ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

চব্বিশের বন্যায় ভেসে গেছে সেতু: পুনঃনির্মাণ না হওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ


হারুন অর রশিদ, নালিতাবাড়ী photo হারুন অর রশিদ, নালিতাবাড়ী
প্রকাশিত: ২১-৯-২০২৫ দুপুর ৩:৩৩

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে আমবাগান বাজার সংলগ্ন চেল্লাখালী নদী পারাপারে কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র বাহন নৌকা। আমবাগান বাজার থেকে উত্তরে ১ মিনিট হাঁটলেই চেল্লাখালী নদীর বাতকুচি ঘাট। গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় স্টিলের সেতুটি ভেসে যাওয়ায় আমবাগান বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে এই ইউনিয়নের বাকি গ্রামগুলো।

উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি চেল্লাখালী নদী। বর্তমানে নদী পারাপারে নৌকা তাদের একমাত্র ভরসা। নদী পার হলেই শুরু পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বাতকুচি, টিলাপাড়া, লক্ষিকুড়া, মেছকুড়া, তোয়ালকুচি, ছাইচাকুড়া, ধোপাকুড়া গ্রাম ও ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স।

এসকল গ্রামের মানুষকে বাতকুচি ঘাটে রশিটানা নৌকা দিয়ে প্রতিদিন যেতে হয় স্থানীয় বাজার কিংবা উপজেলা সদরে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এভাবেই পারাপার হতে হয়। আর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা উপজেলা প্রশাসনের কোনো গাড়ি বিশেষ বিশেষ কাজে ওই এলাকায় যাওয়ার প্রয়োজন হলে বারোমারী বাজার কিংবা নন্নী দিয়ে অতিরিক্ত ১০-১৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। সেতু ভেসে যাওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও নির্মাণের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় দুর্ভোগ কমছে না ওই এলাকার বসিন্দাদের।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, রশিটানা নৌকায় জনপ্রতি ৫ টাকা দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা। নৌকায় ওঠার জন্য কোন অবকাঠামো না থাকায় বৃদ্ধ ও স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও মহিলারা নৌকায় ওঠার সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ফলে মানুষের যাতায়াত বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসমত আলী বলেন, ‘ব্রীজটি ভেসে গেছে এক বছর হলেও কেউ এখনো খোঁজ নিতে আসেনি। ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যেতে পারিনা। দ্রুত এই ব্রীজটি নির্মাণ করা না হলে আমাদের দুর্ভোগ কমবেনা’।

অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, ‘বাতকুচি ঘাট দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করি। আগে একটা স্টীল ব্রিজ ছিলো। গত বন্যায় এটাও ভেসে গেছে। এখন চলাচল করতে কষ্ট হয়।’

পোড়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা জামাল উদ্দিন জানান, এই ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামই নদীর ওপারে। আমবাগান বাজার সংলগ্ন বাতকুচি ঘাটে নতুন করে সেতু হলে এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবসা বাণিজ্যসহ স্কুল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের আর অসুবিধা থাকবে না। চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতির তালিকায় এই সেতুর নাম উল্লেখ করে আমরা উপজেলায় জমা দিয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল জানান, যাতায়াতের জন্য সেতুটির খুবই প্রয়োজন। আমরা সেতুটি নির্মাণের জন্য গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছি। প্রকল্প অনুমোদন পেলে তা বাস্তবায়ন করে সেতুটি নির্মাণ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

রৌমারীতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামুনে রেখে ৩নং বন্দবেড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

সিংড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট বাস টার্মিনালে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

মনিরামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাবুগঞ্জের চাঁদপাশায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সূচনা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড

দোহাজারীকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগ

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সার্জেন্টের হত্যার প্রতিবাদে বাদশাগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রাণীনগরে আম বাগানে হলুদ চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

রাঙ্গামাটিতে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

ধামরাইয়ে পূজামণ্ডপে জিআর চাল ও আর্থিক অনুদান বিতরণ

নোয়াখালীর সদরে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪