ঢাকা রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

তাড়াশে শিমুল গাছ বিলুপ্তির পথে

বসন্তে অপরুপ সাজে সেজেছে পলাশ


তাড়াশ প্রতিনিধি photo তাড়াশ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫-২-২০২৬ দুপুর ১:৯

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির আঙ্গিনায় ফাল্গুনে অপরূপ সাজে সেজেছে শিমুল গাছ। এ গাছকে পলাশ গাছও বলা হয়। শুধু তাই-ই নয় গাছে গাছে সবুজ পাতা, আম্র মুকুল আর শিমুল ফুল দেখে বুঝে নিতে হবে শীত বিদায় দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। আর ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে আবহমান গ্রাম বাংলার প্রকৃতি রাঙিয়ে তুলেছে নয়নাভিরাম শিমুল ফুল সাথে কোকিলের সুমিষ্ট কুহুডাক। তবে কালের বিবর্তনে ফাগুনে চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙের অপরূপ সাজে সজ্জিত শিমুল গাছ এখন অনেকটাই বিলুপ্ত পথে। তাড়াশেও এর ব্যতিক্রম নয়। তাড়াশ উপজেলার গ্রাম এলাকায় অধিকাংশ বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তায়, পতিত ভিটায় মাত্র এক যুগ আগেও দেখা যেত প্রচুর শিমুল গাছ। প্রাকৃতিক ভাবে তুলা আহরণের অন্যতম প্রধান উৎস্য শিমুল গাছ। 
জানা যায়, এ গাছের সব অংশেরই রয়েছে ভেষজগুণ। শীতের শেষে শিমুলের পাতা ঝরে পড়ে। বসন্তের শুরুতেই গাছে ফুল ফোটে। আর এ ফুল থেকেই হয় ফল। চৈত্র মাসের শেষের দিকে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে ফলগুলো পেঁকে শুকিয়ে যায়। বাতাসে আপনা-আপনিই ফল ফেটে প্রাকৃতিক ভাবে উড়তে থাকে তুলা। তুলার সাথে উড়ে উড়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়া বীজ থেকেই জন্ম নেয় নতুন গাছ। সাধারনত শখ করে অন্যান্য গাছের মত এ গাছ কেউ রোপণ করে না। নেওয়া হয় না কোন যত্ন। গাছগুলো প্রাকৃতিক ভাবেই বেড়ে ওঠে। অতীতে নানা ধরনের প্যাকিং বাক্স তৈরি ও ইট ভাটার জ্বালানি, দিয়াশলাইয়ের কাঠি হিসেবে ব্যবহার করা হত শিমুল গাছ। বর্ষায় ছোট ডিঙ্গি নৌকা তৈরীতে শিমুল কাঠের বিকল্প নেই। শিমুল গাছ এতো প্রয়োজনীয় হওয়া স্বত্বেও সেই তুলনায় এই গাছ রোপণ করা হয় না। ফলে বিলুপ্তির পথে আজ শিমুল গাছ। 
উপজেলার নওগাঁ গ্রামের শতবর্ষি প্রবীণ ব্যক্তি জমিরণ নেছা বলেন, আগে গ্রাম ও রাস্তার ধারে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এখন আর তেমনটা দেখা যায় না।
তাড়াশ সদরের লেপতোষক তৈরির কারিগর নাজমুল জানান, শিমুল তুলা তেমনটা আর পাওয়া যায় না। বর্তমানে বাজারে সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কেজি। আর গার্মেন্টেস এর জুট দিয়ে তৈরি তুলা প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, কার্পাশ তুলা ২৬০ টাকা এবং ফোম ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
শিমুলগাছ বিষয়ে রাজশাহী সামাজিক বনায়ন বিভাগের বন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাণিজ্যিক ভাবে এখন দেশের কোথাও এই শিমুলগাছ চাষ করা হয় না। এটি প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে ওঠে। যার কারণে শিমুলগাছ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। এর তুলা খুবই ভাল। তুলা চাষ বৃদ্ধির জন্য স্বল্প আকারে হলেও তুলা গাছের চারা তৈরি করে জনগণের মাঝে বিতরণ করা প্রয়োজন।

এমএসএম / এমএসএম

মানিকগঞ্জে কাচ্চি ডাইনের খাবার খেয়ে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি

ঘোড়াঘাটে অটো ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে বিএনপির পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নবনির্বাচিত এমপি লুৎফর রহমান খান আজাদের সংবাদ সম্মেলন

মুরাদনগরে ‘ডাবল হ্যাটট্রিক’ করা এমপি কায়কোবাদের, মন্ত্রিসভায় থাকার গুঞ্জন

হাতিয়ার ঘটনায় দায়িত্বশীলদের চূড়ান্ত মন্তব্য সমীচীন মনে করি না: নাছির

বাগেরহাটে শিশু মেয়ের লাশ উদ্ধার

বসন্তে অপরুপ সাজে সেজেছে পলাশ

আবুল কালামকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লাকসাম-মনোহরগঞ্জ’র জনগণ

নির্বাচন ব্যস্ততায় প্রশাসন, ভূরুঙ্গামারীতে নদী থেকে বালু উত্তোলনের মহাউৎসব

শেরপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রাশেদুল: 'আমি শেরপুরের সাড়ে ৪ লাখ ভোটারের এমপি'

বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যের মৃত্যু

‎গলা কেটে ছিনতাইয়ের ১মাস পর অটো রিকশাসহ ৫জনকে আটক করছে পুলিশ

শ্যামনগরে প্রস্তাবিত সুন্দরবন দিবস পালিত