ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা

‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১-৪-২০২৬ রাত ৮:৫৫

ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকারি দল ও বিরোধী দল। সেখানে অনেক তরুণ নারী নেতৃত্ব স্থান পেয়েছেন। তবে সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়েও ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে হেরে যাওয়া ডা. তাসনিম জারা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে কোন দল থেকে তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি উল্লেখ করেননি।
তাসনিম জারা ফেসবুক পোস্টে বলেন, আজ ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ। সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তা ফিরিয়ে দিয়েছি।
তিনি বলেন, সংসদে গিয়ে মানুষের স্বার্থের পক্ষে কথা বলার সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনে আমি বলেছিলাম যে সংরক্ষিত নারী আসন পূরণ হওয়া উচিত জনগণের সরাসরি ভোটে, দলীয় মনোনয়নে নয়। এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছি, ক্যাম্পেইন করেছি, আপনাদের স্বাক্ষরও নিয়েছি। এমপি হওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার পর ভিন্ন অবস্থান নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। আজ যারা সংসদে যাচ্ছেন, তাদের নিয়ে আমার এই মন্তব্য নয়। তাদের অনেকেই অত্যন্ত যোগ্য মানুষ। আমি তাদের সফলতা কামনা করি।
তাসনিম জারা বলেন, আমার অবস্থানটি সিস্টেম নিয়ে। যিনি জনগণের ভোটে সংসদে যান, তিনি তার ভোটারদের কাছে জবাবদিহি করেন। প্রয়োজনে দলের বিরুদ্ধেও কথা বলতে পারেন। যিনি দলীয় মনোনয়নে সংসদে যান, তার কোনো নির্বাচনী এলাকা থাকে না, কোনো ভোটার থাকে না। এটি কোনো ব্যক্তির সততার প্রশ্ন নয়, বরং কাঠামোগত দুর্বলতার প্রশ্ন। মানুষ যার কাছে জবাবদিহি করে, শেষ পর্যন্ত তার স্বার্থই রক্ষা পায়। বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশী জনসংখ্যা নারী। তাদের প্রতিনিধিত্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আসা উচিত। সংরক্ষিত আসন যদি থাকতেই হয়, সেগুলোও জনগণের ভোটে নির্ধারিত হোক।
তিনি বলেন, আমি ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলাম। মাত্র ১৯ দিনের প্রচারে, পোস্টার ছাড়া, মিছিল ছাড়া, নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা মেনে, ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছিলেন। নির্বাচনের দিন যে অনিয়ম হয়েছিল, তার দলিল আমরা রেখেছি। ফলাফলও মেনে নিয়েছি। আমি যদি কখনো সংসদে যাই, আপনাদের ভোটেই যাব। সংসদের বাইরে থেকেও সমাজের জন্য কাজ করা সম্ভব। আমি সেটাই চালিয়ে যাবো।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন ডা. তাসনিম জারা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এনসিপির হয়ে প্রার্থীও হয়েছিলেন। জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে নির্বাচনী জোটে এনসিপি যুক্ত হলে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হন। 

 

Aminur / Aminur

‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’

সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের

শাহজালাল বিমানবন্দরে নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার উদ্বোধন

রাজউকে আধুনিক কল সেন্টার চালু: ঘরে বসেই মিলবে তথ্য ও সেবা

তুরাগে অটোরিক্সা চালক হত্যা: ২ গ্রেফতার

চলে গেলেন আনসার ভিডিপি ব্যাংকের সেই জয়নাব খাতুন

‎হজের টাকা নিয়ে চরম প্রতারণা  (এফ এম ট্যুরস’ এন্ড ট্রাভেল) হজযাত্রীর নিবন্ধন বাতিল

আট বছরেও শেষ হয়নি (গৃহসুচনা )প্রকল্পের কাজ, দুর্নীতির মাধ্যমে বিল দেয়ার অভিযোগ

বর্তমান সরকারের ২ মাস পূর্তি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেকদের নিয়ে প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ৫ বছর পূর্ণ করল দৈনিক আজকালের কণ্ঠ

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কৃতি সন্তানদের সম্মাননা প্রদান