প্রতারণার বিচার চাওয়ায় কুয়েত প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি, সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিচারপ্রার্থী হওয়ায় কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমানকে একটি প্রতারক ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ করেন। কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান পৌরসভার গাজিটেকা এলাকার মৃত মুহিবুর রহমানের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাহবুবুর রহমান বলেন, তিনি একটি প্রতারক ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট চক্রের প্রতারণার শিকার। এর মূলহোতা তারই নিকট আত্মীয় একই এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে আব্দুল কাইয়ুম ও দিলারা জামান। প্রবাস জীবনের সকল সঞ্চয় দিয়ে তিনি তাদের কাছ থেকে বড়লেখা বাজারে একটি মার্কেট ক্রয় করেন। অভিযুক্তরা তাকে জানায়, বড়লেখা বাজারে তাদের দেড় শতক ভূমিতে একটি ৩ তলা মার্কেট আছে এবং বাবা মারা যাওয়ার আগে তা দুই ভাইয়ের নামে দিয়ে গেছেন। এছাড়া আব্দুল কাইয়ুম তার ভাই দুবাই প্রবাসী শাকুর আহমদের কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এনেছেন বলেও আশ্বস্ত করেন। দুবাই গিয়ে শাকুর আহমদের সঙ্গে দেখা করলে তিনিও মার্কেটটি কিনে নিতে আশ্বস্ত করেন।
মার্কেটের দাম নিরানব্বই লক্ষ টাকা নির্ধারণ করে তিনি আব্দুল কাইয়ুমের সাথে ডিড করেন এবং ৪টি চেকের মাধ্যমে পুরো টাকা দেন। কথা ছিল তিন মাস পরে রেজিষ্ট্রী করে মার্কেট হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্যে তারা ৩টি চেকে ৭৪ লাখ টাকা উত্তোলন করে নেন। যথাসময়ে মার্কেট বুঝিয়ে না দেওয়ায় টালবাহানা শুরু করেন আব্দুল কাইয়ুম। কিছুদিন পরে তিনি জানতে পারেন, আব্দুল কাইয়ুম এই মার্কেট তাকে বিক্রি করার আগেই অন্য একজন ব্যক্তি (দ্বীপক বাবু) এর কাছে বিক্রি করেছিলেন এবং সময়মতো হস্তান্তর না করায় মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন। প্রবাস জীবনের সবটুকু সঞ্চয় দিয়ে মার্কেটটি কেনা হয়েছিল, তাই এই খবর শুনে তিনি ভেঙে পড়েন।
কাইয়ুমের পরিবার তাকে আশ্বস্ত করলে তিনি ২০২২-২৩ সাল অপেক্ষা করেন। পরে কাইয়ুম হাইকোর্ট থেকে জামিনে বের হলেও আবার টালবাহানা শুরু করেন এবং একসময় জানিয়ে দেন তাকে ও দ্বিপক বাবু কাউকে মার্কেট দিবেন না। পরে দেশের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি সেনাবাহিনীর সাহায্য নেন। মেজরের পরামর্শে তার স্ত্রীকে দেশে পাঠান এবং প্রতারক আব্দুল কাইয়ুম ও দিলারা জামানের সাথে একটি ঘরোয়া মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় কাইয়ুম তাকে চারটি চেকে ডিসেম্বর ২০২৪ এর মধ্যে ক্ষতিসহ টাকা ফেরত দিবেন। কিন্তু একটি চেকও পাশ হয়নি। এরপর তিনি জমি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করবেন বলে আরও সময় নেন। কোনো জায়গা বিক্রি না করায় উক্ত টাকার পরিবর্তে আলোচনা সাপেক্ষে ৮৪.০৫ শতাংশ জমি দলিল করে দেন। পরে মাহবুবুর রহমান জানতে পারেন ভূয়া দলিলের ভূমি নিজের নামে তৈরি করে তিনি তার কাছে বিক্রি করেছেন এবং প্রকৃত মালিক আব্দুল কাইয়ুম নন। বিক্রিত জমির দখলও মেলেনি। এসব প্রতারণার ব্যাপারে কথা বলায় প্রতারক চক্র তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এব্যাপারে বাড়াবাড়ি করলে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারেরও ভয় দেখাচ্ছে। ইতমধ্যে মঙ্গলবার রাতে তার বাড়িতে তাকে খুঁজতে পুলিশ গিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
এমএসএম / এমএসএম
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলার সুধীজন ও কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা
সিংড়ায় ত্রাণ গোডাউনের উদ্বোধন
সাভারে ইনসাব'র উপজেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাসুদ রানা পলিন
গজারিয়া পুকুরপাড় থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন: পুষ্টি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়
হাম ও হাম সন্দেহে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
নোয়াখালীতে দারোয়ানের কক্ষে বিদেশি মদের আস্তানা, আটক ১
বারহাট্টায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন
স্ত্রীর পরকীয়ার জের ধরে চাচাতো ভাইকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ফেরি থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার-১
অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই সন্ত্রাসীদের হাতে জীবন দিতে হলো শাহাদাত হোসেনকে