জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির আলোচনা সভা
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে (২২)‘জুলাই বাংলাদেশ বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি’-র উদ্যোগে “২০২৪ এর ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থান–শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ আলী-র সঞ্চালনা ও মূল বক্তব্য উপস্থাপনায় উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি, প্রধান বক্তা ও সভাপতি হিসেবে নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য: জননেতা সাইফুল হক
"১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের অবদান সবচেয়ে বেশি। শ্রমিকরা রাজপথে রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিজয়ের রূপ দিয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ইতিহাস সাক্ষী যে প্রতিটি ঐতিহাসিক জয়ের পর শ্রমিক সমাজকে তাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের এই অসামান্য আত্মত্যাগকে ভুলে গেলে বিপ্লব ব্যর্থ হয়ে যাবে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবিলম্বে শ্রমিকদের শ্রমের সঠিক মূল্য, জীবনযাত্রার নিরাপত্তা এবং বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের রক্তে অর্জিত এই পরিবর্তন যেন কোনো কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দখলে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
প্রধান বক্তার বক্তব্য: এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এমপি
"দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হলো শ্রমিক শ্রেণি। গার্মেন্টস, নৌ-সেক্টর, পরিবহন কিংবা কল-কারখানা—সবখানেই শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে দেশ সচল রাখছেন। অথচ আজও তারা আইনি সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি ও কর্মক্ষেত্রের সঠিক পরিবেশ থেকে বঞ্চিত।
বিগত সরকারের আমলে শ্রম খাত ও নৌ-সেক্টরে ব্যাপক দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছিল। সাধারণ নৌ-শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিকদের অহেতুক মামলা ও আইনি হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বর্তমান সময়ে দ্রুত এই খাতের আইনি সংস্কার করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং নৌ-পুলিশ ও আদালতের নামে শ্রমিক হয়রানি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।"
সভাপতির বক্তব্য: মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক
"জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, শ্রমিকদের বাদ দিয়ে কোনো সংস্কার বা উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই কঠিন সময়ে শ্রমিকদের জীবন বাঁচানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমাদের উত্থাপিত ১৫ দফা দাবি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও শ্রমিকদের টিকে থাকার ন্যূনতম দাবি। সকল সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ৩০,০০০ টাকা নির্ধারণ, রেশনের ব্যবস্থা করা, বন্ধ মিল-কারখানা চালু এবং অন্যায্য ইজারা ও চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে দেশের শ্রমজীবী মানুষ তাদের দাবি আদায়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।"
এমএসএম / এমএসএম
মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন আনসার সদস্য সরোয়ার
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির আলোচনা সভা
জাতীয় প্রেস ক্লাবে যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাইফার সম্মানসূচক ডিরেক্টর নির্বাচিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অনন্যা আজিজ
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর ‘পাগলা মৌজা’য় স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের
শওকত আলীর অর্থপাচার অনুসন্ধানে গতি বাড়িয়েছে দুদক, বিদেশি সম্পদ ও ১৮৭ ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে
মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়
জুলাই স্মরণে আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত: শহীদদের রক্তের ঋণ শোধে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান
ডিসি অফিসের তালাবদ্ধ গেট খুলে দেওয়ার দাবি ঢাকা আইনজীবী সমিতির
ফের জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে পারে রাজধানী
সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে বিলম্বের অভিযোগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা নিয়ে প্রশ্ন
কৃত্রিম প্রজনন প্রকল্পে ৪৩৩ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য-প্রমাণ চাইল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়