সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও স্ত্রীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলার সিদ্ধান্ত
সাবেক স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) প্রধান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. মনিরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানা এবং তাঁদের আত্মীয় রেজাউল আলম শাহীন ও তাঁর স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন দুদকের উপপরিচালক মোজাম্মেল হোসেন।
দুদকের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রেজাউল আলম শাহীন ও তাঁর স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলায় রেজাউল আলম শাহীন, মো. মনিরুল ইসলাম ও সায়লা ফারজানাকে এবং দ্বিতীয় মামলায় সানজিদা খানম টুম্পা, মো. মনিরুল ইসলাম, সায়লা ফারজানা ও রেজাউল আলম শাহীনকে আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদকের অনুসন্ধানে রেজাউল আলম শাহীনের নামে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। কমিশনের হিসাবে, তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণও একই। অর্থাৎ, অনুসন্ধানে পাওয়া সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয়ের কোনো পরিমাণ ওই হিসাবের টেবিলে উল্লেখ করা হয়নি।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, রেজাউল আলম শাহীনের নামে পরিচালিত ৪০টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫২৭ কোটি ৯২ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৮ টাকা জমা হয়। একই সময়ে এসব হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয় ৫১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪১ হাজার ৯১০ টাকা। জমা ও উত্তোলন মিলিয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার ৪৫ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৮ টাকা। এসব লেনদেনকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে দুদক।
অন্যদিকে, সানজিদা খানম টুম্পার নামে ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৫ টাকার নিট সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। এর বিপরীতে তাঁর বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬৭ লাখ ১৮ হাজার ৭০৬ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৫৯ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সানজিদা খানম টুম্পার নামে পরিচালিত ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩৩ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৭৮৮ টাকা জমা হয়। একই সময়ে এসব হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয় ২৫ কোটি ৫১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৫ টাকা। জমা ও উত্তোলন মিলিয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৩ টাকা।
দুদকের অভিযোগ, রেজাউল আলম শাহীন ও সানজিদা খানম টুম্পা তাঁদের আত্মীয়দের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থকে বৈধ করার অপপ্রয়াসে নিজেদের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও দখলে রেখেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এমএসএম / এমএসএম
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও স্ত্রীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলার সিদ্ধান্ত
মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ
চেতনায় নজরুল শীর্ষক আলোচনা ও স্বরলিপি সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদের পরিচিতি সভা
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর, সাধারণ মানুষের পাশে: ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান
বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম প্রকাশের জেরে সম্পাদককে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা-নির্যাতন, প্রশাসন নির্বিকার
বাড্ডায় ব্যবসায়ী লোকমানকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের হামলা, এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি
প্লাস্টিক সমিতির নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত ও সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে ভোক্তা অধিকার ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন বাতিলের অভিযোগ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট পড়েছিল যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলা কাটা মরদেহ
যাত্রাবাড়ীতে ৪.৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
এডিএম স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মনিরুজ্জামান অপূর্ব