বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন ও গার্ড অব অনারে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের তীব্র নিন্দা
বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী জানাজা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ও গার্ড অব অনার প্রদানে অন্যায্যভাবে বাধা সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল। নেতারা বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করা কিংবা তাঁদের শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় বিঘ্ন ঘটানো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতীয় মর্যাদার ওপর চরম আঘাত।
এক যৌথ লিখিত বিবৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কমান্ড কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ, অসীম সাহসিকতা ও অবদানের বিনিময়েই জাতি একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছে। তাই জীবনের শেষযাত্রায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় সম্মান নিশ্চিত করা তাঁর প্রতি জাতির দায় ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। সেখানে যে কোনো অজুহাতে বাধা সৃষ্টির ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অনভিপ্রেত এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মর্যাদাকে ধূলিসাৎ করার শামিল।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিহ্নিত প্রায় সাতাশ হাজার যুদ্ধাপরাধীর মধ্য থেকে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত আনুমানিক ষোলো হাজার যুদ্ধাপরাধীকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, সেই সুযোগসন্ধানী যুদ্ধাপরাধী চক্র ও তাদের উত্তরসূরিরা আজও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে তৎপর এবং নানাভাবে নির্যাতন ও অবমাননা চালিয়ে যাচ্ছে।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের নেতারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান প্রদর্শন কোনো ব্যক্তিগত দয়া বা অনুগ্রহ নয়; এটি তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদান, আত্মত্যাগ এবং রাষ্ট্রের স্বীকৃত সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অংশ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা যে কোনো সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্য সম্মান ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া যাবে না।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন ও গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগগুলো অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখা সমগ্র জাতির পবিত্র দায়িত্ব।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের পক্ষে যৌথ এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার শাহজাহান খান, কমান্ডার আনিস কাদেরী, কমান্ডার স্বপন আচার্য্য, কমান্ডার মোহাম্মদ এমরান, কমান্ডার হাজী সুলতান আহমদ, কমান্ডার আবুল কাশেম, কমান্ডার সালামতউল্লাহ, কমান্ডার আবুল বাশার, কমান্ডার অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন ও কমান্ডার রাখাল চন্দ্র বণিক। এছাড়াও উপজেলা কমান্ডারদের মধ্যে সীতাকুণ্ডের কমান্ডার সানাউল্লাহ, মিরসরাইয়ের কমান্ডার মো. কবির, সন্দ্বীপের কমান্ডার মো. রফিক, বোয়ালখালীর কমান্ডার আবুল বাশার, পটিয়ার কমান্ডার মো. মহিউদ্দিন, সাতকানিয়ার কমান্ডার রমিজউদ্দিন, আনোয়ারার কমান্ডার মো. হোসেন, বাঁশখালীর কমান্ডার মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ভোলার যুদ্ধকালীন কমান্ডার মো. সেলিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা বিবৃতিতে সংহতি প্রকাশ করে স্বাক্ষর করেন।
এমএসএম / এমএসএম
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন ও গার্ড অব অনারে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের তীব্র নিন্দা
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও স্ত্রীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলার সিদ্ধান্ত
মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ
চেতনায় নজরুল শীর্ষক আলোচনা ও স্বরলিপি সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদের পরিচিতি সভা
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর, সাধারণ মানুষের পাশে: ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান
বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম প্রকাশের জেরে সম্পাদককে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা-নির্যাতন, প্রশাসন নির্বিকার
বাড্ডায় ব্যবসায়ী লোকমানকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের হামলা, এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি
প্লাস্টিক সমিতির নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত ও সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে ভোক্তা অধিকার ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন বাতিলের অভিযোগ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট পড়েছিল যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলা কাটা মরদেহ
যাত্রাবাড়ীতে ৪.৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার