ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির আলোচনা সভা


জাহাঙ্গীর আলম photo জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশিত: ২২-৭-২০২৬ দুপুর ২:৫

​জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে (২২)‘জুলাই বাংলাদেশ বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি’-র উদ্যোগে “২০২৪ এর ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থান–শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ আলী-র সঞ্চালনা ও মূল বক্তব্য উপস্থাপনায় উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি, প্রধান বক্তা ও সভাপতি হিসেবে নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
​প্রধান অতিথির বক্তব্য: জননেতা সাইফুল হক
​"১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের অবদান সবচেয়ে বেশি। শ্রমিকরা রাজপথে রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিজয়ের রূপ দিয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ইতিহাস সাক্ষী যে প্রতিটি ঐতিহাসিক জয়ের পর শ্রমিক সমাজকে তাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
​২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের এই অসামান্য আত্মত্যাগকে ভুলে গেলে বিপ্লব ব্যর্থ হয়ে যাবে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবিলম্বে শ্রমিকদের শ্রমের সঠিক মূল্য, জীবনযাত্রার নিরাপত্তা এবং বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের রক্তে অর্জিত এই পরিবর্তন যেন কোনো কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দখলে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
​প্রধান বক্তার বক্তব্য: এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এমপি
​"দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হলো শ্রমিক শ্রেণি। গার্মেন্টস, নৌ-সেক্টর, পরিবহন কিংবা কল-কারখানা—সবখানেই শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে দেশ সচল রাখছেন। অথচ আজও তারা আইনি সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি ও কর্মক্ষেত্রের সঠিক পরিবেশ থেকে বঞ্চিত।

​বিগত সরকারের আমলে শ্রম খাত ও নৌ-সেক্টরে ব্যাপক দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছিল। সাধারণ নৌ-শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিকদের অহেতুক মামলা ও আইনি হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বর্তমান সময়ে দ্রুত এই খাতের আইনি সংস্কার করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং নৌ-পুলিশ ও আদালতের নামে শ্রমিক হয়রানি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।"

​সভাপতির বক্তব্য: মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক
​"জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, শ্রমিকদের বাদ দিয়ে কোনো সংস্কার বা উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই কঠিন সময়ে শ্রমিকদের জীবন বাঁচানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​আমাদের উত্থাপিত ১৫ দফা দাবি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও শ্রমিকদের টিকে থাকার ন্যূনতম দাবি। সকল সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ৩০,০০০ টাকা নির্ধারণ, রেশনের ব্যবস্থা করা, বন্ধ মিল-কারখানা চালু এবং অন্যায্য ইজারা ও চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে দেশের শ্রমজীবী মানুষ তাদের দাবি আদায়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।"

এমএসএম / এমএসএম

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা

ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার ইন্তেকাল

মোংলায় ভূমি দখল ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির ১,৫০০ সদস্য মাঠে

প্রাণিসম্পদকে পূর্ণাঙ্গ সেক্টর করার দাবি ভ্যাব-এর মহাসচিব ডা. কবির উদ্দিন আহমেদের

বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় (আংশিক) কমিটি ঘোষণা

বাংলা ভাষায় সুফি তাফসিরের একাডেমিক পরিসর বিস্তারের আহ্বান

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে আনসার সদস্যদের সতর্কতায় দুই চোর আটক

ভেটেরিনারি ডক্টরস' এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভ্যাব)-এর শোকবার্তা

কাস্টমসের বাধ্যতামুলক অবসরপ্রাপ্তদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি

ফেব্রিকের চালান, ভেতরে ১,৬৫৫ দামি মোবাইল জব্দ

বদলি-স্থগিতের পর ফের ঢাকায় ফেরার চেষ্টা