দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর ‘পাগলা মৌজা’য় স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের
ময়মনসিংহের নবগঠিত ‘দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা’র প্রশাসনিক কার্যালয় ও আনুষঙ্গিক সরকারি দফতরসমূহ ভৌগোলিক কেন্দ্রস্থল ‘পাগলা মৌজা’য় (পাগলা থানা সংলগ্ন ১৬৩ নং জে.এল) স্থাপনের জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে 'দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা সর্বস্তরের জনগণ'-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সর্বস্তরের মানুষের পক্ষে এই দাবি উত্থাপিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দক্ষিণ গফরগাঁও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক, অবিভক্ত গফরগাঁও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পাগলা থানা বিএনপির সাবেক সদস্য মাহাবুর রহমান ফুরকান। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ময়মনসিংহের পাগলা থানাধীন ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে 'দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা' গঠনের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ায় স্থানীয় জনমনে আনন্দের জোয়ার বহেছিল। তবে ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সর্বসাধারণের যাতায়াত সুবিধা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিজ বাসভবনের নিকটবর্তী ‘নয়াবাড়ী মৌজা’য় সদর দফতর স্থাপনের যে প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষকে চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সুযোগ-সুবিধার চরম বৈষম্য তৈরি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পাগলা থানা সংলগ্ন ‘পাগলা মৌজা’য় সদর দফতর স্থাপিত হলে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মানুষ সমানভাবে প্রশাসনিক ও নাগরিক সুবিধা পাবেন। কিন্তু নয়াবাড়ী মৌজায় সদর দফতর করা হলে অন্তত ৬টি ইউনিয়নের মানুষকে সাধারণ একটি সেবার জন্য প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হবে। এ ছাড়া দ্রুত প্রশাসনিক কাজ শুরুর সুবিধার্থে স্থানীয় বাসিন্দারা সম্পূর্ণ বিনা ভাড়ায় অন্তত ২০টি বড় স্থায়ী ভবন এবং সরকারি অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি সরকারকে বিনামূল্যে প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছেন। সাধারণ জনগণের ওপর জোর করে এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের কাছে প্রধান ৩টি দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলো হলো—৮টি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত 'পাগলা মৌজা'তেই স্থায়ী ও অস্থায়ী সদর দফতর স্থাপন করা, ব্যক্তিগত সুবিধার্থে নেওয়া স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক স্থান নির্বাচন করা এবং দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ৯৫ ভাগ মানুষের গণদাবি ও যাতায়াত সুবিধার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, অবিলম্বে এই ন্যায়সংগত দাবি মেনে নেওয়া না হলে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান সদস্য ও নিগুয়ার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজিমুদ্দিন, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও গফরগাঁও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী বাবুল এবং সদস্য আবু সাঈদ। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
এমএসএম / এমএসএম
জাতীয় প্রেস ক্লাবে যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাইফার সম্মানসূচক ডিরেক্টর নির্বাচিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অনন্যা আজিজ
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর ‘পাগলা মৌজা’য় স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের
শওকত আলীর অর্থপাচার অনুসন্ধানে গতি বাড়িয়েছে দুদক, বিদেশি সম্পদ ও ১৮৭ ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে
মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়
জুলাই স্মরণে আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত: শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান
ডিসি অফিসের তালাবদ্ধ গেট খুলে দেওয়ার দাবি ঢাকা আইনজীবী সমিতির
ফের জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে পারে রাজধানী
সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে বিলম্বের অভিযোগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা নিয়ে প্রশ্ন
কৃত্রিম প্রজনন প্রকল্পে ৪৩৩ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য-প্রমাণ চাইল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
শ্রাবণ সন্ধ্যায় ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন
ডিআরইউর মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত