ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

বিজয়নগরের সাতবর্গে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার পুকুর নিয়ে বিরোধ: সাবেক মেম্বারসহ দুইজনের বিরুদ্ধে জিডি


প্রবীর চৌধূরী রিপন photo প্রবীর চৌধূরী রিপন
প্রকাশিত: ২৮-৬-২০২৬ দুপুর ৩:২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তী ইউনিয়নের সাতবর্গে প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫ শতক পুকুর বিক্রির বায়নাপত্রকে কেন্দ্র করে চুক্তি ভঙ্গ, জোরপূর্বক বালু ভরাট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য জামাল মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন পুকুরের অন্যতম মালিক সঞ্জয় কুমার রায়।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুন ২০২৫ তারিখে সাতবর্গ এলাকার ৪৫ শতক পুকুর ১ কোটি ১৯ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রির জন্য বায়নাপত্র সম্পাদিত হয়। এ সময় ক্রেতাপক্ষ ১০ লাখ টাকা বায়না প্রদান করে এবং চুক্তি অনুযায়ী চার মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ১ কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে জমি রেজিস্ট্রি করার কথা ছিল।
অভিযোগে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে বাকি টাকা পরিশোধ না করেই ক্রেতাপক্ষ মালিকদের অনুমতি ছাড়া পুকুরে বালু ভরাট শুরু করে। একাধিকবার পাওনা টাকা পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়।
এ অবস্থায় স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ জানিয়ে দেয়, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ হওয়ায় তারা আর জমি বিক্রি করতে আগ্রহী নন। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তের পর সাবেক ইউপি সদস্য জামাল মিয়া ও মোহাম্মদ আলী ক্ষুব্ধ হয়ে সঞ্জয় কুমার রায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও ভবিষ্যতে ক্ষতির হুমকি দেন।
এ ঘটনার পর সঞ্জয় কুমার রায় বিজয়নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পাশাপাশি সাতবর্গ সামাজিক উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতির কাছেও লিখিত আবেদন দিয়ে বায়নাপত্র বাতিল ঘোষণা, জোরপূর্বক ভরাট করা বালু অপসারণ এবং পুকুরটি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
মালিকপক্ষ আরও জানান, পুকুরটি বিক্রির সময় ক্রেতাপক্ষের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল যে, পুকুরটি মাছ চাষের উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হবে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির সেই শর্ত উপেক্ষা করে ক্রেতাপক্ষ জোরপূর্বক পুকুরে মাটি ভরাট করে এর স্বাভাবিক অবস্থা নষ্ট করছে।
পুকুরের মালিকপক্ষের দাবি, বর্তমানে পুকুরটি অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। এছাড়া মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকি ও বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে তারা আপন দাসের নাম উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনায় আপন দাসের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জামাল মিয়া, মোহাম্মদ আলী ও আপন দাসের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Aminur / Aminur

আরশিনগর ইউনিয়নকে বদলে দিতে চান ফরিদ আহাম্মদ

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বরদাস্ত করা হবে না: সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি

এমপি সান্টুর সাথে উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সৌজন্য সাক্ষাত

রায়গঞ্জে পাখি-পোকা ঠেকাতে পুরো ধানখেত নেটজালে ঢাকলেন কৃষক

সুনামগঞ্জে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলে ধরতে FIVDB-RAISE প্রকল্পের কমিউনিটি আউটরিচ সভা অনুষ্ঠিত

সিংড়ায় দুর্গাপূজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

সিলেটে পর্যটকের ঢল, ৭০ শতাংশ হোটেল-মোটেল বুকিং

পটিয়ায় শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব,পরিদর্শনে পুলিশের ডিআইজি

জুড়ীতে এক আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় চক্ষু শিবিরে ২ হাজার ৪০০ রোগীকে সেবা দিলেন ডেপুটি স্পিকার

সিলেটে ১৫০ মিটারে ২৬ বিলবোর্ড, ‘বৃক্ষলেন’ যেন ‘বিলবোর্ড লেন’

পেকুয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

লামা বন বিভাগের তৈন রেঞ্জারের বিরুদ্ধে কাঠ ব্যবসায়ী ও স'মিলে দেনদরবারের অভিযোগ