দেড় বছর পর জনি হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই
ঢাকার আশুলিয়ার মধুপুর এলাকায় পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া যুবক হাসিবুল ইসলাম জনি (২১) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর মামলার অন্যতম দুই আসামি মো. শাহ জাল সরকার ও মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে শাহ জাল সরকার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এন. মোর্শেদ (পিপিএম-সেবা)।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আশুলিয়া থানার মধুপুর উত্তরপাড়া এলাকায় রংপুর জেলার বাসিন্দা শহিদুল ইসলামের ছেলে হাসিবুল ইসলাম জনিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে স্থানীয় একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। চার দিন পর পুকুরে অর্ধগলিত মরদেহ ভেসে উঠলে আশুলিয়া থানা পুলিশ তা উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হলে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে পিবিআই ঢাকা জেলা তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসেন।
পিবিআই জানায়, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালের নির্দেশনা এবং জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত চালায়। তদন্তের একপর্যায়ে গত ১৮ জুন আশুলিয়ার মধুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজবাড়ী জেলার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলামকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গ্রেফতার হওয়া শাহ জাল সরকারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সাইফুলকে শনাক্ত ও আটক করা সম্ভব হয়।
তদন্ত ও আদালতে দেওয়া শাহ জাল সরকারের জবানবন্দি অনুযায়ী, মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে জনিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন জনি ও তার দুই বন্ধু সোহাগ এবং রানা খান ঘটনাস্থলে মাদক সেবন ও বিক্রি করছিলেন। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে আসামিরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় জনির দুই বন্ধু পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জনি ধরা পড়ে যান। পরে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে হত্যা নিশ্চিত করে আসামিরা। এরপর মরদেহ পুকুরে ডুবিয়ে রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এন. মোর্শেদ বলেন, “সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা মূল আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এতে স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
এমএসএম / এমএসএম
নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের উদ্বেগ ও মুক্তির দাবি
মানুষের অধিকার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি)
উত্তরায় ১৮ লাখ টাকার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২
পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে: এডিসি শামীম
বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা
রাজউকের মোবাইল কোর্টে ৪ ভবনে অভিযান, জব্দ ৪ বৈদ্যুতিক মিটার
ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব
উত্তরা ১১ নং সেক্টর সোসাইটির উদ্যোগে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ !
রাখি বাদ, আ: লীগের আইন সহায়ক কমিটিতে জামায়াত পরিবারের হিরণ!
উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা