ঢাকা রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

বিএনপি'র দুর্দিনে'র ঢাল সাইফুল ইসলাম ফিরোজ


আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ সদর প্রতিনিধি photo আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ সদর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২-৮-২০২৬ দুপুর ১১:৩০

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সোনালি ফসল হিসেবে সুপরিচিত সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দলের চরম দুঃসময়ে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেও, সুদিনে এক নিদারুণ অবহেলার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। দল তাঁকে বহিষ্কার করলেও, একরাশ দলীয় মামলার ফাইল কাঁধে নিয়ে ঘুরছেন কোর্টের দ্বারে-দ্বারে!
সম্প্রতি, এক বিশেষ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নব্বই দশকের এই ছাত্রদল নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের এমনই করুণ প্রতিচ্ছবি এবং সব হারিয়েও, তাঁর ভয়ংকর অপ্রাপ্তির সব নগ্ন সমীকরণ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কৃতী সন্তান। জীবনের পথ পরিক্রমায় কালীগঞ্জ সরকারি নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে, উচ্চ শিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন ঢাকা শহরে!!
সততা, মেধা ও মননে অদম্য সাইফুল ইসলাম ফিরোজ জায়গা করে নিয়েছিলেন ঢাকা নটরডেম কলেজের মতো দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। শুরু হয়েছিল নব স্বপ্নে জীবনরথ পরিচালনা। নটরডেম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে মেধার লড়াইয়ে পুনরায় উত্তীর্ণ হয়ে, ভর্তি'র সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ও প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ের মতো সেরা বিভাগে পড়াশোনা করার সুযোগ পাওয়া সাইফুল ইসলাম ফিরোজ-এর সামনে তখন উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের হাতছানি!!!
কিন্তু, জন্মই যার রাজনৈতিক পরিসরে, তিনি কি আর রাজনীতির মাঠ থেকে দূরে সরে থাকতে পারেন!!!
শৈশব-কৈশোরের রাজনৈতিক আবেগ বুকে নিয়ে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ নব উদ্যোমে নাম লিখিয়েছিলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এঁর ব্যক্তি আদর্শের সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে। সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল কণ্টকাকীর্ণ এক দুর্গম পথচলা!!!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাথে সক্রিয় রাজনীতির শুরুতে খুব অল্প সময়েই নজর কাড়েন তৎকালীন শীর্ষ বিএনপি নেতৃবৃন্দের। অদম্য সাহসী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে আস্থা অর্জন করেন, সেসময় দায়িত্বে থাকা বাঘা-বাঘা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের।
সাইফুল ইসলাম ফিরোজ সেসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় ছাত্রদল নেতা সাহাবুদ্দিন লাল্টু ও আজিজুল বারী হেলাল কমিটিতে প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে শুরু করেন এক অদম্য যাত্রা!!!
পরবর্তীতে, সাংগঠনিক দৃঢ়তা ও ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্র থেকে শুরু করে, ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের সুদৃঢ় আস্থা অর্জন করেন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। অনিবার্য ফলস্বরূপ ২০০৫ সালের কমিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন তিনি। সেসময়, সভাপতি ছিলেন হাসান আল মামুন। ছাত্রদলের ইতিহাসে আজও মামুন-ফিরোজ কমিটিকে শ্রেষ্ঠ জুটি হিসেবে দাবি করা হয়। বলা হয়, "মামুন-ফিরোজ ছাত্রদলের ইতিহাসে কুড়িয়ে পাওয়া অমূল্য রত্ন; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সোনালি ফসল!!!"
কালের পরিক্রমায়, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের চরম দুর্দিন নেমে আসলে, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দৃঢ়চেতা মনোবলে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১/১১-এর মতো কঠিন সময়ে রাজপথে একজন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ছিলেন মহা-বিপ্লবের এক হার না মানা ফিনিক্স পাখি।
পরবর্তীতে, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাইফুল ইসলাম ফিরোজ নব উদ্যোমে মনোবল হারানো নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক দৃঢ়তায় পুনরুজ্জীবিত করে তোলেন। 
সেসময়, কালের প্রবহমান স্রোতে ভাসতে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ-এর সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এক পর্যায়ে, দলের কঠিন দুঃসময়ে শক্ত হাতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদেও হাল ধরেন। পুনরায় দলকে সুসংগঠিত করে তোলেন খুবই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে। তখন আওয়ামী লীগ সরকারের ভরা মৌসুম। চারিদিকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরকে একের পর এক ধড়-পাকড় ও দেশব্যাপী চলছিল বিচার বহির্ভূত ক্রস ফায়ার নামক প্রহসনের মাধ্যমে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড!
এবিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক এক যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন,"সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ভাইয়ের দূরদর্শী ও একান্ত নির্দেশনায় সেসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বহির্বিভাগ, বকশীবাজার সিগন্যাল, কাটাবন, নীলক্ষেত কোয়াটার, শাহবাগসহ ক্যাম্পাসের আশেপাশে আমরা নিয়মিত প্রোগ্রাম করতাম। সেসময়, ভাইয়ের সাহসী পদক্ষেপে বহু নেতা-কর্মী তৈরি হয়েছে। নতুন করে ছাত্রদলের ইউনিট মজবুত করতে ফিরোজ ভাই যা করেছেন, তা এক জীবন্ত ইতিহাস। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ ছাত্রদল নেতা তাঁরই শিষ্য।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মী বলেন, "ফিরোজ ভাই আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। আমরা কয়েক "শ" ছেলে তাঁর হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছিলাম। দক্ষিণ-পশ্চিমের অধিকাংশ ছাত্রনেতা তাঁর দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় ২০১৩ সালের লাগাতার অবরোধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে আওয়ামী সরকারের পতনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপি'র জন্য ফিরোজ ভাইয়ের অবদানের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তারেক রহমানের অবর্তমানে দিশেহারা আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশে দলের চরম দুর্দিনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ছিলেন বিপ্লবী কণ্ঠস্বর।"
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫-আগস্টে আওয়ামী সরকারের পতনের পর সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দায়িত্ব পান কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে। একইসাথে, তিনি অতীতের ন্যায় নিজ জন্মস্থান ঝিনাইদহের কালীগঞ্জেও দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে সাংগঠনিকভাবে ঢেলে সাজাতে থাকেন। এক পর্যায়ে জন্মস্থানে আলো জ্বালতে কালিগঞ্জ-৪ আসনের আপামর জনসাধারণের অসীম অনুরোধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন।
প্রচার-প্রচারণাও চলছিল ঠিকঠাক মতোই। কিন্তু, নিয়তির ফেরায় বিধি হলেন বাম! ঝিনাইদহ-২ আসনে শরীক দলের প্রার্থী রাশেদ খান-কে ঘিরে মনোনয়ন জটিলতা সৃষ্টি হলে, সর্বশেষ দলীয় সিদ্ধান্তে টালমাটাল হয়ে পড়ে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি। ঝিনাইদহ-২ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম. এ. মজিদকে মনোনয়ন দিয়ে, গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা রাশেদ খানকে দেয়া হয় কালীগঞ্জ-৪ আসনের মনোনয়ন!!! 
শুরু হয় স্থানীয় বিএনপিতে তীব্র কোন্দল। সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ছাড়াও সেসময় কালীগঞ্জ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও, ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান রাশেদ খান!! ফলে, স্থানীয় নেতা-কর্মী, জনসাধারণ ও কালিগঞ্জবাসীর অস্তিত্ব রক্ষায় কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দেন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। 
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র হাইকমান্ড বিষয়টিকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে, দলের দুর্দিনের ঢাল সাইফুল ইসলাম ফিরোজ-কে বহিষ্কার করলে, সৃষ্টি হয় তীব্র রাজনৈতিক জটিলতা। 
এ-বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের বেশকিছু নেতা-কর্মী বলেন,"পুরো খুলনা বিভাগে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছিল। লিডিংয়ে ছিলেন দায়িত্ব প্রাপ্ত একজন শীর্ষ বিএনপি নেতা, যিনি সুকৌশলে কালীগঞ্জসহ পুরো খুলনা বিভাগীয় ইউনিটকে ধ্বংস করেছেন। ফলে, ইতিহাসে সর্বপ্রথম খুলনা বিভাগে বিএনপির এমন শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে।"
সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ইস্যুতে কালীগঞ্জ বিএনপির একজন বর্ষীয়ান বিএনপি রাজনীতিবিদ বলেন,"ফিরোজ আমাদের ঘরের ছেলে। রাশেদ খান বিএনপির কে? ফিরোজ দলের জন্য কী করেনি? এক রাশেদ খানের জন্য ঝিনাইদহে বিএনপির দুই-দুইটি আসন হারিয়েছে। কালিগঞ্জ বিএনপির দুর্দিনে ফিরোজের অবদান অপরিসীম। সে সব হারিয়ে, এখনো পুরোদমে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।"
এদিকে, দল থেকে বহিষ্কার হয়েও সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বয়ে বেড়াচ্ছেন দলীয় মামলার মোটা-মোটা ফাইল! কখনও হাইকোর্ট, আবার কখনও বা জজকোর্টে চলছে তাঁর নিয়মিত রাজনৈতিক মামলায় হাজিরা প্রদান। জেলা শহরেও রয়েছে একাধিক দলীয় মামলা। 
একজন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দলের চরম দুঃসময়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন! দলের জন্য বয়ে বেড়াচ্ছেন কয়েক ডজন মামলার ফাইল! অথচ, আজ তিনি বিএনপির কেউ নন!!
দল থেকে বহিষ্কার এবং পুনরায় দলে ফেরা নিয়ে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন,
"আমি ব্যক্তিগতভাবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া'র আদর্শের রাজনীতি করি। আমি সারাজীবন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র একজন একনিষ্ঠ কর্মী ও সমর্থক হিসেবে কাজ করে যাবো। আমি যা করেছি, সবই দলের জন্যই করেছি; আমার এলাকার মানুষের জন্য করেছি। বাকি জীবনেও দল ও প্রাণ প্রিয় স্বদেশ ও দেশের জনগণের জন্যই লড়বো। আমি আমৃত্যু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশমাতা মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তি আদর্শ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বুকে ধারণ করে বেঁচে থাকতে চাই।"
সেসময় আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, "দেখুন, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আজকে কী করুণ দশা! এই ভাঙণ ঠেকাতেই আমি হাল ধরেছিলাম! দলের কাছে আমাকে ভুল প্রমাণিত করা হয়েছে। আমার নেতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-এঁর প্রতি আমার অনন্ত আবেগ ও ভালোবাসা ছিল, আছে এবং থাকবে। তিনি আমার সর্বোচ্চ দিকনির্দেশক। কিন্তু, আমি অন্যায়ের সাথে আপোষ করতে শিখিনি। বাকি জীবনে বিএনপির একজন উদার সমর্থক হিসেবেই থেকে যাবো। এই দলই আমার প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা। জন্মস্থান কালিগঞ্জই আমার শেষ ঠিকানা।"
সময় গড়িয়েছে। টানা দুর্দিন কাটিয়ে বিএনপি এসেছে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। অপরদিকে, দেশ জুড়ে বিএনপির পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে সুপরিচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, হাসান আল মামুন কিংবা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ-এঁর মতো দূরদর্শী ত্যাগী নেতা-কর্মীরা যেন বিএনপির সুদিনে নিদারুণ অবহেলায় খসে পড়া এক একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে মিটিমিটি আলো জ্বেলেই চলেছেন! 
সময়ের ব্যবধানে তাঁদেরকে নিয়ে কী ভাবছেন বিএনপির হাইকমান্ড? খুব শীঘ্রই কি উঠবে তাঁদের বহিষ্কারাদেশ?? নাকি বিএনপি'র কপালে দুর্ভাগ্যের কালো টিপ হয়েই থাকবেন দলের সর্বোচ্চ দুর্দিনে হাল ধরা এ-সকল ত্যাগী নেতা-কর্মী....!!!

Aminur / Aminur

​সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অবৈধ শুঁটকি পল্লিতে অভিযান: মাচা ধ্বংস

মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

​রানীনগরে ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

মনোহরদীর ইউএনওর স্বচ্ছ বাস্তবায়ন, খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৪৭ লাখ টাকা সাশ্রয়

কর্মস্থলে অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মৃত্যু

নড়াইলে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত

বিএনপি'র দুর্দিনে'র ঢাল সাইফুল ইসলাম ফিরোজ

আমার মাথা অন্য একজনের শরীরে বসিয়ে ভুয়া ও অশ্লীল ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে--এমপি নাসের রহমান

শালিখায় ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে মাদ্রাসার দেয়াল চাপা পড়ে নির্মান শ্রমিক নিহত

আদমদীঘিতে পুকুরে পানি সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে মৃত্যু-১ নারীসহ আহত-৫

হাওরাঞ্চলে ৩০ টন বীজ সরবরাহ করা হবে - কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী ইয়াসিন

বারহাট্টায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধর্ষক পলাতক