ঢাকা শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অবশেষে তিস্তার পেটে নিচিহ্ন হল ভোরের পাখি প্রাথমিক স্কুলটি৷


সফিকুল ইসলাম রাজা, সুন্দরগঞ্জ  photo সফিকুল ইসলাম রাজা, সুন্দরগঞ্জ
প্রকাশিত: ১১-৯-২০২৬ বিকাল ৫:৭

অবশেষে তিস্তার পেটে নিচিহ্ন হয়ে গেল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লাল চামার সিংগীজানী গ্রামের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

গতকাল ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা দিকে তিস্তার তীব্র ভাঙন দেখা দিলে নিমিষের মধ্যে নিচিহ্ন হয়ে যায় স্কুলটি। এরআগে গত ১৮ আগস্ট তিস্তার ভাঙনে স্কুলটির ২টি সেমি পাঁকা টিনসেড ঘরের একটি ও অপরটির অর্ধেকটি নদীগর্ভে চলে যায়। বাকি অংশটুকু বৃহস্পতিবার তিস্তার পেটে বিলীন হয়ে যায়। এখন আর স্কুলটির কোন অস্তিত্ব রইলো না। শিক্ষার্থীরা কোথায় পাঠদান করবেন এনিয়ে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী ও শিক্ষকগণ। 

 স্থানীয় অভিভাবক আতোয়ার রহমান বলেন, স্কুল ঘর ২টি রক্ষার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রীসহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জোরদাবি জানানো হলেও শেষমেষ রক্ষা হল না প্রতিষ্ঠানটি। পানি সম্পদ মন্ত্রীসহ স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নিদের্শনা দেয়ার পরও তাদের গাফলতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে চলে গেল। এলাকার ছেলে-মেয়েরা কোথায় পাঠদান করবেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নাই। গত এক সপ্তাহ ধরে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে নিচিহ্ন হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। দ্রুত পাঠদান ব্যবস্থা চালু না করলে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় ধ্বস নেমে আসবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসিনতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করা সম্ভব হল না। সেই সাথে গত এক সপ্তাহের ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ দেড়শত বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। 

 ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুর রহমান মন্ডল সাদা বলেন, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২টি সেমি পাঁকা টিনসেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেইসাথে বেশকিছু আসবাবপত্র সরবরাহ করেছিল সরকার। তিস্তার করাল গ্রাসে বৃহস্পাতিবার সম্পূর্ণরুপে বিলীন হয়ে যায় স্কুলটি। সামান্য কিছু আসবাবপত্র রক্ষা করা গেলেও বেশিভাগ মালামাল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে ভ্রাম্যমান উপায়ে পাঠদান কার্যক্রম চালু করতে না পারলে অনেক শিক্ষার্থী ঝড়ে যাবে।

কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভাঙন শুরু হওয়ায় স্কুল ঘরটি রক্ষা করা সম্ভব হল না। প্রশাসনকে বহুবার মোবাইল ফোনে অবগত করা হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে স্কুলটির কিছু মালমাল পরিষদে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ভাঙনের তীব্রতার মুখে এই মহুর্ত্বে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জিও ব্যাগ ফেলার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষা বিভাগের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রæত পাঠদান কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা করা হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি উপর মহলে জানানো হয়েছে।

Aminur / Aminur

অবাধে সার মজুদ: দুর্গাপুরে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ, এলাকায় চাঞ্চল্য

অবশেষে তিস্তার পেটে নিচিহ্ন হল ভোরের পাখি প্রাথমিক স্কুলটি৷

পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙন: দেড়শ পরিবার নিঃস্ব, রাস্তায় ২০টি ঘর

ক্ষেতলালে সন্তান নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অবস্থান

বাঘার চকরাজাপুরে ভয়াবহ বন্যা: ইউনিয়নের ৮০% বাড়ি পানিবন্দি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বেকার যুবকদের দক্ষ জনশক্তি রূপান্তরে বাকলজোড়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান-ফারুক আকন্দ

দেবোত্তর সম্পত্তি দখল: তানোরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধনে উত্তাল শিবরামপুর

নেত্রকোণায় প্রেমের বিয়ে না-কি অপহরণ? নিকাহনামা স্বাক্ষর অনুযায়ী তরুণীর সম্মতিতেই বিয়ে

বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত

অনিশ্চয়তায় হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ: মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি

বিমানবন্দর এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার বিপুল মালামাল

পেকুয়ায় পুলিশের অভিযান, ইয়াবা-টাকাসহ আটক ২

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে নগদ টাকাসহ ৪ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার