবজির চারা উৎপাদন করে লাভবান লিটন

রৌমারীতে ৪৫ টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

গোদাগাড়ীতে পেঁয়াজের বীজ চাষে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

দূনীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসতে হবে,সংস্কৃতি মন্ত্রী