পঞ্চগড়ে প্রাঃ শিক্ষা অফিসারের অর্থ কেলেঙ্কারি ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি কতৃপক্ষের
শিক্ষা অফিসারের অর্থ কেলেঙ্কারি প্রমানিত হওয়া দুই মাসেও ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।অভিযুক্ত পঞ্চগড় সদর উপজেলার সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জ্যোতিষ্ময় রায়।তিনি সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত থেকেও সম্মানি ভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ,তদন্ত করে সরকারি অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করার পর,ফেরত দিয়েছেন মর্মে চলতি বছরের জুন মাসে প্রতিবেদন দেন। তদন্ত কর্মকর্তা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোমিনুল হক।কিন্তু জেলা শিক্ষা অফিসার ও রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।তবে বৃহস্পতিবার এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জানা গেছে,ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের বোনের ছেলে হওয়ায় ব্যবস্থা নিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ।
এর আগে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত থেকেও সম্মানি ভাতা নেওয়ার বিষয়ে গত ১৮ মার্চ দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।সংবাদটি জেলা শিক্ষা অফিসারের নজরে আনলে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোমিনুল হককে তদন্ত করে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দেন তিনি।কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন তালবাহানা করে প্রায় একমাস পর প্রতিবেদন দেন।
শিক্ষা অফিসের তথ্যনুযায়ী,সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছিল পিইডিপি-৪ আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের লিডারশিপ প্রশিক্ষণে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে গত ৬ জানুয়ারী থেকে ১৯ জানুয়ারী,দ্বিতীয় দফায় পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
জ্যোতিষ্ময় রায় দায়িত্ব পালন করেছেন।তবে একই সময়ে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের ভিতরগড় বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৫ জানুয়ারী,১৬ জানুয়ারী জগদল কেন্দ্রে,১৭ জানুয়ারী জাবুরীদুয়ার,১৮ জানুয়ারী সাতমেরা ফুলবাড়ী,১৯ জানুয়ারী সাতমেরা খালপাড়া,পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২০ দিনের ট্রেনিংয়ে উপস্থিত না থেকেও, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রতিদিন সম্মানি ভাতা তুলেছেন এক হাজার ২০০ টাকা।এমনকি খাওয়ার ভাতা নেওয়া হয়েছে ৫৪০ টাকা হারে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের অভিযোগ,প্রশিক্ষণ ছিল পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের।সেখানে সহকারি শিক্ষা অফিসারসহ আরেকজন প্রধান শিক্ষক প্রশিক্ষক হিসেবে থাকার কথা কিন্তু সহকারি শিক্ষা অফিসার উপস্থিত ছিলেন না।তিনি থাকলে হয়ত আমরা আরো কিছু শিখে কাজে লাগানো যেত।এতে পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে শিক্ষকরা।ভেস্তে গেছে প্রশিক্ষনের মুল উদ্দেশ্য।সুষ্ঠু তদন্ত করে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী স্থানীয় শিক্ষক সমাজের।
এমএসএম / এমএসএম
বিলাইছড়ি উপজেলা কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পন্ন
নড়াইলে শারীরিক প্রতিবন্ধির জমির গাছপালা কেটে দখল চেষ্টার ঘটনায় থানায় অভিযোগ
সান্তাহারে ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতনের বর্ষপূর্তি উৎসব পালন
ধামইরহাট-পত্নীতলায় কোন চাঁদাবাজি চলবেনা চাঁদা চাইলেই বেধে রাখবেনঃ এনামুল হক এম.পি
১৯ নভেম্বর থেকে ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু
কানাইঘাটে বিজিবির অভিযানে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বাউফলকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি
টেকনাফে মানব পাচারকারীদের আস্তানা থেকে উদ্ধার ৫৬ জিম্মি থানায় হস্তান্তর
চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা: গোবিন্দগঞ্জে ডেলটা ডায়াগনস্টিকের শুভযাত্রা
নোবিপ্রবিতে অ্যালামনাই-স্টুডেন্ট ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
রায়গঞ্জে ‘সেচের নামে ধান আদায় বন্ধে’ পাম্প মালিক-অপারেটরদের নিয়ে সভা
ধুনটে খাসজমি ও সরকারি খাল দখলের অভিযোগ, ঝুঁকিতে ৩০০ একর ফসলি জমি