চট্টগ্রাম বন বিভাগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ড. মোল্লা রেজাউল করিম এর বদলি
বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন সংরক্ষক ড. মোল্লা রেজাউল করিমের বদলি আদেশ জারি করেছেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
জানা যায় চট্টগ্রাম অঞ্চল বন বিভাগের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিমকে নিয়ে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তার বদলি আদেশ জারি করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। আজ ২৪ শে মার্চ ২০২৬ইং উপ-সচিব দিল আফরোজা বেগম স্বাক্ষরিত আদেশের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটলো এক বিতর্কিত অধ্যায়ের।যার মূলে ছিল ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে প্রভাবশালী হয়ে ওঠার এক অভিনব কৌশল। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কোটি টাকার বিনিময়ে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানের ঘনিষ্ঠতা পুঁজি করে নিজেকে মুখোশধারী জামায়াত ঘরানার পরিচয় দিয়ে তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) হিসেবে আসীন হন। দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই তিনি তথাকথিত ‘মোল্যা বাহিনী’ গঠন করে বন বিভাগে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল বদলি বাণিজ্য, জোত পারমিট জালিয়াতি, বনভূমি ধ্বংস ও বিক্রির মাধ্যমে অর্থ লোপাট করা। এমনকি বাগান সৃজন ও রক্ষণাবেক্ষণের সরকারি তহবিল থেকেও বড় অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। মাত্র একদিনে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করে প্রায় ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা তাকে ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ হিসেবে পরিচিতি পেতে সাহায্য করেন। ড. মোল্লা রেজাউল করিমের ব্যাপক অনিয়মের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার কার্যালয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়ে ১৩টি গুরুতর অভিযোগের তদন্ত শুরু করে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করে সাতটি সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পায়। যদিও মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব তদন্ত কমিটি সাবেক উপদেষ্টার প্রভাবের কারণে গতিহীন ছিল বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ড. মোল্যার অতীত রাজনৈতিক সুবিধাবাদের চিত্রও বেশ স্পষ্ট, যেখানে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে তৎকালীন উপমন্ত্রী হাবিবুর নাহারকে ‘মা’ সম্বোধন করে তিনি অত্যন্ত লাভজনক বা গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংগুলো বাগিয়ে নিতেন। সে সময়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন সংরক্ষক থাকাকালীন তিনি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে অতি-উৎসাহী ভূমিকা পালন করেন। এর অন্যতম প্রমাণ হিসেবে গাজীপুরের ওয়ান ডেনিম মিলস লিমিটেডকে কেন্দ্র করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বনভূমি দখলদার ও অপরাধী সাজিয়ে মামলা দেওয়ার জন্য তৎকালীন ডিএফও কাজল তালুকদারকে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আওয়ামী সরকারের অপরাজনীতির বাহক হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি এখন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন বিভাগের এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এমএসএম / এমএসএম
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে পুনরায় জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করলেন কবি: সাংবাদিক বিল্লাল বিন কাশেম
এফডিসি লুটে খেতে চায় ডিজে সোহেল
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৫ ইউনিট
‘জল তরঙ্গ’ প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে এমটিবি ফাউন্ডেশনের বিশ্ব পানি দিবস উদযাপন
ঢাকা দক্ষিণ ও পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য
বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের
প্লাস্টিক পানির বোতল ব্যবহারে ফিরছে সচিবালয়
সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেনঃ হজ টিমের সদস্যদের প্রতি ধর্মমন্ত্রী
ভাইরাল অডিও, প্রশ্নবিদ্ধ ন্যায়বিচার: চাপে মাঠ প্রশাসন
কাছাইট ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মিলাদ মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী
যাত্রাবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি কাজের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
ন্যাশনাল রিপাবলিকান পার্টির শুভেচ্ছা