ঢাকা রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সিরাজগঞ্জ জেলার একাধিক মামলার আসামি বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় জনগণের ক্ষোভ।


ইমাম হো‌সেন, ঢাকা photo ইমাম হো‌সেন, ঢাকা
প্রকাশিত: ২১-৬-২০২৬ দুপুর ৩:৪০
​সিরাজগঞ্জ জেলা বার কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেলের বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যা ও একাধিক প্রতারণার মামলা থাকার পরও এমন দায়িত্বশীল পদে আসীন হওয়া নিয়ে জেলাজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ আইনজীবী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে এই নিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
​ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির অভিযোগ
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেলের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলকে টার্গেট করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রথমে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সুসম্পর্ক বা আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। দাবি মতো টাকা না দিলে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সিরাজগঞ্জের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
​কুষ্টিয়ায় আটক ও বিতর্কিত নির্বাচন
​অনুসন্ধানে জানা যায়, ইতিপূর্বে কুষ্টিয়া জেলাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন এবং জেল খাটেন। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের মামলাও বিচারাধীন। আইন পেশার সাথে জড়িত একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর সব অভিযোগ ও কারাবাসের রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও একটি বিশেষ চক্রের আড়ালে তাকে সিরাজগঞ্জ বার কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়, যা নিয়ে সাধারণ আইনজীবীদের মনে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
​রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা
​৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে নিজের অবস্থান ভারী করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তবে সেখানে আশানুরূপ সুবিধা করতে না পেরে পরবর্তীতে বার কাউন্সিলের সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী রফিকুল ইসলামের সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। অভিযোগ রয়েছে, সভাপতির সাথে এই সখ্যতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি তার পূর্বের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রভাব বিস্তার অব্যাহত রেখেছেন।
​সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
​একজন একাধিক গুরুতর মামলার আসামির হাতে কীভাবে জেলা বার কাউন্সিলের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের চাবিকাঠি তুলে দেওয়া হলো—তা নিয়ে সিরাজগঞ্জের সাধারণ জনগণের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিচারপ্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই বিষয়ে অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

রায়গঞ্জে মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে টাকা দাবি, ভুয়া ডিবি সদস্য আটক

কুড়িগ্রামে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

কোম্পানীগঞ্জর মুছাপুরে নাছের উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

মাদকের ভয়াবহতার ছোবলে গ্রাস যুব সমাজ

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানবিক ডাক্তার হাবিবুর রহমান

জামালপুরে ডিবির অভিযানে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, গ্রেফতার ২

নরসিংদীতে বিএসটিআই ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

সলঙ্গায় আল আমিন সামিদুলের মাদক ব্যবসার নেপথ্যের খুঁটির জোর কোথায়

টুঙ্গিপাড়ায় ঋণের চাপে প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

খালিয়াজুরীতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবিতে প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

ডুমুুরিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ গুচ্ছ গ্রামের ৬৮ পরিবার পেলো আর্থিক সহায়তা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে সখিপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পোস্টারিং, এলাকায় চাঞ্চল্য