বগুড়ার শাজাহানপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. বকুল ইসলাম তার প্রতিবেশী ফুল মাহমুদের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা, মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন এবং ক্ষতিপূরণের অর্থ আত্মসাতের অপচেষ্টার অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে তিনি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বগুড়া প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে ন্যায় বিচার চেয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৩ নভেম্বর বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ফুল মাহমুদ তার (বকুল ইসলামের) স্বত্বদখলীয় জমির মালিকানা দাবি করে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করেছেন।’ অভিযোগে জানা যায়, ফুল মাহমুদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও আরও তিনজন এসএ ৩৩০৮ দাগে ১০ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ এবং ৩৩০৯ দাগে ৩ শতাংশসহ মোট ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে সেই জমির চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল তুলে সেখানে একটি সিএনজি গ্যারেজ নির্মাণ করে ভোগদখলে রয়েছেন। অন্যদিকে, এসএ খতিয়ানের মালিক মুনছুর রহমান মণ্ডলের কাছ থেকে ১৯৭২ সালে আবু তালেব মণ্ডল ৩৩০৮ দাগের সম্পত্তি ক্রয় করেন। পরে আফজাল হোসেন খান ১৯৯৬ সালে ওই দাগসহ ৩৪ শতাংশ জমি আবু তালেব মণ্ডলের কাছ থেকে ক্রয় করেন। এরপর আফজাল হোসেনের কাছ থেকে ২০১৯ সালে তিনি (বকুল ইসলাম) ৪.২৭ শতাংশ জমি (বর্তমান আরএস দাগ ৩৮২১) ক্রয় করেন। বকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ক্রয়কৃত জমির হাত নকশায় পজিশন পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে। বাস্তবে জমিটি দক্ষিণ পাশে অবস্থিত, আর ফুল মাহমুদের স্ত্রীর জমি উত্তর পাশে।’ তিনি জানান, মহাসড়ক প্রশস্ত করার সময় তার জমি থেকে ০.৯৪ শতাংশ এবং ফুল মাহমুদের স্ত্রীর জমি থেকে ১.৫৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখা থেকে উভয় পক্ষের নামে পৃথক চিঠি ইস্যু করা হয়। কিন্তু ফুল মাহমুদ অন্যায়ভাবে তার ক্ষতিপূরণের অর্থ উত্তোলনের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে পুরো আড়াই শতকের ক্ষতিপূরণের টাকা অন্যায়ভাবে দাবী করছেন। বকুল ইসলাম দাবি করেন, দীর্ঘদিন যাবত তার দখলীয় জমির ওপর একটি চালু স’মিল রয়েছে। ‘সার্ভেয়ারগণ জমির বাস্তব দখল যাচাই করে প্রতিবেদন দেন, মালিকানা নির্ধারণ করার এখতিয়ার তাদের নেই। কিন্তু ফুল মাহমুদ সার্ভেয়ারগণের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে বগুড়া জেলা প্রশাসনের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, সার্ভেয়ারগণ ইচ্ছা করলেও আমার জলজ্যান্ত দখল অস্বীকার করে ফাতেমা গংদের পক্ষে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারতেন না। তিনি বলেন, অতীতে যখনই এলএ শাখা থেকে তদন্ত করেছেন, তখনই ফুল মাহমুদ তদন্ত কর্মকর্তাদের তদন্ত কাজে বাধা দিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে তদন্ত কাজে বাধা দেয়ার অপচেষ্টা করেছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, ‘ফুল মাহমুদ একজন মামলাবাজ, মিথ্যাবাদী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির ব্যক্তি। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন। তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা যে কোনো সময় আমার প্রাণনাশ করতে পারে।’ তিনি এ ব্যাপারে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
Aminur / Aminur
ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতি সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী
লালমাই পাহাড়ের ‘সিলগালা’ কূপ ঘিরে রহস্য- ২০০৪ সালে গ্যাসের সন্ধান, কৌতূহলে স্থানীয়রা
দৌলতখানে সাজেদা ফাউন্ডেশনের 'স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০' প্রকল্পের লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত
কালকিনিতে জেলেদের চাল নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের চালবাজী!
সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের কবল থেকে ২ হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত
হাতিয়ায় নিখোঁজ শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার
রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে মেহেরপুরে সেমিনার অনুষ্ঠিত
মধুখালীতে নওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আটক
ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য