ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

মনপুরায় অবৈধ স-মিল দিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা,ধ্বংস করা হচ্ছে বনাঞ্চল


মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, মনপুরা photo মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, মনপুরা
প্রকাশিত: ১-১১-২০২৫ দুপুর ২:৫

ভোলার মনপুরা উপজেলায় সরকারী অনুমোদন ছাড়াই যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ স-মিল। কোন নিয়মনীতি না মেনে এসব অবৈধ করাত কল চলছে আর প্রতিদিন কাটা হচ্ছে বনজ, ফলদসহ নানা প্রজাতির গাছ। রাতে দিনে সব সময় সচল থাকে এসব স-মিল। স-মিলের আশপাশের বাড়িতে বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে ভূক্তভোগীদের। কোনভাবেই লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না এসব অবৈধ স-মিলের মালিকদের। বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। তাই দ্রুত অবৈধ স-মিল অপসারণ ও আইনের আওতায় আনার দাবিও তাদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন এ প্রায় ৫০ টির ও বেশি  স-মিল রয়েছে। লাইসেন্স ছাড়াই যুগের পর যুগ এসব স-মিলের মালিকরা রমরমা ব্যবসা করে আসছে। স-মিল চালানোর ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ম নীতি থাকলেও উপজেলা জুড়ে এ চিত্র ভিন্ন। প্রশাসনের নাকের ডগায় এই সকল অবৈধ স-মিল চললেও প্রশাসন যেন দেখেও না দেখার ভান করে চলছে । অধিকাংশ স-মিল সড়কের পাশে অবস্থিত আর সড়কের দু'পাশে ফেলে রেখেছে হাজার হাজার  গাছের গুঁড়ি। ফলে লোকজন মূল সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। যার কারণে ঘটছে  দুর্ঘটনা। বন ও পরিবেশ বিভাগের তদারকির অভাবে রাস্তার পাশ,স্কুল , বাজার  এলাকায় স্থাপিত হয়েছে এসব স-মিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৩৭৩ বর্গ কিলোমিটারের মনপুরা দ্বীপ এই মনপুরা দ্বীপ উপজেলা জুড়ে সর্বত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে এসব স-মিল। স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এসব অবৈধ স-মিল ব্যবসা করে আসছে। 

মনপুরা উপজেলার ৩ নং উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজারে অবস্থিত  শরিফ পাটোয়ারী  স-মিলের মালিক শরিফ পাটোয়ারী বলেন, আমার স-মিলের ট্রেড লাইসেন্স আছে। আমরা কোন অবৈধ গাছ কাটিনা। 

মনপুরা উপজেলায় প্রায় ৫০টির বেশী স’মিল রয়েছে, এরমধ্যে ২ নং হাজীরহাট ইউনিয়ন এ হাজীরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় দুইটি স- মিল রয়েছে। এবং বাংলাবাজার সংলগ্ন সড়কের পাশে দুই টি স- মিল রয়েছে এছাড়াও রামনেওয়াজ, চৌধুরী বাজার, চৌমুহনী, ফকিরহাট, ভূইয়ার হাট, আনন্দ বাজার, মাষ্টার হাট, সিরাজগঞ্জ বাজার, কোড়ালিয়া বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার,স্কুল, মাদ্রাসা  সংলগ্ন ও লোকালয়ে এসব অবৈধ সমিল রয়েছে।

যদিও স-মিল স্থাপন বিধিতে বলা হয়েছে, সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান ও জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানের ২০০ মিটার এবং সরকারি বনভূমির সীমানার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে স-মিল স্থাপন করা যাবে না। এ ছাড়া সকাল ৬টার আগে এবং সন্ধ্যা ৬টার পরে স-মিল চালানো যাবে না। সেইসাথে স-মিল চালানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তার পরেও সরকারি সব বিধিনিষেধ উপেক্ষিত হচ্ছে এসব স-মিলে'র রমরমা ব্যবসা।

লাইসেন্স না থাকার ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স-মিল মালিক জানান, তারা লাইসেন্স ছাড়াই চলতে পারছেন। তাই লাইসেন্স করার দরকার কী। লাইসেন্স পেতেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় তাই এভাবেই চলছেন তারা।

এমএসএম / এমএসএম

উজিরপুরে কাওসার হত্যাকারীদের ফাসির দাবীতে মানবন্ধন করেছে এলাকাবাসী

তজুমদ্দিনে মৎস্য অভিযানে ২১জেলে আটক

মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: আইজিপি

শিশিরভেজা ঘাস আর কুয়াশার পরশে দুমকিতে শীতের আভাস

হাতিয়ায় ১৫ লাখ টাকার পাম ওয়েল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড

মাদারীপুর আড়াই শ' শয্যা জেলা হাসপাতালের ৯ কোটি টাকার টেন্ডার হ্যাক

জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবেঃ পানি সম্পদমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বহিরাগতদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ ইসির

নতুন কুড়ি স্পোর্টস সিজন ২ তে অংশ নিবে ১৪ লক্ষ ক্রীড়াবিদ: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২ কেজি ৬৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

রায়গঞ্জে সরকারি খুঁটি-তার সরানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু

নড়াগাতীতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের মূল ফটকের বাউন্ডারি ভেঙ্গে নথিপত্রসহ সামগ্রী যন্ত্রাংশ গায়েব