ঢাকা রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

গোপালগঞ্জে সবজি ও মাছের দাম আকাশচুম্বী, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতাদের


এম টি রহমান মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার photo এম টি রহমান মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ২৬-৭-২০২৬ দুপুর ৪:৭

গোপালগঞ্জে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে শাকসবজি ও মাছের দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে এখন ৬০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না। একই সঙ্গে ইলিশসহ চাষের পাঙাশ, রুই, কাতলা ও সিলভার কার্পের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।

গোপালগঞ্জ শহরের বড় বাজারের কাঁচা ও মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে চড়া। কয়েক দিন আগে ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হওয়া ঢেঁড়স এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে ২৫-৩০ টাকার মিষ্টি কুমড়া ৭০ টাকা, ৫০ টাকার কচুরমুখী ৮০ টাকা, ৫০ টাকার উচ্ছে ৮০ টাকা এবং ৩০ টাকার কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া ধুন্দল ৬০ টাকা, ঝিঙে ৮০ টাকা এবং পটল ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। যে লাউ কয়েক দিন আগে ৩০-৪০ টাকায় মিলত, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। বাজারে কেবল পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ টাকা কেজিতে। এদিকে ১০ দিন আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের দাম বেড়ে বর্তমানে ২০০ টাকায় ঠেকেছে।

সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও আগুন। বাজারে ১ কেজি ওজনের ইলিশ প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ, রুই, কাতলা ও সিলভার কার্পের দাম কেজিতে ২৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া রুই মাছ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে। মাছ বিক্রেতা জহর জানান, বিভিন্ন জেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টিতে মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় এবং ইলিশের আমদানি কমে যাওয়ায় সব ধরনের মাছের বাজার চড়া।

বাজার করতে আসা স্বপন মোল্লা বলেন, “বাজারে এসে বাজেটের সাথে মিল রাখতে পারছি না। প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা বাদ দিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার চালানো এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

সবজি ব্যবসায়ী হানিফ ও ইকবাল জানান, বর্ষার টানা বৃষ্টিতে ক্ষেতের সবজি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আড়তে সরবরাহ অনেক কমে গেছে। ফলে পাইকারি বাজারেই চড়া দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, “চলতি জুলাই মাসে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জেলায় ৮৫ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১ হাজার ৩৬০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাইরের জেলা থেকে সবজি আনা হচ্ছে, যে কারণে দাম খানিকটা বেড়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে এবং বিক্রেতাদের সহনশীল লাভে পণ্য বিক্রির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” তবে স্থানীয়দের দাবি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও কার্যকর বাজার তদারকি না থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এমএসএম / এমএসএম

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ ২ ব্যবসায়ি গ্রেফতার

সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে জলদাড়ি, জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে ক্ষেতলাল-কালাইয়ের হাজারো কৃষক

হরিপুর সীমান্তে মালিকবিহীন অবস্থায় দেশি মদ উদ্ধার

কুড়িগ্রামে শিশু সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে হাসপাতালে হামলা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ত্রিশাল স্কুল পরিচ্নছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন সন্ত্রাস চাঁদাবাজ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানঃ মেজর হাফিজ সৈকত

জাহেদা ক্লিনিকে ভুল অস্ত্রোপচারে কৃষকের মৃত্যু,পঙ্গু হওয়ার পথে আরোও ৩ জন

ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে আবেদন সময় বৃদ্ধি

গাসিকে ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলেন প্রশাসক

কালিয়ায় দুটি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, এক লাখ টাকা জরিমানা

গোপালগঞ্জে সবজি ও মাছের দাম আকাশচুম্বী, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতাদের

জুড়ী-বড়লেখা আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় জুড়ীর আলীর মৃত্যু