ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়ার হাটে চাঁই কেনা-বেচার ধুম


পাবনা প্রতিনিধি  photo পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪-৬-২০২১ দুপুর ২:১২

মৎস্য অঞ্চল হিসেবে খ্যাত পাবনার বেড়াঘেঁষা পদ্মা-যমুনা ও হুরাসাগরে বর্ষার প্রারম্ভে গত কয়েক দিন যাবৎ নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। বেড়া অঞ্চলে রয়েছে নদী-নালা, খাল-বিল এবং ছাট-বড় ৮টি নদী। মাছের জন্য বিখ্যাত এ অঞ্চলে বর্ষার আগমনে মাছ শিকারিরা মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। তাই মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে ধুম পড়ে যায় এ অঞ্চলে। বিশেষ করে বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এসব চাঁই (দুয়ারি) তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঐতিহ্যগতভাবে আষাঢ় মাস শুরুর দিকে উপজেলার বেড়া উপজেলার পুরান বাজার ও চতুর হাটে চাঁই (দুয়ারি) চাড়ো, পলো, বৃত্তি, বুছনা ইত্যাদি বিক্রির ধুম পড়ে যায়। 

মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির প্রধান হাট উপজেলার বেড়া বাজার সংলগ্ন পাটপট্টি। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার এসব উপকরণ বিশেষ করে চাঁই(দুয়ারি) বিক্রি হয়ে থাকে। বিগত ৫-৬ যুগ ধরে মাছ ধরার চাঁই (দুয়ারি) কেনাবেচার জন্য বিখ্যাত এই পাটপট্টি হাট। দেশের দূর-দূরান্ত  থেকে মৎস্য শিকারিরা ভিড় করেন ‍এই হাটে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে অবিরামভাবে বেচাকেনা। 

চাঁই তৈরির কারিগররা জানান, একেকটা চাঁই তৈরিতে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তবে জিনিসের মান বুঝে সেগুলো সাড়ে ৩০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। বড় আকারের চাঁই তৈরিতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। বিক্রি হয় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত।

পাটপট্টি চাঁইয়ের হাটে গিয়ে জানা যায়, বেড়ায় মূলত নাগডেমড়া, ফরিদপুর, আটিয়াপাড়া, ক্ষিদিরপুর থেকে চাঁই ( দুয়ারি) বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। চাঁই তৈরির সাথে জড়িয়ে রয়েছে বিপ‍ুলসংখ্যক পরিবারের জীবন-জীবিকা। চাঁই তৈরির কারিগররা বিভিন্ন এনজিও বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বাঁশ কিনে চাঁই তৈরি করেন বলে জানান তারা। 

চাঁইয়ের হাটে বিক্রি করতে আসা বেড়া উপজেলার চরাঞ্চলের চরসারাশি গ্রামের আক্তার আলী জানান, ‘প্রতিটি চাঁই বানাতি ( তৈরিতে) যা খরচ হয়, তা থেকে বিক্রিতে ভালোই লাভ হয়। একজন কারিগর সারাদিনে ছোট আকারের দুইহান দোয়ারি বানাবের পারে। গেল বছরের থেইক্কা এ বছর আগেই বেচা-কেনা হচ্ছে, দামও একটু বেশি পাচ্ছি।’

চাঁইয়ের হাটে ক্রয় করতে আসা সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর বান্তিয়ার চরের মোতালেব মিয়া জানান, চাঁই পাতলে চিংড়ি, বোয়াল, বাইনসহ নানান ধরনের দেশি মাছ ধরা পড়ে। তাছাড়া বাজারে চাঁইয়ে ধরা মাছের চাহিদাও থাকে বেশি। কারণ চাঁইয়ে পড়া মাছগুলো তাজা থাকে। আষাঢ় মাসের শুরু থেকে মাছ ধরা ও বিক্রি চলে পুরো তিন মাসের অধিক। 

বিক্রেতারা জানান, সরকারি সহযোগিতা পেলে মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ বেশি বেশি তৈরি করতে উৎসাহ পাবেন। সেই সাথে এ শিল্পের সাথে জড়িত বাঁশশিল্পও টিকে থাকবে, স্বাবলম্বী হবে কারিগর পরিবারগুলো। 

এমএসএম / জামান

শালিখায় ইটভাটার দেয়াল ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে জামায়াতের নারী কর্মী লাঞ্ছিত: রাজপথে বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আক্কেলপুরে দেশীয় খেলার উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা সৈয়দ গ্রেপ্তার

প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন

মোহনগঞ্জে সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান: জনসমুদ্রে নির্বাচনি অঙ্গীকারে মুখর সার্কিট হাউজ মাঠ

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে যুবকদেরকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

চা -শিল্প রক্ষার দাবিতে শ্রীমঙ্গলে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন

র‌্যাব-১২ এর অভিযানে তাড়াশে গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা আরজেএ’র ‘বান্দরবান ভ্রমণ