রৌমারীতে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের সরকারি বরাদ্দের অর্থ নয়ছয় করে প্রশিক্ষনার্থিদের বরাদ্দের নাস্তার টাকা, প্রশিক্ষকগণের সম্মানী,পরিদর্শকের নাস্তা ও খাবার, প্রশাসনিক খরচের টাকাসহ মোট প্রায় দের লক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত,ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল করিমের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে এপ্রিল মাসে সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে পিইডিপি-৪ থেকে ৬৬৬ জন প্রশিক্ষনার্থীদের বরাদ্দকৃত ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৩৯৮ টাকা। প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকের খাবার ভাতাসহ উপকরণ, প্রশিক্ষকদের সম্মানি ভাতা নয়ছয় করে আত্মসাতের অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে।
চাহিদা ভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার ৬৬৬ জন প্রশিক্ষণার্থীদের স্থলে প্রতিসাব-ক্লাস্টারে ৩০ জন করে প্রশিক্ষনার্থী ২১ টি সাব-ক্লাস্টারে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা থাকলেও নীতি বহির্ভুত ভাবে ৬৬৬ জন শিক্ষককে ৯ টি সাব-ক্লাস্টারে গাদাগাদি করে প্রশিক্ষন শেষ করা হয়েছে। সরকারি ভাবে প্রতি ক্লাস্টারে ২৩ হাজার ২০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এতে প্রশিক্ষনার্থীদের নাস্তাসহ খাবার ৫শত ৪০ টাকা ও উপকরণ ৬০ টাকাসহ ৬০০ টাকা এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী ভাতা ১২০০ টাকা, নাস্তা ও খাবার ও উপকরণসহ ৬০০ টাকা মোট ১৬০০ টাকা।
তবে বিল ভাউচারে ৬০০ টাকা দেখিয়ে প্রশিক্ষনার্থীদের দেয়া হয়েছে নগদ ২০০ টাকা, খাবার ১২০ টাকা ও উপকরণ ১৫ টাকার খাতা কলম। নাস্তার টাকা ব্যায় না করিয়ে, তার দায়ভার দেয়া হয় সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের উপর। প্রশিক্ষনার্থিদের বরাদ্দের টাকা, নাস্তার টাকা, প্রশিক্ষকগণের সম্মানী,পরিদর্শকের নাস্তা ও খাবার, প্রশাসনিক খরচের টাকাসহ নয়ছয় দেখিয়ে, প্রায় দেও লক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, গত এপ্রিল মাসের ৯ টি ভেনুতে এ সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে অনেকেই, নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকগণ বলেন, মোট ৬৬৬ জন প্রশিক্ষনার্থীদের প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য সরকার বরাদ্দ দিয়েছে। এতে ২১ টি সাব-ক্লাস্টারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা থাকলেও, ৯টি সাব-ক্লাস্টারে গাদাগাদি করে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সকালের নাস্তা দিয়েছে সাব-ক্লাস্টার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একজন প্রশিক্ষনার্থির নাস্তা, খাবার ও উপকরণসহ ৬০০ টাকার স্থলে, দেয়া হয় দুপুরের খাবার ১২০ টাকামুল্যের ১ প্যাকেট, উপকরণ হিসাবে দেয়া হয়, একটি কলম ও ছোট একটি প্যাড, যাহার মূল্য ১৫ টাকা। পরে সম্মানী হিসাবে ২০০ টাকা করে দেয়া হয়েছে। প্রশিক্ষনার্থিদের পিছে ব্যয় ৩৪৫ টাকা। অন্যদিকে ৬৬৬ জন প্রশিক্ষকের নামে বরাদ্দ হলেও প্রায় ১০০ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণে আসেনি। নীতিমালায় রয়েছে, প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন না করিলে তাদের বরাদ্দের টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয় নি।
এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল করিম বলেন, আমি কারোও একটি টাকাও কম দেইনি। পাইপাই করে সকল শিক্ষকের টাকা বুঝিয়ে দিয়েছি। যারা আমার বিরুদ্ধে এমন কথা বলছে সব মিথ্যা। এগুলো লেখা লেখি করলে কিছুই হবেনা। তবে একটু সম্মান হানি হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এবিষয়টি যেনে কথা বলতে বলবো। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। আর নতুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যোগদান করেছেন। তার সাথে এলাকার ভালো মন্দ শেয়ার করবেন।
এমএসএম / এমএসএম
অনলাইনে ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের সতর্ক করল চাঁদপুরের অংশীজনরা
ব্রহ্মপুত্রের চরে তালাবদ্ধ সরকারি স্কুল, ক্ষোভে ক্লাসরুমের তালা ভাঙার চেষ্টা শিশুদের
কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ ইয়াবা, আটক ২
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ৪ শত পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
ধামইরহাটে বাল্যবিবাহ শিশুশ্রম ও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝড়েপড়া রোধে সাংবাদিকদের নিয়ে আলোচনা সভা
শিলক খাল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় দুটি ষাঁড় গরু আকস্মিক মৃত্যু
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের পাশে ইউএনও (অ.দা) নাহিদ আহমেদ, দিলেন মশারি
কালিয়ায় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি
নাচোলে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু
বাবাকে হারিয়ে স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার, দারিদ্র্যে থমকে যেতে পারে শয়নের পথ
ত্রিশালে পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু