ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয়করণকৃত বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেটভুক্তির জোর দাবি: ৪ দফা কর্মসূচির রূপরেখা


জাহাঙ্গীর আলম photo জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশিত: ১৭-৮-২০২৬ দুপুর ৪:৬

জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে দায়িত্ব পালনকারী বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের অবিলম্বে “প্রধান শিক্ষক” পদেই গেজেটভুক্তির জোর দাবি জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক গেজেট থেকে বাদপড়া প্রধান শিক্ষক ঐক্যজোট’। অনতিবিলম্বে এ ন্যায়সংগত দাবি মেনে নিয়ে দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির আবেদন জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। এই দাবি আদায়ে ইতোমধ্যেই সংগঠনের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক, সচিব, সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সর্বশেষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকালে (২ মে ২০২৬) সংগঠনের বিভাগীয় আহ্বায়ক নাদিরা সুলতানা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে স্মারকলিপি পেশ করে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জানান, বেসরকারি অবস্থায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, পরিচালনা ও নিবন্ধনের সরকারি শর্তানুসারে এসব শিক্ষক বিধি মোতাবেক প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। অনার্স, মাস্টার্স, ডিগ্রি কিংবা কামিল পাসের পাশাপাশি তারা ডিপিএড/সিইনএড/বিটিপিটি প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করেন। তবে ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি সরকার সারাদেশের ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করলেও পরবর্তীতে ২০১৬ ও ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপনে তৎকালীন প্রধান শিক্ষকদের কেবল ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়। দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব পালন করে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এবং রাষ্ট্রপতি পদক পাওয়া এসব শিক্ষককে একতরফাভাবে ‘সহকারী শিক্ষক’ বানানো সংবিধানের ১৩৫ (২) অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন, যেখানে উপযুক্ত কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে পদাবনতি ঘটানোকে বেআইনি বলা হয়েছে।

আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক অবহেলা দূর করতে ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে চার দফা মূল দাবি পেশ করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো— বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের অবিলম্বে “প্রধান শিক্ষক” পদেই গেজেটভুক্ত করা; বিদ্যমান আইন ও হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা; প্রশাসনিক বৈষম্যের অবসান ঘটানো; এবং সরকারের ঘোষিত পদোন্নতি তালিকায় জাতীয়করণের প্রায় ৩,৫০০ জন বাদপড়া শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা ও মামলার জট নিরসন করা। নেতারা স্পষ্ট করেন যে, প্রথম ধাপের শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত চলমান মামলার (সিভিল আপিল ৭৩/২০২৩) সাথে বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের সরাসরি গেজেটভুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।

সংবিধানের ১৩৫ (২) অনুচ্ছেদ ছাড়াও ২০০৯ সালের নীতিমালা, ২০১৩ সালের আত্তীকরণ ও পদ সৃজন প্রজ্ঞাপন (স্মারক: ৩০০) এবং ‘Primary School (Taking Over) Act, 1974’ (এস.আর.ও নং-৩১৫)-এর আইনি কাঠামোর কথা উল্লেখ করে শিক্ষক নেতারা বলেন, জাতীয়করণকৃত প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১ জন প্রধান শিক্ষকের পদ নিশ্চিত করা সরকারের আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের এই পদের সাথে তাদের সামাজিক সম্মান ও পেশাগত মর্যাদা জড়িত। দীর্ঘদিনের এই প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়েছে ঐক্যজোট।

এমএসএম / এমএসএম

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা

ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার ইন্তেকাল

মোংলায় ভূমি দখল ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির ১,৫০০ সদস্য মাঠে

প্রাণিসম্পদকে পূর্ণাঙ্গ সেক্টর করার দাবি ভ্যাব-এর মহাসচিব ডা. কবির উদ্দিন আহমেদের

বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় (আংশিক) কমিটি ঘোষণা

বাংলা ভাষায় সুফি তাফসিরের একাডেমিক পরিসর বিস্তারের আহ্বান

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে আনসার সদস্যদের সতর্কতায় দুই চোর আটক

ভেটেরিনারি ডক্টরস' এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভ্যাব)-এর শোকবার্তা

কাস্টমসের বাধ্যতামুলক অবসরপ্রাপ্তদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি

ফেব্রিকের চালান, ভেতরে ১,৬৫৫ দামি মোবাইল জব্দ

বদলি-স্থগিতের পর ফের ঢাকায় ফেরার চেষ্টা