চব্বিশের বন্যায় ভেসে গেছে সেতু: পুনঃনির্মাণ না হওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে আমবাগান বাজার সংলগ্ন চেল্লাখালী নদী পারাপারে কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র বাহন নৌকা। আমবাগান বাজার থেকে উত্তরে ১ মিনিট হাঁটলেই চেল্লাখালী নদীর বাতকুচি ঘাট। গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় স্টিলের সেতুটি ভেসে যাওয়ায় আমবাগান বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে এই ইউনিয়নের বাকি গ্রামগুলো।
উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি চেল্লাখালী নদী। বর্তমানে নদী পারাপারে নৌকা তাদের একমাত্র ভরসা। নদী পার হলেই শুরু পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বাতকুচি, টিলাপাড়া, লক্ষিকুড়া, মেছকুড়া, তোয়ালকুচি, ছাইচাকুড়া, ধোপাকুড়া গ্রাম ও ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স।
এসকল গ্রামের মানুষকে বাতকুচি ঘাটে রশিটানা নৌকা দিয়ে প্রতিদিন যেতে হয় স্থানীয় বাজার কিংবা উপজেলা সদরে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এভাবেই পারাপার হতে হয়। আর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা উপজেলা প্রশাসনের কোনো গাড়ি বিশেষ বিশেষ কাজে ওই এলাকায় যাওয়ার প্রয়োজন হলে বারোমারী বাজার কিংবা নন্নী দিয়ে অতিরিক্ত ১০-১৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। সেতু ভেসে যাওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও নির্মাণের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় দুর্ভোগ কমছে না ওই এলাকার বসিন্দাদের।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, রশিটানা নৌকায় জনপ্রতি ৫ টাকা দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা। নৌকায় ওঠার জন্য কোন অবকাঠামো না থাকায় বৃদ্ধ ও স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও মহিলারা নৌকায় ওঠার সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ফলে মানুষের যাতায়াত বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসমত আলী বলেন, ‘ব্রীজটি ভেসে গেছে এক বছর হলেও কেউ এখনো খোঁজ নিতে আসেনি। ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যেতে পারিনা। দ্রুত এই ব্রীজটি নির্মাণ করা না হলে আমাদের দুর্ভোগ কমবেনা’।
অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, ‘বাতকুচি ঘাট দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করি। আগে একটা স্টীল ব্রিজ ছিলো। গত বন্যায় এটাও ভেসে গেছে। এখন চলাচল করতে কষ্ট হয়।’
পোড়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা জামাল উদ্দিন জানান, এই ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামই নদীর ওপারে। আমবাগান বাজার সংলগ্ন বাতকুচি ঘাটে নতুন করে সেতু হলে এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবসা বাণিজ্যসহ স্কুল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের আর অসুবিধা থাকবে না। চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতির তালিকায় এই সেতুর নাম উল্লেখ করে আমরা উপজেলায় জমা দিয়েছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল জানান, যাতায়াতের জন্য সেতুটির খুবই প্রয়োজন। আমরা সেতুটি নির্মাণের জন্য গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছি। প্রকল্প অনুমোদন পেলে তা বাস্তবায়ন করে সেতুটি নির্মাণ করা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
দিনাজপুরে কেজিতে ১০-২৫ টাকা বেড়েছে নতুন আলুর দাম
হাটহাজারীতে দূর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো হাইচ চালকের
লাকসামে লীট হেলথ কেয়ার হসপিটাল প্রাঃ লিঃ এর উদ্যোগে প্রাইমারী হেলথ কেয়ার শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
দৈনিক সকালের সময়ের ১ দশকে পদার্পণ উপলক্ষ্যে হিলিতে কেককাটা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
রাজস্থলী কুদুমছড়া বৌদ্ধ বিহারে পাঁচ দিনব্যাপী বিদর্শন ভাবনা নানা আয়োজনের সম্পন্ন
মোহনগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান ও গোচারণভূমি দখলের অভিযোগ
দিগন্ত জুড়ে হলুদে রাঙা ক্ষেতলাল, সরিষা ফুলে হাসছে মাঠ
মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ভূরুঙ্গামারীতে অসহায় বৃদ্ধের পাশে শ্রী পরিমল চন্দ্র সাহা
সুনামগঞ্জে গৃহবধূ সুমি দাশের আত্মহত্যা এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর, স্বামী কারাগারে
একনজরে লক্ষ্মীপুর জেলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
পাঁচবিবিতে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার