এনবিআরের বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূনর্বহালের দাবি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন কাস্টমস ও ইনকাম ট্যাক্স বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখনোপ বৈষম্য চলছে বলে বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি করেছেন।
বিভিন্ন সুযোগ সুবিদার দাবিতে আন্দোলনের কারণে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের চাকুরীতে পুনর্বহলারের দাবি করা হলেও এখনো তাদের পুনর্বহাল করা হয়নি বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানিয়েছেন। তারা বলছেন, চলতি বছরের গত ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোরালো দাবি জানানো হয় যে, আন্দোলনের কারণে একই ব্যানারে আন্দোলন করে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাদের সবাইকে স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এরই মধ্যে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রক্রিয়ার একটি আন্দোলন, যা অন্য কোনো আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। কারণ, এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল শত বছরের প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করা। তারই ধারাবাহিকতায় প্রায় অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারী বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এমনকি ক্ষুদ্র পদে কর্মরত কর্মচারীরাও কোনো ছাড় পাননি।
সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান ছিলেন। কর্মচারীদের নিয়োগকারী কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তৎকালীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব নিজেই কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করে তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠান। বিষয়টিকে তিনি গভীর ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন। আর নিয়োগকারী কর্মকর্তা থাকা সত্ত্বেও কোনো নোটিশ বা শুনানি ছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি? যদি শাস্তি দিতেই হয়, তাহলে আইন ও বিধি মোতাবেক সবার জন্য একই আইন প্রয়োগ করে শাস্তি দিতে হবে।
আর আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী পদোন্নতি পেলেও নিরীহ কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এটি চরম বৈষম্যমূলক, ষড়যন্ত্রমূলক ও আইনপরিপন্থী বলে ভুক্তভোগিরা দাবি করছেন। আবার বাধ্যতামূলক অবসরে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে ভুক্তভোগীরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে আবেদন করেছেন। উক্ত আবেদনের বিষয়টি দ্রুত বিবেচনাপূর্বক বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বপদে পুনর্বহালের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার সমাধান করা হবে বলে তারা আশা ব্যক্ত করেছেন।
aliul / aliul
ডেমরায় থানা কৃষক দল নেতা মমিনকে মধ্যরাতে বাসায় এসে প্রাণনাশের হুমকি
এনবিআরের বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূনর্বহালের দাবি
৬৪ জেলায় তরুণদের জন্য এআই প্রশিক্ষণ উদ্যোগ: দক্ষ জনশক্তি গড়ার নতুন দিগন্ত
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
মোহাম্মদপুরে সিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা, ড্যাবের তীব্র নিন্দা
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
গার্মেন্টস আন্দোলনকারীদের উপর দমন পীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জনিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
নাহারের অর্থায়নে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আশ্রয়হীন ২৮ পরিবারকে নতুন ঘর দিল ছওয়াব
খামারবাড়ি থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক দলের বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা কর্মসূচি
‘পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে’
‘মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে’: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান
মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে এখনই কার্যকর উদ্যোগ চাই