বেবিচকে স্থবিরতা, সিদ্ধান্তহীনতায় থমকে আছে কার্যক্রম
* চেয়ারম্যান দপ্তরে ফাইলের স্তূপ, দীর্ঘদিন ধরে পেন্ডিং বিভিন্ন প্রকল্প
* নতুন এপিপি অনুমোদন স্থগিত, কাজ না পেয়ে বিপাকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো
* খোলা আকাশের নিচে ঝুঁকিতে শত কোটি টাকার আমদানি পণ্য
* আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশে নতুন সরকার গঠিত হলেও দেশের অন্যতম লাভজনক স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এ স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে। সিদ্ধান্তহীনতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বদলির গুঞ্জনে এমন অবস্থা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করছে। এছাড়াও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার মূল কারণ হিসেবেও দেখছেন সুত্রটি।
একাধিক সুত্র জানায়, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইলগুলোর অনুমোদন হলেও চেয়ারম্যান দপ্তর পর্যন্ত পৌঁছালেও দীর্ঘদিন ধরে সেগুলো পেন্ডিং অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়াও নতুন কোনো এপিপি (Annual Procurement Plan) অনুমোদন না হওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন একাধিক ঠিকাদার। ফলশ্রুতিতে একদিকে যেমন উন্নয়ন কার্যক্রম থমকে আছে, অন্যদিকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে চরম সংকটে।
কাজ না থাকা কিংবা সম্পন্ন করা কাজের বিল সময়মতো না পাওয়ায় একাধিক ঠিকাদার কোম্পানির আর্থিক অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। অনেক ঠিকাদার জানিয়েছেন, কাজের এস্টিমেট অনুমোদিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে টেন্ডারের আহ্বান করা হচ্ছে না। আবার কোনো কোনো ফাইল চেয়ারম্যান দপ্তরে জমা দেওয়ার পর মাসের পর মাস ঝুলে থাকে—যা এখন অনেকের কাছেই ‘ওপেন সিক্রেট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা ইতিপূর্বে কখনো ঘটেনি, এ প্রতিষ্ঠানের এমন ঘটনাকে বিরল বলে আখ্যা দিয়েছেন অনেকেই।
গত বছরের আগস্ট মাসে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও বেবিচকের ব্যবস্থাপনা দুর্বলতার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং দেশের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বেবিচকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এদিকে ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং পণ্যের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আসে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো আধুনিক গোডাউন বা শেড না থাকায় বিপুল পরিমাণ আমদানি পণ্য খোলা আকাশের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এতে শত শত কোটি টাকার পণ্য ও রাজস্ব ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এ পরিস্থিতির দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারে না সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মান ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
মোহাম্মদপুরে যুবদলের ঈদ পুনর্মিলনী ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত
বনানী কবরস্থানের পাশে শহীদের স্পা সেন্টারে চলছে দেহব্যবসা ও মাদক বাণিজ্য
আরইবির সদস্য আব্দুর রহিম মল্লিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
সবুজবাগ থানার এসআই সৈকত কাইয়ুমসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ চার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ
মুগদার মানিকনগরে গভীর রাতে প্রাইভেটকার থেকে ৩২ কেজি গাঁজা পাচারের অভিযোগ, গাড়ি জব্দ
মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জাল টাকা ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেফতার
স্বাচিপের আজীবন সদস্য হয়েও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক
বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা বসাস এর ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
RRTC: দক্ষিণ এশিয়ার অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিগন্ত
হাম প্রতিরোধে আরহাম শাদমান চৌধুরীর নেতৃত্বে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করল শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত হচ্ছে আঞ্চলিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় হুমকি
সাভারে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আজ মানববন্ধন