ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

মাতামুহুরিতে ৭ বছরের শিশুকে হত্যার অভিযোগে মামলা,গ্রেপ্তার-৩


পেকুয়া প্রতিনিধি photo পেকুয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭-৬-২০২৬ দুপুর ৪:৭

কক্সবাজারের মাতামুহুরি উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছর বয়সী শিশু ওয়াহিদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অপহরণ, বলৎকার ও হত্যার পর লাশ গুম করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।  এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) চকরিয়া থানায় নিহত শিশুর বাবা তৌহিদুল ইসলাম (৩৩) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় পূর্ব বড় ভেওলা এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ছৈয়দ হোসেন ওরফে মানিক ওরফে কাবিলা, আজিজুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম এবং মৃত জহির ইসলামের ছেলে মো. আরমানকে আসামি করা হয়েছে। তিনজনই বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশের এলাকায় খেলতে বের হয়। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিনও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

পরে স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। আটক এক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরপাড়া এলাকার মাতামুহুরী খালের পাশে একটি পানিভর্তি গর্ত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, শিশুটিকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করার পর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন এবং মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে খালের পাশের ওই গর্তে ফেলে রাখা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার তিন আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করা হবে।

এছাড়া ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মামলার আইনগত দিক সম্পর্কে বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. ওমর আলী বলেন, শিশুটিকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধভাবে যে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা অত্যন্ত নৃশংস। চকরিয়া থানায় দায়ের করা মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) এবং দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

পটুয়াখালীতে সেফটি ট্যাংকিতে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে ৬৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চাহিদার অর্ধেক মিলছে বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে হোমনাবাসীর জনজীবন বিপর্যস্ত

বাকেরগঞ্জে মুরগির খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, দুর্গন্ধ থেকে প্রতিকার পেতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল

পেকুয়ায় রাস্তাজুড়ে উড়ছে শতশত আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশ্বকাপ ঘিরে উৎসবের আমেজ

সলঙ্গায় মহাসড়কের সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার

বাঘায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়: সড়ক সমস্যার সমাধান ও সরকারি সেবা তৃণমূলে পৌঁছানোর আশ্বাস

‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ মডেলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্যোগ

কুমিল্লায় ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি

ধর্মীয় সম্প্রীতির আবহে তাড়াশে নব বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসব

রায়গঞ্জে শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

আত্রাই থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মাহবুব আলমের যোগদান

যশোরে গভীর রাতে একাধিক মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা