গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় WUB-এর অগ্রণী ভূমিকা
প্রতিষ্ঠালা থেকেই ব্যাবহারিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক প্রকৌশন শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ইউনিস্থার্সিটি অব বাংলাদেশ (WUB)। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে আধুনিক ল্যাবরেটরি, ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বা (kdcome-Hased Education (BL), ডিজিটাল সার্নিং প্লাটফর্ম, গবেষণামুখী পরিবেশ এবং শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
প্রকৌশল শিক্ষায় তাত্ত্বিক আনের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৫টিরও বেশি আধুনিক ও সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি রয়েছে। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE), ইলেকট্রিক্যাল প্র্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (B3), মেকাট্রনিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীর নিয়মিত প্যাব কার্যক্রম, প্রজেক্ট ডিজাইন, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি সমন্বিত ডিজিটাল পানিা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লাইভ ক্লাস, লেকচার, অ্যাসাইনমেন্ট, একাডেমিক মুলাগান, কালোচনা ফোরাম এবং অন্যান্য শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রমে। অংশ নিতে পারে। পাশাপাশি সমৃদ্ধ ই লাইব্রেরির মাধ্যমে দেশ বিদেশি গবেষণা জর্নল, ই বুক ও একাডেমিক প্রকাশনায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শিক্ষা যুগোপযোগী কারিকুলামের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Outcome Based Education (OBE) কাঠামোর আলোকে পরিচালিত হয়। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নয়, বরং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উল্লবানী চিন্তা, গবেষণার সামখা এবং পেশাগত প্রত্যয় ওপরও ওয়াত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বণগত মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের mslitstimal Quality Amurance cell (IQAC) সত্রিব্যভাবে কাজ করছে। IQAC এর মাধ্যমে নিয়মিত একাডেমিক অডিট, পাঠদান পদ্ধতির মূল্যায়ন এবং পরাবাহিক মানেজয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার শব্দে IQAC বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
অয়ার্ল্ড ইউনিঅমিটি অব ব্যাপাদেশের অন্যতম শক্তি হলো এর দক্ষ ও গবেষণামুখী শিক্ষকবৃন্দ। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ জনের বেশি অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন পূর্ণকালীন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক ও গবেষক কর্মরত আছেন। এঁদের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের গুণ্য একটি সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছে।
ওয়ার্ল্ড ইউনিঅর্সিটি অব বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে গবেষণা কার্যক্রমে আর্থিক সহয়তা প্রদান, গবেষণা অনুদান যা Research Grant বরাদ্দ এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে। শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, জনস প্রকাশনা, সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং উদ্ভাবনী উদোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও তহবিল প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে সবেদগামুখী শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরাও গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
শিল্প সংযোগ আরও পড়িশালী করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১০০টিরও বেশি সমঝোতা স্মারক না Moti স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, শিল্প সংযুক্ত প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিজন, কনসালটিং ফার্ম, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, সফটন্ডারব কোম্পানি এব্য প্রযুক্তি খাতে ইন্টার্নশিপ ও প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। নিয়মিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট, টেকনিক্যাল প্রতিযোগিতা এবং বয়রিয়ার ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র উপযোগী দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করা হয়।
1
কর্মজীবী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশণী শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ একাডেমিক বাবস্থা রয়েছে। তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে করবার ও শনিবার তাত্ত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ল্যাব ক্লাস পরিচালনা কর হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হয়।
শিক্ষার মানোহয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভর্সিটি অব ব্যাগদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। WURI Ranking 2026-এ বিশ্বের উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৩৩৩ম স্থান এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদালয়গুলোর মধ্যে ৪র্থ অবস্থান অর্জন করেছে। পাশাপাশি Financial Impact Driven Technology Transfer (CB) করাটাগরিতে ৭ম, Digital and Al Transformation in Strategy and Management (B3) ক্যাটাগরিতে ৮২, Funding for Sustainability (B5) ক্যাটাগরিতে ১৫তম, Future Oriented Responses to Global Uncertainty and Geopolitical Rish (A7) করটাগরিতে ২১তম এবং Industrial Application (AS) কাটাগরিতে ২৪তম স্থান অর্জন করেছে। একইভাবে ১৯ Aria University Rankings 2026 del GreenMetric World University Rankings 2075-6 বিশ্ববিদ্যালয়টির অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর এঅবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতি বহন করে।
ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব কংলাদেশ আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম, গবেষণামুখী শিক্ষা, শিল্প একাডেমিক সহযোগিতা এবং দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে জাতীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে সক্ষম প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরির পক্ষের নিরবচ্ছিন্ন আবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশেও বিশ্ববিদ্যালাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
এমএসএম / এমএসএম
শালবন বিহার: বাংলার বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক
গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় WUB-এর অগ্রণী ভূমিকা
ইরানের পরমাণু অস্ত্র ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন দাপটের পতন
১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে "সুপার এল নিনো": ২০২৬ হতে পারে ইতিহাসের উষ্ণতম বছর
কিয়ারা আদভানির ত্বক কেন এত উজ্জ্বল? কারণ জেনে নিন
গ্রীষ্মের ছাতা বাছাই করার আগে জেনে নিন
এই কুলফি মালাই...
কৃষকের ভাগ্য বদলাতে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননে নামলেন তারেক রহমান
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত নামছে মাটির স্তর
স্মার্টফোনের নেশায় শৈশব বিপন্ন: ‘ডিজিটাল মাদকে’ বুঁদ শিশু থেকে অভিভাবক
র্যাগিং নয়, সম্মানই হোক ক্যাম্পাসের সংস্কৃতি
ফ্রিজের বরফ জমা মাছ-মাংস দ্রুত নরম করার কৌশল