ঢাকা বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বারহাট্টার বিস্তির্ণ মাঠ জুড়ে আমন ধানে স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯-৮-২০২৬ দুপুর ১:৫০

আমন ধান রোপণের ভরা মৌসুমে বারহাট্টা উপজেলার বিস্তির্ণ মাঠ জুড়ে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধান রোপণের ব্যস্ততা। সোনালি ফসলের স্বপ্ন বুকে নিয়ে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন কৃষকরা। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ায় তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে রূপান্তরিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তারা। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি জোরদার করার দাবি তাদের।

সপ্তাহ জুড়ে সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ, চিরাম, বাউসী, সাহতা, রায়পুর ও সিংধা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রচণ্ড গরম আর বৃষ্টিপাত উপেক্ষা করে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি আমন ধানের জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণের কাজে ব্যস্ত কৃষকরা। কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছেন, কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলছেন, কেউবা কোমর সমান কাদামাটিতে নেমে ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত, অনেকে আবার অনেকে জমি পরিষ্কার ও পরিচর্যার কাজ করছেন। কৃষকদের আশা, প্রকৃতির অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের মাধ্যমে সোনালি স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে।

উপজেলা সদরের কাশবন এলাকার কৃষক অবনী ক্ষত্রিয়, অরুণ সরকার, সাহতা এলাকার কৃষক জামাল মিয়া, রিটন শেখ, রায়পুর এলাকার জীবন সরকার, কামাল হোসেন, বাউসী এলাকার জজ মিয়া, রিপন তালুকদারসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন কৃষকের সাথে তারা সকালের সময়কে বলেন, বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে আমরা আমন চাষ করে থাকি। আষাঢ় মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষার শুরুতে বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় শ্রাবণের শেষের দিকে আমাদের এলাকায় পুরোদমে আমন চাষ শুরু হয়েছে। আমন ধান চারা রোপণের উপযোগী করে জমি চাষ শেষে চারা রোপণের কাজ করছি। আশা করছি, এ বছর লাভের মুখ দেখতে পারব। তবে আমাদের এই আশার মাঝেও রয়েছে দুশ্চিন্তা। সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। তারপরও ভালো ফলনের প্রত্যাশায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শারমিন সুলতানা জানান, চলতি রোপা আমন মৌসুমে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৫ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর বর্ষার শুরুতে বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় রোপা আমন লাগাতে দেরি হয়েছে কৃষকদের। এ এলাকার কৃষকদের আতব, ব্রি-৯৫, বিনা-১৭, স্বর্ণা-৫, ব্রি-৭১, ব্রি-৭৫, ব্রি-৪৯সহ বেশ কয়েকটি জাতের ধান রোপণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার ডিলাররা কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী রাসায়নিক সার তাদের গুদামে আগাম মজুত রেখেছে। বিএডিসি তালিকাভুক্ত রাসায়নিক সারের ডিলারদের মাধ্যমেই কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি এবং এমওপি সার সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষকদের আমন চাষে রাসায়নিক সারের কোনো ধরনের ঘাটতি না হয় এবং বাজারে যেনো সারের কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়। এজন্য বাজারে সারের অবাধ সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিতে প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

Aminur / Aminur

বরিশালে ময়লার স্তুপ থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

মুকসুদপুরে বিয়ের দাবিতে হিন্দু তরুণের সঙ্গে তরুণীর অবস্থান, থানায় হস্তান্তর

শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

তেঁতুলিয়ায় দায়িত্ব পালনে গতি বাড়াতে ৬৪ গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল ও টর্চলাইট

বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নবীনগরে জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ডলার গ্রেপ্তার

ভূরুঙ্গামারীতে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

১৫ দিনের বিদেশ ভ্রমণের ছুটি গোপন, পরে ১ মাসের মেডিকেল ছুটি—কীভাবে গেলেন কোরিয়ায় প্রধান শিক্ষক

বাগেরহাটে শিশু সন্তান নিয়ে নারীর সংবাদ সম্মেলন

বড়লেখায় এক বছর ধরে কার্যালয়ে নেই ইউপি চেয়ারম্যান, সেবাপ্রত্যাশীদের চরম ভোগান্তি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদক বিরোধী আলোচনা অনুষ্ঠিত

নওগাঁয় মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নওগাঁয় পালিত

মধুখালীতে পাগল মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পিতা পুত্র - মাথায় আটটি সেলাই