ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
আবারও নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুনিয়াউট এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মীকে নিয়ে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ৪৪ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমীন আফ্রিদি। ভাইরাল হওয়া ভিডিও এবং ফেসবুক পোস্টে রুহুল আমীন আফ্রিদি দাবি করেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পাঁচ লাখেরও বেশি নেতাকর্মীর শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা, রাজবন্দিদের মুক্তি এবং ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের পরোয়া না করে চরম বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও যারা মিছিলে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। লড়াই চলবেই।”এদিকে, সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একাধিক ঝটিকা মিছিল ও মোটরসাইকেল শোডাউনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
গত ৮ জুন নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে কুন্ডা গ্রামের সড়ক হয়ে তিতাস নদীর সেতু পর্যন্ত কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী মোটরসাইকেল শোডাউন করেন। ১ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে নাসিরনগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাসিমুর রহমান আকাশকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। এ ঘটনায় ৯ জুন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নাসিরনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এর আগে ২৭ মে রাধিকা-নবীনগর মহাসড়কে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগ’ ব্যানারে একটি মিছিলের ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই মিছিলে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান হৃদয়কে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় আশিকুর রহমান হৃদয়কে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়।এছাড়া ১২ মে শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় ছাত্রলীগের আরেকটি ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ভাইরাল হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা ছাত্রলীগের সদস্য লিমন আল স্বাধীন। পরে তাকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে সদর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, এসব ঝটিকা মিছিল ও মোটরসাইকেল শোডাউনের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল, মোটরসাইকেল শোডাউন এবং থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও পৃথকভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, আন্দোলনের মুখেই পুলিশকে মামলা গ্রহণ করতে হয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে।”
এমএসএম / এমএসএম
অনিশ্চয়তায় হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ: মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি
বিমানবন্দর এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার বিপুল মালামাল
পেকুয়ায় পুলিশের অভিযান, ইয়াবা-টাকাসহ আটক ২
ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে নগদ টাকাসহ ৪ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে গাইড বই না কেনায় ৬ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন মাদরাসা সুপার
বাকপ্রতিবন্ধী দম্পতির ঘরে একসঙ্গে তিন পুত্রসন্তান, চিকিৎসা ও দুধের খরচ জোগাতে হিমশিম পরিবার
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জে তোপের মুখে ইমামের পদত্যাগ
বরিশালে পরকীয়া নিয়ে বিরোধ : ভ্যান চালককে হত্যার পর লাশ ফেলা হয় পানিতে
বিপৎসীমার কাছাকাছি পদ্মার পানি, হাজারো মানুষ পানিবন্দি
কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় আবারও খুলে দেওয়া হলো ১৬ জলকপাট
মুকসুদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১
নেত্রকোণায় জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতা,ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা-বিজিবি সদস্যসহ আটক-৮
সুন্দরবনের আলোচিত বনদস্যু ‘নানা ভাই' বাহিনীর ১২ সদস্য মোংলায় কোষ্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ
Link Copied