নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
বিসমিল্লাহ ফলের আড়তকে কেন্দ্র করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
রাজধানীর উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের সুইচগেট সংলগ্ন বিসমিল্লাহ ফলের আড়ত ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎ এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
রবিবার সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একটি চক্র ফলের আড়ত ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তাদের দাবি, যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত আনোয়ার হোসেন চিশতী (আনু) ও তার স্ত্রী ফাতেমা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা আদায় এবং আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের চাপ, ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন বেপারি এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তাকে একাধিক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আনোয়ার আত্মগোপনে চলে যান। তবে দীর্ঘ নয় মাস পর তিনি পুনরায় আড়তে প্রবেশের চেষ্টা করলে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদের মুখে সরে যেতে বাধ্য হন। এ সময় ব্যবসায়ীরা তার কাছে কথিত ৫০ কোটি টাকার হিসাব দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে একটি মহল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরা পশ্চিম থানার যুবদলের আহ্বায়ক মিলন মিয়ার নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। তারা স্পষ্টভাবে জানান, বিসমিল্লাহ ফলের আড়ত ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সঙ্গে মিলন মিয়ার কোনো সাংগঠনিক বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই।
সমিতির নেতারা বলেন, একটি চক্র ব্যবসায়ীদের ঐক্য নষ্ট করে আড়তের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা প্রশ্ন তুলে বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কীভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও চাঁদাবাজির চেষ্টা করছে এবং তাদের পেছনে কারা পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিসমিল্লাহ ফলের আড়ত ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন বেপারি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সরদার প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
তারা আরও বলেন, বিসমিল্লাহ ফলের আড়ত দেশের অন্যতম বৃহৎ ফলের পাইকারি বাজার হিসেবে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের উৎস। তাই বাজারকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এমএসএম / এমএসএম
বিসমিল্লাহ ফলের আড়তকে কেন্দ্র করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
মুসাফির সুফিয়ানা যাচ্ছে ওমানের আন্তর্জাতিক মঞ্চে
দায়িত্ব নেওয়ার আড়াই মাসেও গণমাধ্যমের মুখোমুখি হননি বিমানের এমডি, সাংবাদিকদের অসন্তোষ
রাজধানীর ভাটারা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪
বরিশাল বিভাগে এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশ'র দিনব্যাপী নৌ-বিহার
আওয়ামী লীগ আমলে ‘নির্দলীয়’ প্রত্যয়ন নেওয়া রোকন এবার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী
অনিয়মের বেড়াজালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় : মন্ত্রী-সচিবের নির্দেশ উপেক্ষিত, ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল
তারুণ্যের শপথ: মাদক ও আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে বার্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ অনুষ্ঠিত
ঢাকার ৫৬টি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করার ঘোষণা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও ডিএনসিসি প্রশাসকের
সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে ভক্তদের মহা মানববন্ধন
হাতিরঝিল এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন