শ্যামনগরে ইউএনও রনি খাতুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রনি খাতুনকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় বদলি করার পর তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সূত্র এসব অভিযোগ দায়ের করেছেন, যা ইউএনও এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনও খতিয়ে দেখেননি বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারীদের মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আকাশ নীলা ট্যুরিজম সেন্টারের সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চার কোটি টাকা নয়, বরং ৩২ লাখ টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে এবং কোনো কাজ হয়নি। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ করেছেন। একই সময়ে টিয়ার কাবিখা প্রকল্পের আর্থিক লেনদেনে উপজেলার প্রকল্প কর্মীদের মাধ্যমে কোটি টাকার লেনদেনের অপকর্মের ছক আঁকা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতিনিধিদের দাবি, এসব লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা অনিয়ম করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাহিদুর রহমানের অভিযোগ, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও এমএস ডিলারদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করে তা কৌশলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া, রাজস্ব খাত থেকে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে প্রায় ৭০ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ করেছেন উপজেলা সমন্বয় কমিটির একাধিক সদস্য। অন্তত একাধিক "ভুয়া" একাউন্ট ও ভুয়া বিল দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার অনিয়ম হয়েছে বলেও স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের বরাদ্দকৃত প্লাস্টিক ড্রাম বিতরণে প্রতিটি উপকারভোগীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে এবং তালিকা তৈরিতে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানী সূত্রে জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ ডাম্পার, ইটভাটা মালিক ও বালু উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং পরোক্ষভাবে কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে ঠিকাদার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ নিয়েও ঠিকাদাররা অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন এবং বলেছেন, তাদের কাছ থেকে ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ নেওয়া হয়েছে।
এই সব অভিযোগের মধ্যে বদলির আদেশ জারির পর রনি খাতুনকে ঠেকাতে তার সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট এবং আন্দোলনের চেষ্টা করছেন, তারা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ জনমত ও জনপ্রতিনিধিরাও নথিভুক্ত অভিযোগ করে প্রশাসনিক অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিদায়ী ইউএনও রনি খাতুন এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তিনি একটি ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি, মানুষ দুই দিন পরে খেয়াল করবে আমি কী করেছি।" তিনি আরও বলেন, বদলির সময় নানা ধরনের মন্তব্য হচ্ছে এবং এসবের নমুনা নেওয়া হবে।
এ পর্যন্ত বিভাগীয় কমিশনার বা উপজেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কোনো সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অভিযোগকারীরাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত ও স্বচ্ছ তদন্ত চেয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল 'অভিযোগ' হিসেবেই বিবেচিত হবে।
এমএসএম / এমএসএম
কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত