অনিশ্চিত বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নীতিগত তাগিদ
বিশ্ব অর্থনীতির গতিপথ নিয়ে নিত্যনতুন অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিট ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (QSNCC) পূর্ণ উদ্যমে চলছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মূল আলোচনায় আমরা দেখতে পাচ্ছি বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস, ভূ-অর্থনৈতিক ঝুঁকি, উদীয়মান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-র বহুমুখী প্রভাব এবং চড়া ঋণের বোঝা সামলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর বিভিন্ন কৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
সম্মেলনস্থল থেকে সরেজমিনে দেখা গেছে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কেবল সাময়িক ধাক্কা সামলানোই নয়, বরং কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত কাঠামোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহনশীলতা (Resilience) তৈরি করা যায়, তা নিয়ে বিশ্বনেতা, অর্থমন্ত্রী এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা নিবিড় মতবিনিময় করছেন।
প্রবৃদ্ধির সীমা ও পলিসি বাফারের প্রয়োজনীয়তা
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে উপস্থাপিত পর্যবেক্ষণ ও আলোচনায় মূল জোর দেওয়া হয়েছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহনশীলতার ওপর। উচ্চ সুদের হার এবং বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের চড়া হার বিশেষ করে উদীয়মান ও বিকাশমান অর্থনীতিগুলোর ওপর যে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে, তা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সেশনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। নতুন কোনো অর্থনৈতিক অঘটন বা জ্বালানি সংকটের মতো ধাক্কা আসার আগেই প্রতিটি দেশকে তাদের ‘পলিসি বাফার’ বা আর্থিক সক্ষমতা নতুন করে জোরদার করার স্পষ্ট তাগিদ দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।
প্রযুক্তির প্রভাব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
চলতি বছরের আলোচনায় সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয়গুলোর একটি হলো ব্যাংকিং, অর্থায়ন ও কর্মসংস্থানে প্রযুক্তির প্রভাব। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের আলোচনায় উঠে এসেছে কিভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন একাত্থে কর্মদক্ষতা বাড়াচ্ছে এবং নতুন ধারার অর্থনৈতিক অবকাঠামো তৈরি করছে, তেমনি অন্যদিকে তা কর্মসংস্থানে রূপান্তর ও আর্থিক খাতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে এআই-চালিত আর্থিক প্রযুক্তি, টোকেনাইজেশন এবং নন-ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনগুলোর কাঠামোগত দুর্বলতা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের বিষয়টি আলোচকরা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন।
কার্যকর নীতিগত দিকনির্দেশনার প্রত্যাশা
ব্যাংককের এই সম্মেলন কেন্দ্র থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও সেশনগুলোর গতিধারা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, সমাপনী আলোচনাগুলোর দিকেই এখন সকলের দৃষ্টি। নীতিনির্ধারকদের আশাবাদ, ব্যাংকক সম্মেলন থেকে যে নীতিগত পথনকশা ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা আসবে, তা কেবল উন্নত অর্থনীতির জন্যই নয়,বরং বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, গ্রিন ফাইন্যান্স এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এক নতুন বার্তা দেবে।
aliul / aliul
সৌদির তিন স্থাপনা থেকে সবাইকে সরে যাওয়ার নির্দেশনা হুথিদের
ইয়েমেনের রাজধানীতে ব্যাপক বিমান হামলা চালাতে যাচ্ছে সৌদি
‘ভয়ে’ হুথিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সহায়তা নিলো না সৌদি
যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেখালেন কিম
অনিশ্চিত বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নীতিগত তাগিদ
নিরাপত্তা শঙ্কায় এক প্রাসাদ থেকে আরেক প্রাসাদে যাচ্ছেন প্রিন্স সালমান
প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে স্থল হামলার পরিকল্পনা ইরানের
সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে এল নিনোর প্রভাব: দাবানল, বিদ্যুৎ সংকট ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
দিল্লিতে আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের হাত রয়েছে: পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী
মঙ্গলে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভ্রমণের রেকর্ড করল নাসার পারসিভিয়ারেন্স
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ : সিজেপির ২ শীর্ষনেতা আটক
হুথিদের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় সব দেশকে এক হওয়ার আহ্বান আমিরাতের